“কোয়েল মল্লিকের”

ভারতীয় বাংলা মুভির নায়িকা “কোয়েল মল্লিকের” ScAnDaL
প্রথমেই বলে রাখি যারা নিজ চোঁখে কিছু দেখেও বিশ্বাস করতে চান না তাদের এই ScAnDaL টি নামানোর কোন প্রয়োজন নেই। অনেকে আছেন তারা ঠিকি দেখতেছে যে এটা সত্যি তার পরেও বিশ্বাস করতে চান না বা শিকার করে না। তাই তাদের কাছে আমি কোন কিছু শেয়ার করতে আগ্রহী নই।
কিছু কথাঃ আমি চিন্তা ও করতে পারি নি যে “কোয়েল মল্লিক” এর ScAnDaL দেখবো!! আমি শুধু মনে করতাম আমাদের এপারের বাংলাই মনেহয় ScAnDaL এ ভর্তি হয়েগেছে এখন দেখি সব যায়গাতেই একি অবস্থা। ওপার আমাদের থেকে অনেক অংশেই এগিয়ে আছে তবে আর এই দিক দিয়েই বা পিছিয়ে থাকবে কেনো?
আর হ্যাঁ অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আমি শুধু আপনাদের মাঝে শেয়ার করতেই থাকবো আর আপনারা মজা লুটতেই থাকবেন কিন্তু কোন ভালো/মন্দ কমেন্ট করবেন না তা হতে পারে না। আপনারা যদি কমেন্টকরেন আপনাদের মন্তব্য শেয়ার করেন তবে সামনে আপনাদের জন্য আরো আকর্ষণীয় কিছু নিয়ে হাজিরহবো!
ডাউনলোড করে নিন এখুনি  

তিশা-শিহাব শাহীনের সেক্স ভিডিও নিয়ে সারাদেশ তোলপাড়!

1384481569tisha-sexদেশী তারকাদের স্ক্যান্ডাল যেন এখন ডাল-ভাত হয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশ পেল জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিশার সেক্স ভিডিও। এক টিভি নাটক নির্মাতার সঙ্গে তিশার রোমাঞ্চকর এ ভিডিও এখন প্রায় সবার হাতে হাতে। ধারনা করা হশ্চ্হে সেক্স ভিডিওর লোকটি মংফড়িংগের গল্পর জনপ্রিয় নাটক নির্মাতা শিহাব শাহীন। ভিডিও প্রকাশ হয়েছেন ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে এ নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি তিশা বা শিহাব শাহীন কেউই। তবে ভিডিওটি পুরোপুরি স্পষ্ট থাকায় তিশাকে চিনতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। এর আগে ভিডিও স্ক্যান্ডালে পড়েন সারিকাও। ইন্টারনেটে বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটে সারিকার নামে একটি পর্ণো ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিও চিত্রটিও সেলফোন, মনিটরে ঘুরে ঘুরে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রকাশিত ভিডিওর নারী চরিত্রটি সারিকা বলে বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা মত দিয়েছেন। তবে হালের প্রকাশিত তিশা-শিহাব শাহীনের সেক্স ভিডিও নিয়ে কি বলবেন আপনারা? তিশার সেক্স স্ক্যান্ডাল! অপপ্রচারের শিকার!
তারকাদের নিয়ে অপপ্রচার নতুন কিছু নয়। এবার সে অপপ্রচারের শিকার হলেন হালের জনপ্রিয় টিভি তারকা তিশা। গত কয়েকদিন ধরেই পরিকল্পিতভাবে তার নামে ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে একটি মহল। ফেসবুকে কুরুচিপূর্ন পেজ খুলে তা দিয়েই প্রচার করা হচ্ছে তার নামে নানা অশ্লীল তথ্য।নাম প্রকাশ অযোগ্য একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হচ্ছে, এবার বের হয়েছে তিশার সেক্স স্ক্যান্ডাল। আর তার সঙ্গে নাকি যে পুরুষটিকে দেখা যাচ্ছে তিনি নাট্য নির্মাতা শিহাব শাহীন। পেজটি থেকে এও বলা হচ্ছে, ভিডিওটিতে স্পষ্টভাবে তিশার চেহারা বোঝা যাচ্ছে।
এমনকি ভিডিওটি ডাউনলোডের জন্য একটি লিংকও দেওয়া হয়েছে। যদিও সে লিংকে গিয়ে কোন ভিডিও পাওয়া যায়নি। তারপরেও পেজটি থেকে ঘন্টায় ঘন্টায় এমন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুকে এমন সব অশ্লীল পেজ খুলে প্রায়ই তারকাদের নামে স্ক্যান্ডাল ছড়ানো হচ্ছে। যার কোনটিরই কোন ভিত্তি নেই।
এ প্রসঙ্গে তিশার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এমন তথ্য আমার কাছেও এসেছে। যারা এসব করছে তারা অসুস্থ মস্তিস্কের মানুষ।
তিশার একটি ঘনিষ্ট সুত্র জানিয়েছে, অনেকেই বলছেন তিশার SCANDAL বাজারে…
তাদের সবাইকে ছবিটি ভাল করে দেখার অনুরোধ করব… ভিডিওটিতে যে মেয়েটি ছিল তা আমাদের তিশা নন, শুধু শুধু দেশের একটি মেয়ের নামে এভাবে বদনাম করবেন না, যেখানে তার নিজের কোন দোষ নেই…তার বদনাম মানে আমাদের বদনাম..
– See more at:

নারী, মাদক, সফটওয়্যার আর ম্যাকাফি

রহস্যময় বর্ণিল এক মানুষ জন ম্যাকাফি। কিন্তু কে আসল ম্যাকাফি? কুখ্যাত মাফিয়া, মাদক আর নারী কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগ মাথায় নিয়ে বেড়ানো ব্যক্তিটি, নাকি বিশ্বের বিখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির প্রতিষ্ঠাতা? সম্প্রতি বিবিসি অনলাইন জন ম্যাকাফিকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে উঠে এসেছে ম্যাকাফির জীবনের নানা অধ্যায়।
গোপন একটি প্রকল্প নিয়ে আবারও আলোচনায় ম্যাকাফি। কয়েক বছর ধরেই তিনি গোপনে একটি যন্ত্র নির্মাণ করে যাচ্ছেন। ম্যাকাফির দাবি, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নজরদারি থেকে আড়াল করতে পারবেন তিনি।
মার্কিন গোয়েন্দারা সবার ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারি করছেন এমন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন সিআইএর সাবেক কর্মী অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন। এ তথ্য ফাঁস করার পর বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারির বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। গোয়েন্দারা যাতে ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ১০০ মার্কিন ডলার দামের একটি প্রযুক্তিপণ্য তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন ম্যাকাফি। যন্ত্রটির নাম ‘ডি-সেন্ট্রাল’। যন্ত্রটি মুঠোফোন ও অন্যান্য পণ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। যন্ত্রটি নিজস্ব ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা তৈরি করতে সক্ষম হবে, যাতে ব্যবহারকারী ছাড়া আর কারও পক্ষে নজরদারি সম্ভব হবে না বলেই দাবি করেন ম্যাকাফি।

ডি-সেন্ট্রাল তৈরির কথা জানানোর আগে থেকেই প্রযুক্তি বিশ্বে ‘কিংবদন্তি’ হিসেবে খ্যাতি জুটেছে তাঁর। কিন্তু ম্যাকাফির ‘গোপন’ জীবনের ঘটনার সঙ্গে মানুষের পরিচয় ঘটে ২০১২ সালে। এ সময় তাঁকে নতুন করে আবিষ্কার করে মানুষ। চুলে রং করা, বাঁধানো দাঁত আর ছদ্মবেশী এক মার্কিন নাগরিক হিসেবে তাঁকে পাওয়া যায়। এর আগে তাঁর জীবনে ঘটে যায় এক ঝড় তোলা ঘটনা। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজের বাসিন্দা থাকাকালে ম্যাকাফির এক পড়শি খুন হলেন। পুলিশের চোখে ম্যাকাফি হয়ে ওঠেন সন্দেহভাজন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি পুলিশের চোখ এড়িয়ে, ছদ্মবেশে ঢুকে পড়েন প্রতিবেশী দেশ গুয়াতেমালায়। রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েও পাননি; বরং কারাগারে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেখান থেকে তিনি ফেরেন যুক্তরাষ্ট্রে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে অল্পবয়সী বান্ধবীদের সঙ্গে ম্যাকাফির খালি গায়ে তোলা ছবি আবারও নানা আলোচনার জন্ম দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিপজ্জনক’ ব্যক্তি হিসেবে সন্দেহের তালিকায় এখন ম্যাকাফি। বিবিসিকে অবশ্য ম্যাকাফি বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর সত্যতা নেই। ম্যাকাফির সাক্ষাত্কার নেওয়া এক সাংবাদিক সব সময় তাঁকে ‘খামখেয়ালি’ বলে সম্বোধন করেন। ম্যাকাফি নিজের সম্পর্কে সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে বাজে লোকের তকমার কথা স্বীকারও করেন। তবে এর বাইরেও ম্যাকাফি নিজেকে পরিচয় দেন একজন উদ্যোক্তা হিসেবে।

ম্যাকাফি নিজের সম্পর্কে বলেন, ‘আমি কৌতূহলী এবং সমস্যা সমাধান করতে ভালোবাসি। তবে আমি নিজের নামে তৈরি কোনো পণ্য ব্যবহার করি না। নিজেকে নিরাপদ রাখতে সব সময় নিরাপদ কম্পিউটিং করি। পর্নো সাইটে যাই না, ভাইরাস থাকতে পারে, এমন লিংকে যাই না।’

ম্যাকাফি বলেন, আমরা যখন রাস্তা খুঁজে নিয়ে চলতে শুরু করি, খোলস ছেড়ে বের হই, তখনই কেবল আমরা নির্ভয়ে সে পথে যেতে পারি এবং এতে সাফল্য আসে এবং সত্যিকারের সৌন্দর্যের খোঁজ পাওয়া যায়।

জন ম্যাকাফি সম্পর্কে তাঁর বেলিজের এক নারী সঙ্গী জানিয়েছেন, অসাধারণ একজন মানুষ আর রোমাঞ্চপিয়াসী তিনি। তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা বলেন, খামখেয়ালি এই মানুষটাকে আসলে বোঝা খুব শক্ত। বয়স্ক একজন মানুষ কমবয়সী অনেকগুলো মেয়ে নিয়ে আনন্দ করছেন আবার কাজের ক্ষেত্রে দারুণ মনোযোগী। কে আসল জন ম্যাকাফি, সেটাই বোঝা কঠিন।

প্রযুক্তির ইতিহাসে বর্ণিল, রহস্যময় একজন মানুষ জন ম্যাকাফি। একদিকে নতুন নতুন উদ্ভাবন, অন্যদিকে মাদক তৈরিসহ বিশ্বের ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করা হয়।

জন ম্যাকাফির সঙ্গে বর্তমানে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস প্রতিষ্ঠানটির কোনো সম্পর্ক নেই। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে তিনি ম্যাকাফি বিক্রি করে দেন। ২০০৮ সাল থেকে তিনি বেলিজে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। রোমাঞ্চপ্রত্যাশী জন ম্যাকাফি ছোটবেলা থেকেই নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন। নব্বইয়ের দশকের পর তাঁর আচরণে খামখেয়ালিপনা দেখা দেয়। বিক্রি করে দেন ম্যাকাফি। তারপর প্রযুক্তি জগত্ থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলে যান বেলিজে। সেখানে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে এ অঞ্চলের বিখ্যাত মাদক চোরাচালানকারী আর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে। এ সময় তিনি ভয়ংকর মাদক তৈরির চেষ্টা করছিলেন। কম্পিউটার জগত্ থেকে অনেকদিন ধরেই বিচ্ছিন্ন পড়েছিলেন ম্যাকাফি। ক্রমাগত বাড়ছিল তার খামখেয়ালি আচরণ। ম্যাকাফির পুরোনো সহকর্মী এবং বন্ধুদের অনেকেই জানিয়েছেন, নারীদের মধ্যে যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে এমন মাদকের প্রতি অনেক দিন ধরেই কৌতূহল ছিল ম্যাকাফির।

ম্যাকাফি বলেন, মাদকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অনেক পুরোনো। পরিবার থেকে লুকিয়ে তিনি মাদক নিতেন। মাদক গ্রহণের জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর চাকরি চলে গিয়েছিল। তবে এ ঘটনাটি ঘটেছিল আশির দশকে। ওই সময় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণে মাদক নেওয়া শুরু করেছিলেন। ১৯৮০ থেকে ’৮৪ সাল—এ চারটি বছর মাদক তাঁর জীবনের সবচেয়ে সর্বনাশ করেছে বলে উল্লেখ করেন ম্যাকাফি। তিনি জানান, তাঁকে নিয়ে এখনো মানুষ ভুল ধারণা করে। তাঁর গায়ে আশির দশকে আঁকা উলকি দেখে এখনো অনেক কিছু ভেবে বসে। তিনি ১৯৮৪ সালে মাদক ছেড়ে দিয়ে চিকিত্সকের কাছেও গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন।

ম্যাকাফি বলেন, ‘সব সময় দুই ধরনের মানুষ আমরা দেখতে পাই। কেউ আমাকে প্রশংসা করে এবং কেউ নিন্দা। কারও চোখে আমি নায়ক, আবার কারও চোখে ভিলেন।’

আলোচিত ১০ বাংলাদেশী মডেলের সেক্স স্ক্যান্ডাল

সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ার খবর হরহামেশাই পাওয়া যায়। হলিউড-বলিউড-ঢালিউড সর্বত্রই চলেছে এমন স্ক্যান্ডাল। চেপে রাখতে চাইলেও এ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না তারকারা। বাংলাদেশের মডেল অভিনেত্রী গায়িকা সেলিব্রিটিরাও এই অস্ত্রে ঘায়েল হয়েছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারকারা ‘স্ক্যান্ডালে’ না জড়িয়েও অপপ্রচারের বলি হয়েছেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় তারকরারা সেই অনৈতিক কাজটি সঙ্গোপনে করেও ফেলেছেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী-গায়িকা ভিডিও স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়েন। একের পর এক প্রকাশ হওয়া এসব ভিডিও স্ক্যান্ডালের কারণে পুরো মিডিয়া অঙ্গনেই তুমুল সমালোচনার ঝড় ওঠে। আর এই ঝড় তাদের ক্যারিয়ারের জন্য হয়ে উঠে অশনি সংকেত। তারা পথ হারিয়ে ফেলেন, ঝরে পড়েন। অথচ মেধাবী এই তারকাদের দর্শকদেরকে দেয়ার ছিল অনেক কিছুই। এই প্রতিবেদনের লক্ষ্য তারকাদের এমন স্খলন থেকে সচেতন করা। এমন-ই ১০ আলোচিত-সমালোচিত ভিডিও স্ক্যান্ডালের একটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো- প্রভা

সময়টা ২০১০ সাল। জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা তখন দেশের শীর্ষ মডেল ও অভিনেত্রী। ঠিক সেই সময়েই তার একটি ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছাড়েন তার সেই সময়ের হবু বর রাজীব। মুহুর্তেই তা দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাজীব এবং প্রভার বিয়ে পারিবারিকভাবেই চুড়ান্ত হয়েছিলো। সব ঠিকঠাক এগুচ্ছিলোও। তাই অনেকটা দাম্পত্য জীবনের মতোই ছিলো তাদের সম্পর্ক। কিন্তু এর মাঝে অভিনেতা অপূর্বর সাথে প্রভার মনদেয়া নেয়া হলে প্রভা পালিয়ে অপূর্বকে বিয়ে করে বসেন। এরপরই প্রতিহিংসার বশে রাজীব তার হবু স্ত্রী প্রভার একান্ত সময়ের কিছু ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। প্রভার পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছিল। এ নিয়ে তুমুল বির্তকে জড়িয়ে পড়েন প্রভা। অপূর্বর সাথেও সংসার ভেঙ্গে যায়। ক্যারিয়ারে ধস নামে। দীর্ঘ ২ বছর মিডিয়া থেকে আড়ালে ছিলেন তিনি। চৈতি
প্রভার আপত্তিকর ভিডিও চিত্র প্রকাশ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই পরের বছরই মডেল ও উপস্থাপিকা চৈতির একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ হয়। নির্মাতা এনামুল কবির নির্ঝরের সাথে এই ভিডিওতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় চৈতিকে। ভিডিওটি মোবাইলে ধারণ করা হয়েছিলো। এই আপত্তিকর ভিডিও চিত্রটি প্রকাশের পরপরই তুমুল সমালোচনার মধ্যে পড়েন চৈতি। এ ঘটনা মিডিয়া অঙ্গনসহ সাধারণ মহলেও বিষয়টি নিয়ে কড়া সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর অনেক দিন মিডিয়ায় দেখা যায়নি এই তারকাকে।মিলা
জনপ্রিয় পপ শিল্পী মিলা’র ক্যারিয়ার শুরু হয় গানের মাধ্যমেই। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও মডেলিং করেন এই পপ তারকা। কিন্তু ক্যারিয়ারের জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই তার নাম চলে আসে ভিডিও স্ক্যান্ডালের তালিকায়। ইন্টারনেটে ‘মিলা’ নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ঐ ভিডিওটিতে মাতাল অবস্থায় থাকা তরুনীর চিত্র রয়েছে। এ ঘটনার কয়েকমাস পর মিলা এ বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিও চিত্রের মেয়েটি তিনি নন। এটি আসলেই মিলা কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পাননি তিনি।তিন্নি
ভিডিও স্ক্যান্ডালের সাথে জড়িয়ে পরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল অভিনেতা তিন্নি-হিল্লোল জুটি। একটি হোটেল কক্ষে তরুন-তরুনীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তে ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজ দুজনের নামে ছেড়ে দেয়া হয় বাজারে। ভিডিওটির পাত্র-পাত্রী হিসেবে চলে আসে এ জুটির নাম। এই ভিডিওটির সত্যতা মেলেনি। কিন্তু সমালোচনার হাত থেকে রেহাই মেলেনি তুখোড় এই তারকা-জুটির। তিন্নিকে এখন শোবিজে দেখা যায় না বললেই চলে।শখ
জনপ্রিয় মডেল আনিকা কবির শখের নামে একটি ভিডিও ফুটেজ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে। ভিওিও ক্লিপটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই এটি নানাভাবে ছড়িয়ে পরে সবর্ত্র। ভিডিওতে বিবসনা নারীটি আসলেই শখ কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার পর শখের ক্যারিয়ার ইমেজে দর্শকদের নেতিবাচক বার্তা পৌছায়।মীম
লাক্স সুপারস্টার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম বেশ ক্লিন ইমেজ নিয়েই মিডিয়ায় ছিলেন। কিন্তু এতে বাঁধা হয়ে উঠে একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ। গত বছর এক বিদেশি ক্রিকেটারের সাথে আপত্তিকর দৃশ্যের এ ফুটেজ প্রকাশ হয়। এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এটা আসলেই তারকা বিদ্যা সিনহা মিম কিনা তা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেন।নোভা
মডেল অভিনেত্রী নোভার নামও জড়িয়ে পরে ভিডিও স্ক্যান্ডালে। ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময়ে একটি ভিডিও ফুটেজ বির্তকে ফেলে দেয় এই তারকাকে। ২০১০ সালে তার নামে একটি অর্ধ বিবসনা ফুটেজ ছড়িয়ে পরে। যা এ তারকাকে স্ক্যান্ডালের তালিকায় ফেলে দেয়। যদিও ফুটেজটির মেয়েটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সারিকা
ভিডিও স্ক্যান্ডালের ফাঁদে পড়তে হয়েছে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকাকেও। ইন্টারনেটে বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটে সারিকার নামে একটি পর্ণো ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয়। এই ভিডিও চিত্রটিও সেলফোন, মনিটরে ঘুরে ঘুরে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রকাশিত ভিডিওর নারী চরিত্রটি সারিকা নয় বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করেছেন।পরশী
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী পরশীও রেহাই পায়নি এই সাইবার ক্রাইম থেকে। ভিডিও স্ক্যান্ডালের শিকার হতে হয়েছে তাকেও। পরশীর নাম ব্যবহার করে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। যদিও ভিডিওর মেয়েটির পরিচয় জানা যায়নি।বিন্দু
নাট্যকার ও সাংবাদিক অরুন চৌধুরীকে জড়িয়ে একটি ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ে। আর এর সাথে যুক্ত হয় জনপ্রিয় তারকা বিন্দুর নাম। একটি অফিস কক্ষে গোপন ক্যামেরায় ধারনকৃত এই ভিডিওতে কথিত অরুন চৌধুরীর সাথে যে নারীটিকে দেখা গেছে সেই নারীটি মডেল বিন্দু বলে বিভিন্ন যায়গায় প্রচার হয়। এটিকে বিন্দুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলেও দাবি করেন তার নিকটজনরা।

*********** বিদ্যা সিনহা মিমের সেক্স ভিডিও *****

*********** বিদ্যা সিনহা মিমের সেক্স ভিডিও *************

এইটা নাকি চ্যানেল আই-লাক্স সুপারষ্টার বিদ্যা সিনহা মিমের সেক্স ভিডিও। আমি sure না, আপনারা নামায় দেখেন তো। কি মনে হয়।

DOWNLOAD LINK

link from facebook (https://www.facebook.com/pageishot/posts/344999928882204)meem-wwwg

গণধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয় রুবীকে

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের রুবী আক্তার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার রুবীর খালু সাভারের কলমা এলাকার এজাবুল হক ওরফে সাগর (৪২) গত শনিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে বলা হয়, গণধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধে রুবীকে (২২) হত্যা করা হয়।
মামলায় গ্রেপ্তার অন্য ব্যক্তিরা হলেন এজাবুলের প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম, ফরিদুজ্জামান, ইকবাল হোসেন ও রুবেল মিয়া।
রুবী কালিয়াকৈরের নলুয়া গ্রামের আলী আহাম্মদের মেয়ে। বছর দুয়েক আগে একই উপজেলার ভাতারিয়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক মনসুর আলীর ছেলে ইউসুফ আলীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। এক বছর পর তাঁদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। গত মঙ্গলবার রাতে সাভারের দুগ্ধ খামার এলাকা থেকে পুলিশ রুবীর লাশ উদ্ধার করে।
সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রিপন বালা বলেন, ঘটনার সঙ্গে এজাবুলের জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে শুক্রবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শনিবার অন্য চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এজাবুলের জবানবন্দির বরাত দিয়ে এসআই রিপন বালা বলেন, ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর ইউসুফের সঙ্গে পুনরায় ঘর বেঁধে দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে রুবীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন এজাবুল। জানতে পেরে সাইফুল, ফরিদুজ্জামান, ইকবাল ও রুবেল বিষয়টি ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে রুবীকে তাঁদের কাছে এনে দেওয়ার জন্য এজাবুলকে চাপ দিতে থাকেন। ভয়ে এজাবুল তাঁদের কাছে রুবীকে এনে দিতে রাজি হন।
এসআই রিপন আরও বলেন, এজাবুলের কথামতে রুবী ১৩ জানুয়ারি বাড়ি থেকে বের হয়ে আশুলিয়ার নবীনগরে চলে আসেন। সন্ধ্যার পরে এজাবুলের সঙ্গে নবীনগর এলাকায় তাঁর দেখা হয়। এরপর রুবীর সম্মতিতে রাত সাড়ে নয়টার দিকে এজাবুল তাঁকে দুগ্ধ খামার এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে যান। একপর্যায়ে সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা সাইফুল, ফরিদুজ্জামান, ইকবাল ও রুবেল তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় রুবী চিৎকার দিলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর তাঁর লাশ ফেলে চলে যান তাঁরা। ঘটনার সঙ্গে মনসুর ও তাঁর ছেলে ইউসুফ (রুবীর তালাকপ্রাপ্ত স্বামী) জড়িত নন বলেও জানান তাঁরা। মনসুর ও ইউসুফ এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে আছেন।
সাইফুল, ফরিদুজ্জামান, ইকবাল ও রুবেলকে রুবী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে গতকাল রোববার আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে শনিবার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার পর এজাবুলকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও এজাবুল ও তাঁর অপর চার সহযোগী ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

Devyani Khobragade Scandal: Why India Still Won’t Back Down

[advps-slideshow optset=”1″] Three weeks after the bilateral row began over the arrest of Indian diplomat Devyani Khobragade in New York City, the dust has yet to settle on the wintery streets of New Delhi. People may have stopped burning images of President Barack Obama, but India’s front pages still carry news of the ongoing fallout, detailing the tense exchanges between the U.S. and India over the strip search and detention of India’s deputy consul general in New York City, who India says had immunity at the time of her arrest.

On Dec. 12, U.S. State Department agents arrested Khobragade outside her children’s school in New York City, after which she was strip-searched and detained before being released on bail. She has been charged with making false declarations on a visa application for her Indian domestic worker, and has allegedly broken U.S. law by paying her employee below the minimum wage, among other alleged infractions.

Khobragade has denied all of the charges. In a letter to colleagues after her arrest, she wrote that she “broke down many times as the indignities of repeated handcuffing, stripping and cavity searches, swabbing, holdup with common criminals and drug addicts were all being imposed upon me.”

(MORE: Devyani Khobragade Scandal: The View From India)

U.S. officials have denied conducting a cavity search on the diplomat, and on Dec. 18, U.S. Attorney for the Southern District of New York Preet Bharara said in a statement that “Ms. Khobragade was accorded courtesies well beyond what other defendants, most of whom are American citizens, are accorded.” India claims, however, that because of Khobragade’s status at the time as an adviser to India’s U.N. mission, she was entitled to diplomatic immunity. On Dec. 30, a State Department deputy spokesperson said the government was “looking into it.”

 

The blowout has left Washington’s relationship with India on shaky and emotionally charged ground. New Delhi quickly retaliated with measures aimed at U.S. diplomats in India — among them the removal of traffic barriers outside the U.S. embassy in the Indian capital, restrictions on tax-free shipments and demands that the salaries of Indians employed by U.S. diplomatic staff be made public.

Indian officials have asked that the U.S. admit it was in the wrong, but U.S. Secretary of State John Kerry has so far said only that he expresses “regret” over the incident. To many Indians, that’s far from enough. U.S. handling of the affair has been “outrageous,” says Gopalaswami Parthasarathy, a former Indian ambassador who spent time in Washington. He says there was no reason to treat Khobragade so unceremoniously, and thinks the Indian government’s action has been in step with the national mood. “We cannot take this,” Parthasarathy says.

(VIDEO: Indian Diplomat’s New York City Arrest and Strip Search Sparks Fury at Home)

That the government has seized this particular moment to take a tough stand is probably not a coincidence. National elections are scheduled for a few months away, and the ruling Congress Party faces a tough fight to stay in power after a series of losses in recent state elections, most notably in New Delhi itself.

“This government has been criticized by its opponents as being excessively pro-American,” says Paranjoy Guha Thakurta, a political commentator in New Delhi. “This is a good opportunity for them to say, ‘O.K., we can act tough too. We want to know how much you are paying your gardener, and your person who works in the kitchen.’”

The jury is out on the long-term impact of that strategy. External Affairs Minister Salman Khurshid has sought to soften the tone, stressing the nations’ “valuable relationship.” Indeed, in 2011, the countries did some $86 billion in bilateral trade, and the world’s largest democracy is an increasingly crucial partner to Washington in a part of the world occupied by more unknown quantities like Pakistan and China, particularly as regional security gets ready to enter a new phase as when most foreign troops withdraw from Afghanistan this year. In a New Year’s message, U.S. Ambassador to India Nancy Powell ticked off the ways the nations have gotten along in recent years, while acknowledging ties have been “jolted by very different reactions to issues involving one of your consular officers and her domestic worker.” Like Kerry, Powell also expressed “regret” over the incident.

Will Washington and New Delhi dig their heels further into the sand, or find, as it were, a diplomatic solution? At this juncture, it’s hard to say. But some here argue that, pragmatically, India may not have a choice. “We bend over backwards for the U.S. in India and we expect the U.S. [to do the same],” says Mohan Guruswamy, founder and chairman of New Delhi think tank Centre for Policy Alternatives. That’s not going to happen, he says. “They are asking for reciprocity they won’t get.”

MORE: U.S. to Review Indian Diplomat’s Arrest and Strip Search After New Delhi Backlash

 

Saudi preacher who raped, tortured, murdered 5 year old daughter gets 8 years

A Saudi court sentenced a preacher convicted of raping his five-year-old daughter and torturing her to death to eight years in prison and 800 lashes, a lawyer said Tuesday.

In a case that drew widespread public condemnation in the kingdom and abroad, the court also ordered Fayhan al-Ghamdi to pay his ex-wife, the girl’s mother, one million riyals in “blood money,” lawyer Turki al-Rasheed told AFP.

Blood money is compensation for the next of kin under Islamic law.

The girl’s mother had demanded 10 million riyals.

Ghamdi’s second wife, accused of taking part in the crime, was sentenced to 10 months in prison and 150 lashes, said Rasheed, who is the lawyer of the girl’s mother.

Ghamdi was convicted of “raping and killing his five-year-old daughter Lama,” he added.

The girl was admitted to hospital on December 25, 2011 with multiple injuries, including acrushed skull, broken ribs and left arm, extensive bruising and burns, activists said. She died several months later.

Ghamdi, a regular guest on Muslim television networks despite not being an authorized cleric in Saudi Arabia, had confessed to having used cables and a cane to inflict the injuries, human rights activists said earlier this year.

Randa al-Kaleeb, a social worker from the hospital where Lama was admitted, said the girl’s back was broken and that she had been raped “everywhere”.

Reportedly, Ghamdi had tortured and raped his daughter after he had doubted her virginity.

Oh, why didn’t you say that he tortured and raped her repeatedly to maintain family honor? Now the sentence makes sense! Those slutty five year olds, turning on their fathers like that. How dare they!

In fact, this sentence is an improvement over what originally happened in this case.

Last February, Ghamdi was released from prison altogether because a judge figured the blood money was enough punishment for him. Apparently, an international outcry caused this re-sentencing.

This also shows the importance of shaming Arab countries into causing them to act like normal human beings, even if they fight it all the way.

Girl, 3, raped in Saudi: 5 arrested

Manama: Police in Saudi Arabia have arrested five people in connection with the rape of a three-year-old girl. The suspects, three men and two women, were apprehended in the Red Sea city of Jeddah, the police spokesman for the local police, Nawaf Al Bouq, said.

The case has been referred to the investigation commission and to the public prosecution, he said, local Arabic daily Okaz reported.

A private hospital had alerted the police about finding the girl in front of the front gate. The victim had bruises and bore traces of violence on her body and was bleeding in the vagina, the daily said. Her clothes were torn. The police launched a wide manhunt and were able to arrest the suspects who were remanded in custody pending the investigation.

Mohammad Ali, the hospital manager, told the daily that they received the girl at around 10pm on September 13 after she was found in front of the main gate. He added that she was suffering from physical violence and bleeding that indicated that she had been abused. “She has been in coma since then,” he said.

An eyewitness, Abdullah Mohammad Nasser, said that he was at the hospital that day and he saw a car dump the girl at the front gate before speeding away. The victim was screaming from the pain and then lapsed into a coma, he said.

অস্ত্রই ধর্ষণ তাদের

ফিসফিসিয়ে মেয়েটি বলল, ‘প্রথমে ওই লোক আমাকে মেরেছে। এরপর আমাকে বলেছে গা থেকে সব জামাকাপড় খুলে ফেলতে। তারপর সে আমাকে ধর্ষণ করেছে।’ মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহরের জনাকীর্ণ একটি আদালতে দাঁড়িয়ে সাত বছরের ওই মেয়েশিশু এভাবে তাকে ধর্ষণের ঘটনার কথা বর্ণনা করে। সে সময় আদালতে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ধর্ষক মং উইন। তিনি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর একজন সদস্য। গত ১১ নভেম্বর এই সেনাসদস্য শান রাজ্যের এই মেয়েশিশুকে ধর্ষণ করেন ।

৮ জানুয়ারির ঘটনা। কাচিন রাজ্যের মিতকিয়ানা-সামপ্রা বাম সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে সেখান থেকে তিনজন নারীকে নামিয়ে আনেন কয়েকজন সেনাসদস্য। তাঁদের মধ্যে দুজন নারী পালিয়ে যেতে পারলেও একজন গণধর্ষণের শিকার হন।

সংস্কার ও শান্তিপ্রক্রিয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য দাতা সংস্থা থেকে সহায়তা পেলেও মিয়ানমার সরকারের সেনারা জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে যচ্ছে।

থাইল্যান্ড-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা উইমেন্স লিগ অব বার্মা সম্প্রতি অভিযোগ করেছে, দমন করার অস্ত্র হিসেবে এখনো মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নারীদের ধর্ষণ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে বলেছে, অর্ধশতকের নিষ্ঠুর সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার তিন বছর পরও মিয়ানমারের নারীরা সেনাদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। ২০১০ সালের পর ১০০টিরও বেশি ধর্ষণের ঘটনা জানা গেছে। এর মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪৭টি। ধর্ষণের শিকার হয়েছে বহু শিশু। রেহাই পায়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীরাও।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাসমর্থিত সরকার দেশটির উত্তর ও পুর্বাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় বিশেষ করে কাচিন ও শান রাজ্যে দমন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলের সশস্ত্র জাতিগত গোষ্ঠীগুলো বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এসব ধর্ষণের ঘটনায় ২৮ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অস্ত্রধারী ও উর্দি পরা সেনা সদস্যরা ধর্ষণের ঘটনা ঘটান। ক্যাপ্টেন ও মেজর পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তারাও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত। ধর্ষকদের মধ্যে কমপক্ষে একজন মেজর জেনারেল রয়েছেন। অনেক নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে তাঁদের স্বামী বা অন্য স্বজনদের সামনে। এই প্রতিবেদনের লেখকদের ধারণা, জাতিগত মিলিশিয়াদের যাতে আর সমর্থন না করে, সে জন্য স্বামী বা অন্যদের সামনে নারীদের ধর্ষণ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর মনোবল গুঁড়িয়ে দেওয়া ও তাদের ধ্বংস করার জন্য মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যৌন সহিংসতাকে তাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

তবে মিয়ানমারের সরকার উইমেন্স লিগ অব বার্মার এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের মুখপাত্র ইয়ে হুতুত বলেন, ‘ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা আমাদের সামরিক বাহিনীর নীতি নয়। যদি কোথাও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে আমরা ওই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার চেষ্ট করি এবং দোষী প্রমাণিত হলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করি।’

বেসামরিক সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেও মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সরকারের সব ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব বজায় রেখেছে। পার্লামেন্টের ২৫ শতাংশ আসন সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দ।

এসব ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার বিষয়ে জানলেও সরকারের খুব কম কর্মকর্তাই সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেছেন। এমনকি দেশটির বিরোধীদলীয় ও গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চিও কোনো সমালোচনা করেননি, যিনি কিনা সাবেক সামরিক জান্তার আমলে ১৫ বছরেরও বেশি সময় গৃহবন্দী ছিলেন।

গত মাসে ইয়াঙ্গুনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা সু চিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তিনি সেনাবাহিনী কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে জানেন কি না। সু চি তখন সেনাবাহিনীর সমালোচনা করার বদলে বলেন, যৌন সহিংসতার জন্য জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোও দায়ী।

সু চির এই কথায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন অনেকেই। তাঁরা বলছেন, সু চি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে চাইছেন। তাঁর এই ইচ্ছা পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে সেনাবাহিনী। আর সে কারণে তিনি সেনাবাহিনীর সমালোচনা করা ছেড়ে দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, তারা উইমেন্স লিগের এই প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত আছে এবং মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনীকে এ ব্যাপারে তদন্ত করার এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বলেন, গত তিন বছরে মিয়ানমারে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু তার পরও মানবাধিকার পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

উইমেন্স লিগ অব বার্মার সাধারণ সম্পাদক টিন টিন নিও বলেন, তাঁর সংগঠন যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা হিমশৈলের চূড়ামাত্র। ধর্ষণের শিকার নারী বা ধর্ষণের ঘটনার সাক্ষীদের কাছ থেকে তাঁরা এসব তথ্য জানতে পেরেছেন। যেসব এলাকায় বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, নিরাপত্তার কারণে সেসব জায়গায় গবেষকেরা যেতে পারছেন না।

উইমেন্স লিগের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা আদালতে ওঠে না। সামরিক আদালতে যেসব মামলা ওঠে, সেসব মামলার আসামিরা খুব দ্রুত খালাস পেয়ে যান। তবে মং উইনের ঘটনা ব্যতিক্রম। জনগণের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বেসামরিক আদালতে তাঁর বিচার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্র্যাং ডি বলেন, ‘ন্যায়বিচারের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’


 
প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাসমর্থিত সরকার দেশটির উত্তর ও পুর্বাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় বিশেষ করে কাচিন ও শান রাজ্যে দমন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলের সশস্ত্র জাতিগত গোষ্ঠীগুলো বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এসব ধর্ষণের ঘটনায় ২৮ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।

এবার ধর্ষণের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, মোবাইলে ভিডিও

আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো নয়া দিল্লিতে। এবার শিকার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। ১৯ বছরের ওই ছাত্রীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্ত। মোবাইলে এই মনুষ্যেতরকাণ্ডের ভিডিও তুলেছে সে।

পীড়িতার দাবি, ওই ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করা হবে এমন ধমকি দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা আদায়ও করেছে ওই যুবক।

একদিকে শ্লীলতাহানির লজ্জা, অন্যদিকে ব্ল্যাকমেলের চাপ-জোড়া ফলায় বিদ্ধ মেয়েটি শেষমেশ পুলিশের কাছে সাহস জুটিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে।

জানা গিয়েছে, ভিন্ন ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিল্লির হজখাস থানা এলাকায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, ওই মেয়েটি এবং অভিযুক্ত ২১ বছরের যুবক, দুজনে মসজিদমঠ এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটি ক্লাস টেনে পড়ার সময় থেকেই যুবকটিকে চেনে।এখন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় থাকা একটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। যুবক বেকার।

মেয়েটি জানিয়েছে, বছর খানেক আগে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ওই যুবক তাঁকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটির ভিডিও তুলে রাখে সে। পরে সেই ভিডিওটি মেয়েটিকে দেখিয়ে প্রয়োজন পরলেই মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করত ওই যুবক। ক্রমশ টাকার চাহিদা বাড়ছিল।

এই ধকল সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ মেয়েটি সব কথা তার পরিবারকে জানায় এবং পুলিশে অভিযোগ করেন। পুলিশ যুবকটিকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

এবার ধর্ষণের শিকার খোদ পুলিস কর্তার মেয়ে

এবার ধর্ষণের শিকার খোদ পুলিস কর্তার মেয়ে। আসানসোলের সাব ইন্সপেক্টরের মেয়েকে ব্ল্যাক মেল করে বারবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। আজ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে হীরাপুর থানার পুলিস। ধৃতের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আসানসোল মহকুমা আদালত।

অভিযোগ, চলতি বছরের গোড়ায় সরস্বতী পুজোর দিন একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ভুলিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রটি। তারপর পানীয়ের সঙ্গে মাদক জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে বেহুঁশ করে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ছাত্রীর নগ্ন ছবি নিজের মোবাইলে ক্যামেরাবন্দি করে ছাত্রটি। সেই ছবি ইন্টারনেটে আপলোড করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। দিনকয়েক আগে ছাত্রটি ওইসব নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হতেই হীরাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার।

এবার পাঁচ নাবালকের ধর্ষণের শিকার নাবালিকা!

এবার ভারতের আসামের গুয়াহাটিতে এক নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর পাঁচ ধর্ষকের সবাই মেয়েটির নাবালক প্রতিবেশী।
তার খেলার সাথিও। এদের প্রত্যেকের বয়স ১২ থেকে ১৬। এর মাধ্যমে আরো একবার কলঙ্কের জন্মদিলো ভারত। আরো একবার প্রশ্নের সম্মুখিন হলো নাবালকত্বের সংজ্ঞা। প্রশ্নের মুখে শৈশবের অর্থ।
১২ বছরের মেয়েটি খেলছিল তার পাঁচ বন্ধুর সাথে। সেই বন্ধুরাই তাকে একটি বাড়িতে ধরে নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে যৌন অত্যাচার ও ধর্ষণ চালায়!
ঘটনার পরের দিন কিশোরীর বাবা-মা তাকে বাড়িটি থেকে খুঁজে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
পাঁচ অভিযুক্ত কিশোর বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে হাজির করা হবে। নির্যাতনের শিকার মেয়েটি বর্তমানে আসামের ‘স্টেট হোম ফর উইমেন` এর পুনর্বাসণ কেন্দ্রে রয়েছে ।
দিল্লি গণধর্ষণে দোষী পাঁচ জনের মধ্যে যে নাবালক ছিল, তার ভূমিকা ছিল নৃশংসতম। চলন্ত বাসে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়েনি সে। মেয়েটির গোপনাঙ্গে একটি লোহার রড ঢুকিয়ে মারাত্মক জখমও করেছিলো।
এই ঘটনার পরপরই ভারতে বিতর্ক শুরু হয় ‘নাবালকত্ব’র বয়সসীমা নিয়ে। জোরালো দাবি উঠেছিল সাবালক হওয়ার বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ করার। কিন্তু সংসদে সেই দাবি খারিজ হয়ে যায়।
আসামের এই ঘটনা আরো একবার সেই বিতর্ককেই চাগিয়ে দিল।

 

কিশোরীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, প্রস্রাব পানে বাধ্য (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক: ঘটনাটি বর্বরতম, পৈশাচিকতম! রাজধানী ঢাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেই ক্ষ্যান্ত হননি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা। ওই কিশোরীকে দুই মাস ধরে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব পর্যন্ত পান করতে বাধ্য করেছেন কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী।

মিরপুরের বাসায় কাজল তার গৃহপরিচারিকা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। আর এ ঘটনা কিশোরী কাজলের স্ত্রীকে জানানোর পরেই তার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতনের খড়্গ।

 

রোববার চ্যাঞ্চলকর এই খবর প্রকাশ করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ২৪’। টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই কিশোরীকে ধর্ষণ, গরম তেলে হাত-পা ঝলসে দেয়া, শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ থেঁতলে দেয়া ছাড়াও তাকে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব খেতে বাধ্য করা হয়েছে।

কিশোরী টিভি চ্যানেলটিকে বলেন, ‘একদিন খুব খারাপ লাগছিল। আমি আন্টির (কাজল মোল্যার স্ত্রী) কাছে পানি চাই। এরপর তিনি প্রস্রাব করে তা এনে আমাকে খেতে বাধ্য করেন।’

এখানেই থেমে থাকেননি কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী। গরম তেল দিয়ে তার হাত ও পা ঝলসে দেয়া হয়। কিশোরী জানান, ‘গরম তেলে হাত ও পায়ে ফোঁসকা পড়ে। কিন্তু চিকিৎসা না করে আমাকে দিয়ে ঘর মোছা থেকে কাপড় ধুইতে বাধ্য করে।’

কিশোরী আরও বলেন, ‘রাতে আমাকে ঘরে শুইতে দিত না। বাথরুমেই রাত কাটাতাম।’

উল্লেখ্য, সিমিন হোসেন রিমি মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা। রিমি গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরআগে এই আসনে তার ভাই তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ জয়ী হয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের সাথে মতপার্থক্যের জেরে তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়িও গাজীপুরে। কাপাসিয়া উপজেলার বড়টেক গ্রামের দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান কিশোরীকে গৃহপরিচারিকা করে মিরপুরের বাসায় আনেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা।

এরপর তাকে দিয়ে কাজল লালসা মেটাতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী এ ঘটনা কাজলের স্ত্রীকে জানালে তার ওপর উল্টো আরও নির্যাতনের খড়্গ নেমে আসে।

কিশোরী বলেন, ‘স্যার একদিন আমাকে মোটা রডের পাইপ দিয়ে মারতে থাকেন। এ সময় আমি আনটির পা জড়িয়ে ধরে কাকুতি-মিনতি করি। তারা তখন আমার হাত-পা বেঁধে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে এভাবেও তৃপ্তি না পেয়ে ফ্লোরে শুইয়ে পেটাতে থাকেন।’

এভাবে নির্যাতনে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকদিন আগে রাতের আঁধারে কাপাসিয়ার বড়টেকের জঙ্গলে ফেলে রেখে আসে কাজল মোল্যার অনুগতরা। ঘটনা আড়াল করতে অনুগতদের দিয়ে ওই কিশোরীকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। আর তার বাড়িতেও পাহারা বসান কাজল, যাতে অন্যরা বিষয়টি না জানতে পারে।

এরপরও লোকমুখে ঘটনা জানাজানি হলে কাজল মোল্যা ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীর কাছ থেকে মিথ্যে জবানবন্দি নেন।

এ বিষয়ে কিশোরী টিভি চ্যানেল-কে বলেন, ‘একদিন ওসি আসেন। আমি তাকে বলতে বাধ্য হয়েছি যে, আমার হাতে-পায়ে একজিমা হয়েছে। এটা চিকিৎসায় স্যারেরা আমাকে ক্রিম কিনে দিয়েছেন। চিকিৎসাও করিয়েছেন।’

তিনি আরও জানান, ‘এ সময় কাজল স্যারের লোকেরা আমাকে হুমকি দেন- যদি তুমি এ ঘটনা তোমার মা-বাবাকে জানাও তাহলে তোমাকে গ্রাম ছাড়া করব।’

নির্যাতিতা কিশোরীর পিতা টিভি চ্যানেল- কে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনি থানায় গেলে পুলিশ কাজল মোল্যার নাম শুনে তাকে কোনো সহায়তা করেননি। উল্টো নানা রকম হয়রানি করেছেন।’

এখন কাজল মোল্যা ও তার অনুগতদের ভয়ে বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বন্দি জীবন-যাপন করছেন বলেও জানান নির্যাতিতার পিতা।

নির্যাতিতা ওই কিশোরী তার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় কাজল মোল্যা ও তার পরিবারের সস্যদের বিচার দাবি করেছেন।

এবার ধর্ষণের শিকার সানি লিওন

ঢাকা, অক্টবর ০৭: ধর্ষণকে সারপ্রাইজ সেক্স মনে করতেন সানি লিওন। সানির কাছে এটি তেমন কোনও বিষয় বলে মনে হয়নি। ধর্ষণের বিষয়ে তার মতামত ছিলো, ‘এটা সারপ্রাইজ সেক্স’। কিন্তু তার এই ধারণা এবার পরিবর্তন হয়েছে। তিনি নিজেই এবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এখন তিনি ধর্ষণকে কি মনে করেন তাই জানার বিষয়।

জানা যায়, ৫ অক্টোবর সকালে সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করেছে ধর্ষকচক্র। সে দিন সকালে সানির বাসায় ঢুকে ধর্ষকরা সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সানি।

জিসম২-তে অভিনয়ের পর ভারতে ব্যাপক আলোচনায় আসা সানিকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। আর এরপর একে এক অভিনয় করেন বেশ কিছু ছবিতে। ভারতের চলচ্চিত্রের প্রেমে পড়ে পর্নো অভিনয়ও ছেড়ে দেন তিনি। সম্প্রতি তার সেই খবরও ফলাও করে প্রকাশ করে গণমাধ্যম।

ঠিক তার কিছুদিন পরই ভারতের একটি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয় এই খবর। জানা যায়, ৫ অক্টোবর সকালে সানির বাসায় ঢুকে ধর্ষকরা সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সানি। তার অভিযোগের সূত্র ধরে মামলার প্রস্তুতিও চলছে বলে নিউজ পোর্টাল ইন্ডিয়া টাইম ন্যাশন জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি পাঁচ নারীর একজন ধর্ষণের শিকার

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় প্রতি পাঁচজন নারীর একজনই জীবনে কোনো না কোনো সময় ধর্ষণের শিকার হন। মোট সংখ্যার দিক থেকে এটি প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ। ভুক্তভোগী এই নারীদের প্রায় অর্ধেকই ১৮ বছর বয়সের আগে যৌন নির্যাতনের শিকার হন। গত বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে গড়পড়তা সব শ্রেণীর নারী রয়েছেন। তবে কোনো কোনো শ্রেণীর নারীরা অন্যদের তুলনায় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এসব শ্রেণীর মধ্যে বহুজাতি বা গোষ্ঠীর নারীর ধর্ষণের শিকার হওয়ার হার ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ও আলাস্কার নারী ২৭ শতাংশ, হিস্পানিক নারী ১৫ শতাংশ, কৃষ্ণাঙ্গ নারী ২২ শতাংশ ও শ্বেতাঙ্গ নারী ১৯ শতাংশ। নির্যাতনের বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে তরুণ জনগোষ্ঠী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকাংশ নারীই পরিচিতজনদের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হন। ধর্ষকদের প্রায় সবাই (৯৮ শতাংশ) পুরুষ। বিপুলসংখ্যক এসব নারীর পাশাপাশি ১৬ লাখ পুরুষও জীবনে কখনো না কখনো ধর্ষণের শিকার হন বলে উল্লেখ করা হয়েছে হোয়াইট হাউসের ওই প্রতিবেদনে। এসব পুরুষের এক-চতুর্থাংশের বেশি ১০ বছর বয়সের আগে নির্যাতনের শিকার হয়।
মার্কিন নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা দমনে অর্জিত অগ্রগতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সভাপতিত্বে হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের মন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠক শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকের আগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো।
‘রেইপ অ্যান্ড সেক্সুয়াল অ্যাসাল্ট: এ রিনিউড কল টু অ্যাকশন’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির মতো ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলোর একটা রূপরেখা বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক রীতিনীতির পরিবর্তন, ফৌজদারি অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে অগ্রগতি, যৌন নির্যাতন থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর নানা সমস্যা এবং সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। পিটিআই।