কম্পিউটারের সাধারণ ১০ সমস্যার সমাধান

কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। প্রায়ই হয় এমন সাধারণ সমস্যার সমাধান নিজে নিজেই করা যায়। এমন ১০টি সমস্যার সমাধান নিয়ে এ আয়োজন। আজ থাকছে তিনটি সমাধান। লিখেছেন মঈন চৌধুরী

কম্পিউটারশুরুতেই যা করণীয়
কোনো সমস্যা হলে অন্য কিছু করার আগে প্রথম কাজটিই হবে কম্পিউটার পুনরায় চালু বা রিস্টার্ট করা। এই কাজটি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কম্পিউটারে সংযুক্ত কোনো যন্ত্রপাতি সমস্যা করলে সেটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। তাতে কাজ না হলে যন্ত্রটি প্রথমে কম্পিউটার থেকে খুলে আবার লাগিয়ে নিন, তারপর সেটির সর্বশেষ সংস্করণের চালক সফটওয়্যার বা ড্রাইভার ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে আবার ইনস্টল করুন।
১. ধীরগতির কম্পিউটার
কম্পিউটার খুব ধীরগতির হলে প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে এটি আসলে কম্পিউটারের নিজের সমস্যা কি না। ওয়েবসাইট দেখতে সময় বেশি লাগা বা অনলাইনে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং অবিরাম চলতে থাকাটা কম্পিউটারের সমস্যা না-ও হতে পারে। যদি মনে হয় কম্পিউটারেই সমস্যা, তাহলে দেখে নিন হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা আছে (সাধারণত C:), তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা আছে কি না। অপারেটিং সিস্টেম চলার সময় উইন্ডোজের ফাইল তৈরিতে খালি জায়গার প্রয়োজন হয়। অপর্যাপ্ত থাকলে ড্রাইভের কিছু জায়গা খালি করে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ডিস্কম্যাক্স নামের একটি প্রোগ্রাম। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/rgcY4Q। রিসাইকল বিন, ইনস্টলেশন রেমন্যান্ট, ইউজার হিস্ট্রি, টেম্পরারি ফাইল, কুকিজ, উইন্ডোজ ক্যাশ ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় সবকিছু মুছে সিস্টেম ড্রাইভসহ পুরো হার্ডডিস্ক পরিষ্কার করে ফেলবে।
ধীরগতির আরেকটি সমাধান হলো মাইক্রোসফট সিস্টেম কনফিগারেশন টুল। অনেক অ্যাপলিকেশন আছে যেগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে কম্পিউটার পুরোপুরি প্রস্তুত হতে বাড়তি সময় লাগায়। এ জন্য Windows Key + R কি চেপে তাতে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এখান থেকে যেসব স্টার্টআপ আইটেম অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, সেগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন। তবে ম্যানুফ্যাকচারার ট্যাবে মাইক্রোসফট করপোরেশন লেখা আইটেমগুলো থেকে টিক ওঠাবেন না। এবার ওকে চেপে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
ইন্টারনেট সংযোগ২. ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা
ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা হলে ভালো সমাধান হলো www.speedtest.net ওয়েব ঠিকানা। এখানে স্পিড টেস্ট চালিয়ে দেখুন ইন্টারনেটের গতি কেমন। ইন্টারনেট সেবাদাতার দেওয়া সংযোগের গতির অন্তত অর্ধেক পাচ্ছেন কি না, পিং করলে ১০০ মিলিসেকেন্ডের কম থাকে কি না। আশানুরূপ না হলে পরীক্ষা করে দেখুন, কোনো কিছু ডাউনলোড বা আপলোড হচ্ছে কি না। অনেক টরেন্ট ডাউনলোডিং প্রোগ্রাম টাস্কবারের বদলে সিস্টেম ট্রেতে থেকে নেপথ্যে ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করতে থাকে। উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট নির্বাচন করা থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড চলতে থাকে। এটি বন্ধ করতে চাইলে স্টার্ট বাটন চেপে সার্চ বক্সে লিখুন windows update এবং এন্টার চাপুন। ‘চেঞ্জ সেটিংস’ ক্লিক করে ‘নেভার চেক ফর আপডেটস’ অপশনটি নির্বাচন করে ওকে করুন। নেটওয়ার্কে ব্যবহূত হার্ডওয়্যারও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাউটার বা সুইচের রিসেট বাটন চেপে সংযোগ সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। অথবা দু-এক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার কেবল বিচ্ছিন্ন করেও এটা করা যায়।
৩. কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট
হার্ডওয়্যার সমস্যা করলে সেটা শনাক্ত করে সমাধান করা একটু কঠিনই। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, উইন্ডোজ হালনাগাদ হচ্ছে কি না। এসব আপডেট ইনস্টল হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। অনেক সময় ভাইরাস বা অ্যাডওয়্যারের কারণে এমনটা হতে পারে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অথবা বিনা মূল্যের মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়ালস সর্বশেষ হালনাগাদসহ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করে স্ক্যান করে নিতে পারেন। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/EW85AC আর এর সর্বশেষ ডেফিনিশন আপডেট ফাইল নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/8TnmU5। কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী (৩২ বা ৬৪ বিট) ‘ম্যানুয়ালি ডাউনলোড দ্য লেটেস্ট আপডেটস’ সেকশন থেকে এই সফটওয়্যারটির হালনাগাদ ফাইল নামাতে হবে অথবা ইন্টারনেটে সরাসরি হালনাগা করে নিতে পারেন।
কম্পিউটারের কোনো যন্ত্রাংশ মাত্রাতিরিক্ত গরম হলেও কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিতে পারে। আধুনিক অনেক কম্পিউটারে সেফগার্ড থাকে, যা যন্ত্রপাতি গরম হলে নিজে নিজেই কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়। সিপিইউ খোলার অভিজ্ঞতা থাকলে এবং তাতে কোনো ওয়ারেন্টি সিল না থাকলে সেটি খুলে অনেক দিনের জমা ধুলোবালি ব্রাশ দিয়ে সাবধানে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। তারপর র‌্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে নিন এবং হার্ডডিস্ক, ডিভিডি-রম ড্রাইভে সংযুক্ত তারগুলো ভালোভাবে লাগিয়ে রিস্টার্ট হওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।

 

৪. ডেস্কটপে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন

ওয়েব সাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) খোলা না রাখলেও যদি ডেস্কটপে পপ-আপ উইন্ডো এসে অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, তবে বুঝতে হবে আপনার কম্পিউটারে কোনো অ্যাডওয়্যার ইনস্টল হয়ে আছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ কাজ নয়। ইন্টারনেটে পিসি স্পিড-আপ, পিসি অপটিমাইজার ইত্যাদি নামে প্রচুর সিস্টেম ইউটিলিট টুলস আছে কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ করে খুব কমই। এ ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত এবং বিনা মূল্যে কাজের অ্যাডওয়্যার স্ক্যানার হচ্ছে ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়্যার টুল। প্রথম কাজ হবে আগে থেকে ইনস্টল করা অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে পুরো সিস্টেম স্ক্যান করা।

এতে কাজ না হলে সব ধরনের ম্যালওয়্যার মোছার জন্য কার্যকর ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়ার প্রোগ্রামটি ইন্টারনেটের www.malwarebytes.org এই ওয়েব ঠিকানা থেকে বিনা মূল্যের সংস্করণটি নামিয়ে ইনস্টল করুন। স্ক্যান করার আগে বর্তমানে কোনো অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকলে প্রথমে নিষ্ক্রিয় করে নিন। এর পরও কাজ না হলে সিস্টেম ড্রাইভে (সাধারণত সি ড্রাইভ) রাখা আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো অন্যত্র সরিয়ে অপারেটিং সিস্টেম পুরোপুরি নতুন করে ইনস্টল করতে হবে।

 

৫. গুগল ঠিকমতো কাজ না করা

ব্রাউজার হাইজ্যাক হওয়া ম্যালওয়্যারেরই আরেকটি ধরন। কিছু প্রোগ্রাম আছে, যা ওয়েব ব্রাউজারটি দখলে নিয়ে আপনার করা গুগল সার্চ গোপনে অন্য কোনো ভুয়া ওয়েবসাইটের পেজে নিয়ে যায়। তারপর কোনো কিছু জানতে চেয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়াসহ আপনার সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে। হালের সব ইন্টারনেট সিকিউরিটি অথবা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারে রিয়েল-টাইম স্ক্যানার সংযুক্ত থাকে। প্রোগ্রামটির সেটিংস ঘেঁটে সেটি কার্যকর আছে কি না দেখে নিন। কাজ না হলে কন্ট্রোল প্যানেলের প্রোগ্রামস অ্যান্ড ফিচারস অপশন থেকে ব্রাউজারটি বেছে নিয়ে আনইনস্টল করে ফেলুন। পছন্দসই ব্রাউজারের সর্বশেষ সংস্করণ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করুন।

অনেক সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় বাড়তি অপশন হিসেবে তাদের নির্ধারিত টুলবার ইনস্টল করতে বলে। টুলবার ইনস্টল হয়ে গেলে ব্রাউজারে ব্যবহূত ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিনের বদলে তাদের কাস্টম সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহূত হয়ে আপনার তথ্য অনুসন্ধানে সঠিক ফল নাও দিতে পারে। সে জন্য অপরিচিত সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় কাস্টম অপশন নির্বাচন করে ধৈর্যসহকারে নির্দেশনা দেখে দেখে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। বিনা মূল্যে কোনো সেবা নেওয়ার অফার থাকলে সেগুলো পরিহার করুন। তার পরও যদি দেখেন, আপনার ব্রাউজারে অযাচিত অনেক অপশনে ভরপুর হয়ে আছে, তাহলে কন্ট্রোল প্যানেলের প্রোগ্রামস অ্যান্ড ফিচারস অপশন থেকে টুলবার প্রোগ্রামটি চিহ্নিত করে মুছে ফেলুন।

 

৬. ওয়াই-ফাই সংযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন

ওয়াই-ফাইয়ের সংযোগ নিয়ে সমস্যায় পড়লে একটু ধাঁধায়ই পড়তে হয়। এটা কি নিজের কম্পিউটারে সমস্যা?

রাউটারে সমস্যা?

নাকি আইএসপির সমস্যা? এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবাদাতা বা আইএসপিকে ফোন করার আগে নিজে নিজে কিছুটা চেষ্টা করা যেতে পারে। নিশ্চিত করুন, আপনার কম্পিউটারটি ওয়াই-ফাই রাউটারের আওতার ভেতরেই আছে কি না। তারপর দেখুন কম্পিউটারের তারহীন কার্ডটির সর্বশেষ ড্রাইভার ইনস্টল করা আছে কি না। এবার উইন্ডোজ ট্রাবলশুট ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

টাস্কবারের সিস্টেম ট্রেতে থাকা ওয়াই-ফাই আইকনে ডান ক্লিক করে ‘ট্রাবলশুট প্রবলেমস’ অপশনটি নির্বাচন করুন।

উইন্ডোজের নিজস্ব প্রোগ্রাম উইন্ডোজ নেটওয়ার্ক ডায়াগনস্টিক নামের টুলসটি সমস্যার সমাধান যদি না-ও করে, কিছু নির্দেশনা তো অন্তত পাওয়া যাবে।

Continue reading “কম্পিউটারের সাধারণ ১০ সমস্যার সমাধান”

উড়ুক্কু গাড়ি বানাচ্ছে চীন!

উড়ুক্কু গাড়ি তৈরিতে এগিয়ে এসেছে চীন। সম্প্রতি চীনে উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির জন্য নতুন নকশার পেটেন্ট আবেদন করা হয়েছে। টেলিগ্রাফ অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের কল্পনায় স্থান করে নিয়েছে উড়ুক্কু গাড়ি। যা এতদিন ছিল কেবল বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে এখন বাস্তবের জগতেও পরীক্ষামূলকভাবে চলে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেরাফুগিয়া এতদিন উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছিল। এবার চীনের গবেষকেরা উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করছেন।
সাউদার্ন চায়না এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ সম্প্রতি উড়ুক্কু গাড়ির নকশা ও গাড়ির প্রযুক্তির জন্য পেটেন্ট আবেদন করেছে।
পেটেন্ট আবেদনে বলা হয়েছে, গাড়ি আকাশে ওড়ানোর জন্য দুটি বড় আকারের পাখা থাকবে। এই পাখা দুটি গাড়ির নীচে সামনে ও পেছনে দিকে পরস্পর বিপরীত দিকে ঘুরতে থাকবে। এ ছাড়াও গাড়ির মাঝ বরাবর দুটি ছোট আকারের পাখা পাশাপাশি ঘুরতে থাকবে। এই দুটি পাখা গাড়ি আকাশে ওড়ানোর সময় চালককে নিয়ন্ত্রণ সুবিধা দেবে। বড় দুটি পাখান নীচে বসানো বিশেষ প্লেট আকাশে গাড়িটির দিক ঠিক রাখবে।
চালক ও যাত্রীর জন্য এই উড়ুক্কু গাড়িতে কতখানি জায়গা থাকবে তা এখনই ধারণা করা সম্ভব নয়। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, উড়ুক্কু গাড়ির এটি প্রাথমিক নকশা মাত্র। এর আরও উন্নতি করে শিগগিরই উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান টেরাফুগিয়া ‘ট্রানজিশন’ নামে উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছিল। টেরাফুগিয়ার দাবি, তারা ট্রানজিশনের পাশাপাশি টিএফ-এক্স নামে নতুন এক ধরনের উড়ুক্কু গাড়ির নকশা করছে যে রাস্তায় চলবে আবার দ্রুত গতিতে আকাশেও উড়বে। এর জন্য আলাদা রানওয়ের প্রয়োজন পড়বে না। এ গাড়ি চালানোর জন্য আলাদা করে বিমান চালনার প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হবে না। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে সাধারণ গাড়ি চালানো আর কম্পিউটার চালানোর দক্ষতা থাকলেই চলবে।

প্রযুক্তি গবেষকেরা আশা করছেন, সেদিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন রাস্তার পাশাপাশি আকাশেও উড়বে গাড়ি।

পাসওয়ার্ড ছাড়াই উইন্ডোজ চালু

কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে যদি পাসওয়ার্ড দিয়ে সিস্টেমে ঢুকতে হয়, তাহলে সেটিকে এভাবেই রাখা উচিত। কারণ, কম্পিউটার নিরাপত্তায় পাসওয়ার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাসওয়ার্ড ছাড়া পুরো কম্পিউটার সিস্টেমই হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ। যে কেউ আপনার কম্পিউটারে সরাসরি ঢুকে ক্ষতি করতে পারে, ঢুঁ মারতে পারে গোপনীয় ফাইল বা ই-মেইলে। এমনকি আপনার হয়ে যে কাউকে ই-মেইলও পাঠিয়ে বসতে পারে। অন্যদিকে, কম্পিউটার চালু রেখে কিছু সময়ের জন্য একটু এদিক-সেদিক গেলেন, ফিরে এসে কম্পিউটারকে আবার কাজ করার মতো প্রস্তুত অবস্থায় দেখতে পেলেন। বারবার পাসওয়ার্ড চাপতে হলো না। কিন্তু আপনার অনুপস্থিতিতে যে কেউ চাইলে ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলতে পারে—এ বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে।
এসব বিবেচনায় প্রতিবার কম্পিউটার চালু হওয়ার আগে লগঅন পর্দায় বারবার পাসওয়ার্ড দেওয়া ছাড়াই সরাসরি উইন্ডোজে ঢুকতে পারেন। এই ব্যবস্থায় পাসওয়ার্ড মুছে যাবে না। লগ-অন পর্দা এড়িয়ে যেতে চাইলে অ্যাডভান্সড ইউজার অ্যাকাউন্টসে ঢুকতে হবে।
উইন্ডোজ ৭ ও ভিসতার বেলায় স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে লিখুন netplwiz এবং এন্টার করুন। উইন্ডোজ এক্সপিতে স্টার্ট চেপে রানে ক্লিক করুন, লিখুন control userpasswords2 এবং এন্টার করুন। উইন্ডোজ আটে স্টার্ট পর্দায় থাকা অবস্থায় লিখুন netplwiz এবং অ্যাপস সেকশন থেকে সেটি নির্বাচন করুন।
ডায়ালগ বক্সের উইন্ডো এলে আপনার অ্যাকাউন্ট (যেটি দিয়ে আপনি লগইন করেন) নির্বাচন করা আছে কি না, সেটি নিশ্চিত করুন। তারপর Users must enter a user name and password থেকে টিক উঠিয়ে দিন। এরপর OK চাপলে আপনার অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড চাইবে। দুবার পাসওয়ার্ড বসিয়ে OK করুন। পরেরবার কম্পিউটার চালু করলে উইন্ডোজ আপনার কাছে আর পাসওয়ার্ড চাইবে না। —মঈন চৌধুরী

শুরু হচ্ছে জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব

বাংলাদেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সংগঠন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্যে শুরু হচ্ছে ‘জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব-২০১৪’।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ প্রতিযোগিতায় থাকছে চারটি বিভাগে অংশগ্রহণের সুযোগ। ‘আইএআরসি’ বিভাগে অংশগ্রহণকারী রোবটগুলোকে একটি নির্ধারিত ট্র্যাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘুরতে হবে। ‘ব্যাটল অব স্পিড’ বিভাগে দ্রুততম সময়ে নির্ধারিত ট্র্যাক পার হতে হবে। ‘রোবটস গট ফ্রিডম’ বিভাগে সব ধরনের রোবট প্রদর্শনের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়াও স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতায় থাকছে ‘এক্সপ্লোরিং দ্য ড্রিমস’ যেখানে আগামী প্রজন্মের মাঝে রোবোটিক্স বিষয়ে আগ্রহ, উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রশ্নোত্তরের আয়োজন থাকবে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় রোবোটিক্স উৎসবের সেরা প্রতিযোগীরা আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে হবে  www.esab.org.bd/nrf অথবা, fb.com/esab.bd ঠিকানায়।

ঢাকায় ‘ওয়াটার হ্যাকাথন অ্যাপস’ উৎসব শুরু

রাজধানী ঢাকায় পানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং সুশাসন বিষয়ে শুরু হচ্ছে অ্যাপস উৎসব। পানি, দুর্যোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সুশাসন বিষয়ের বিভিন্ন সমস্যার তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর নতুন সমাধান উদ্ভাবনের জন্য আগামী ১৪-১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আয়োজন করা হয়েছে ‘ওয়াটার হ্যাকাথন অ্যাপস’ শীর্ষক এই উৎসবের।

বিশ্ব ব্যাংকের ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রোগ্রাম (ডব্লিউএসপি), ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ফান্ড ফর ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস-টু-ইনফরমেশন প্রোগ্রামের সহায়তায় বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো এ উন্নয়ন বিষয়ক এ হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হবে।

এ আয়োজনের সহযোগিতায় রয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, বিডি ভেঞ্চার, ইল্যান্স ও স্টার্টআপ ঢাকা।

উৎসবে নিবন্ধন করা যাবে www.hackathonbd.com ঠিকানায়। সর্বশেষ খবর পাওয়া যাবে ফেসবুকে www.facebook.com/AppFestbd পেজে।

সুউচ্চ ভবনজুড়ে কৃষি খামার!

its-alive-03-640x384কল্পনা করুন, সুউচ্চ অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের বাইরে পা দিয়েই আপনি সূর্যালোকে উজ্জ্বল একটি খামারের দৃশ্য দেখতে পেলেন। বারান্দার কাছেই গাছের সারি। চারতলার একটি বাগান থেকে আপেল পেড়ে কামড় দিচ্ছেন। পাঁচতলায় দুধের খামারে কর্মরত একজন কৃষকের সঙ্গে আপনার কুশল বিনিময় হলো।
কাচের দেয়ালঘেরা লিফটে চড়ে ভবনের নির্দিষ্ট কর্মস্থলে যেতে গিয়ে হয়তো পেতে পারেন আরও কিছু। যেমন: একটি তলায় ধানখেত আর অন্যটিতে ফলের বাগান। এই সুউচ্চ বাগানবাড়িটির রয়েছে নিজস্ব তাপনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। এটি বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পাশাপাশি ঘরোয়া আবর্জনাকে উদ্ভিদের খাবারে রূপান্তর করতে পারে।
এসব কিন্তু ভবিষ্যতে ভিনগ্রহে বসতি স্থাপনের মতো কোনো কল্প-চলচ্চিত্রের দৃশ্যের বিবরণ নয়; বেলজিয়ামের স্থপতি ভাঁসোঁ কলোবোর তৈরি একটি ‘নাগরিক খামারের’ নকশা। তিনি মনে করেন, ১৩২ তলা ওই কৃষি খামারটি হবে কল্পনার চেয়েও বেশি স্বাস্থ্যকর, সুখী ও আরামদায়ক নাগরিক জীবনের বাস্তবায়ন।
গবেষকদের আনুমানিক হিসাবে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৬০০ কোটি মানুষ শহরের বাসিন্দা হবে। সম্ভাব্য ওই বিপুল জনসংখ্যার জন্য শহর এলাকায় পর্যাপ্ত খাবার, পানি ও জ্বালানির উৎস ক্রমে কমে আসছে। তাই জনবহুল শহরের জন্য এসব চাহিদা পূরণে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও ‘জীবন্ত ব্যবস্থা’ অর্জনের বিষয়টি জরুরি।
৩৬ বছর বয়সী কলোবো বলেন, ভবিষ্যতে বেঁচে থাকার নতুন নতুন পদ্ধতির খোঁজ করা দরকার। আগামীর শহরটি হবে ঘনবসতিপূর্ণ, সবুজ ও সংযুক্ত। কৃষি ও প্রকৃতিকে ২০৫০ সালের মধ্যে নাগরিক পরিমণ্ডলে ফিরিয়ে আনাটাই এখনকার লক্ষ্য। সবুজ ও টেকসই শহরে মানুষ ও পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। আর ভবিষ্যৎ শহরের প্রতিটি ভবনে অবশ্যই ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ, ছোট বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা’ রাখতে হবে।
কলোবোর প্রস্তাবিত খামারে মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদনের পাশাপশি থাকবে বাগান, তৃণভূমি ও ধানের মাঠ। আর অফিস ও ফ্ল্যাট বাড়ি এবং গণবিনোদনকেন্দ্রও থাকছে অন্য অনেক ভবনের মতোই। সৌরশক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো হবে ওই খামার ভবনে।
টেকসই নাগরিক জীবনব্যবস্থা অর্জনের ব্যাপারটি মানুষ এখন পর্যন্ত কলোবোর দাবি, তাঁর ‘ড্রাগনফ্লাই’ প্রকল্পটি কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি নিউইয়র্কের রুজভেল্ট আইল্যান্ডে নির্মাণের উপযোগী করে ওই সুবিশাল ‘উল্লম্ব খামারের’ নকশা তৈরি করেছেন। এএফপি।

ওয়েবসাইটে না ঢুকেই তথ্যপ্রাপ্তি!

তথ্য পাওয়া যাবে ওয়েবসাইটে না ঢুকেই। তথ্য খোঁজার সুবিধাকে আরও সহজ করতে এবার এ সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারীদের জন্য এ সুবিধা নিয়ে আসছে বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন গুগল।
এ সুবিধাটি চালু করতে সর্বশেষ হালনাগাদ হিসেবে তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে আসছে বিশেষ কিছু পরিবর্তন। এর আগে গত বছর গুগলের নলেজ গ্রাফ প্রকল্প নামে একটি সেবা চালু হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের গুগলের প্রতি আকৃষ্ট করা গেছে। এ গ্রাফ প্রকল্প চালুর ফলে কোনো বিষয়ে তথ্য খুঁজলে সেটি সার্চ ইঞ্জিনের ডান পাশে দেখা যায়। এতে দরকার তথ্যগুলো গুগলেই পেয়ে যান ব্যবহারকারীরা। এ সুবিধাটি আরও বিস্তৃত করে তথ্য খুঁজলে সেখানেই যাতে ওয়েবসাইটের প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়, সে সুবিধা করার ব্যাপারে কাজ চলছে বলে জানা গেছে। নতুন এই সুবিধার ফলে গুগলে অনুসন্ধান ফলাফলে কোনো একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশের আগেই ওই ওয়েবসাইট-সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রদর্শিত হবে।
নতুন এ সুবিধার ফলে আগের মতোই গুগলে অনুসন্ধান ফলাফলে পাওয়া মূল প্রত্যাশিত তথ্য কিংবা ওয়েবসাইটের নাম ও লিংক বিশেষ রঙে দেখা যাবে। তার নিচেই সবুজ রঙে থাকবে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের নাম। এরপর ধূসর রঙে ওয়েবসাইটের নাম দেখানো হবে, যেখানে ওই সাইট সম্পর্কে তথ্য ছোট করে তুলে ধরা হবে ব্যবহারকারীদের জন্য। এর ফলে ব্যবহারকারীর সেই ওয়েবসাইট সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা না থাকলেও তিনি মূল অনুসন্ধান ফলাফল থেকেই তা জেনে নিতে পারবেন। এ জন্য ব্যবহারকারীকে মূল ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে না।

গোপন কোড ভাঙতে আসছে এনএসএর নতুন কম্পিউটার

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) এমন একটি কম্পিউটার তৈরির চেষ্টা করছে, যা অন্য যেকোনো দেশের গোয়েন্দা কার্যক্রম বা ব্যাংক হিসাবের মতো গোপন নিরাপত্তা কোড ভাঙতে পারবে।
প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট এ কথা জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, এনএসএর সাবেক চুক্তিভিত্তিক কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা নথি থেকে তারা এ তথ্য পেয়েছে।
এনএসএর গোয়েন্দা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাধারণ নাগরিকদের ফোনে আড়ি
পাতা বা ইন্টারনেটে নজরদারি নিয়ে চরম বিতর্কের মধ্যে নতুন এ খবর জানাল পত্রিকাটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপন নিরাপত্তা কোড ভেঙে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই কোয়ান্টাম নামের ওই কম্পিউটার তৈরির চেষ্টা করে যাচ্ছে এনএসএ।
তবে এটি তৈরিতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।
প্রায় আট কোটি ডলার ব্যয়ে ‘পেনিট্রেটিং হার্ড টার্গেটস’ (দুর্ভেদ্য লক্ষ্য ভেদ করা) নামের একটি গবেষণা প্রকল্পের অধীনে এ কাজ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানও কোয়ান্টাম কম্পিউটার
তৈরির চেষ্টা করছে। তবে এনএসএর প্রকল্প ও বেসরকারি উদ্যোগের মধ্যে কারা এগিয়ে বা পিছিয়ে, সে বিষয়টি পরিষ্কার নয়।
এনএসএর সাবেক কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেন গত বছর সংস্থাটির বহু গোপন নথি ফাঁস করে হইচই ফেলে দেন।
দেশত্যাগের পর চীনের হংকং হয়ে এখন তিনি অস্থায়ী আশ্রয় পেয়ে রাশিয়ায় আছেন।
স্নোডেনের বিরুদ্ধেগুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া সামনে আরও অনেক অভিযোগ তোলা হতে পারে।
 স্নোডেনের ওই নথি ফাঁসের পর সন্ত্রাসবাদের কবল থেকে মার্কিন নাগরিকদের রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে এনএসএকে কোন পর্যায় পর্যন্ত গোয়েন্দাগিরি করতে দেওয়া উচিত, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু
হয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই। অনেকে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপও দাবি করেছেন।

মাথাব্যথা কী করি

মাথাব্যথা কার না হয়? শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই কখনো না কখনো মাথাব্যথায় ভোগেন।
মাথাব্যথার ধরন বা কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হয়। এ জন্য প্রথমে প্রয়োজন রোগ নির্ণয় করা।
মাথাব্যথা মূলত দুই প্রকার
ক. ব্যথার উৎস মাথার ভেতর: এমন সমস্যা প্রাইমারি হেডেক নামে পরিচিত। যেমন: মাইগ্রেন, টেনশন হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক ইত্যাদি।
১. মাথাব্যথার তাৎক্ষণিক নিরাময় করার জন্য বিভিন্ন বেদনানাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। আবার অতিরিক্ত বেদনানাশক ওষুধ সেবনও মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তাই খুব প্রয়োজন না হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যখন-তখন ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।
২. পরবর্তী সময়ে বারবার মাথাব্যথা যেন না হয় এবং ব্যথার তীব্রতা যেন কম থাকে, তার জন্য কিছু চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যথা কমাতে কিছু কিছু অভ্যাসও পরিবর্তন করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান, মাদক সেবন, চ-কফি, অনিয়মিত এবং অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন, রোদ বা অতিরিক্ত গরম আবহাওয়ায় বেশিক্ষণ থাকা, অতিরিক্ত শারীরিক, মানসিক পরিশ্রম, ক্ষুধার্ত থাকা ও সময়মতো না খাওয়া, যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ ইত্যাদি মাথাব্যথার কারণ। তাই এসব অভ্যাস পরিবর্তন করলে মাথাব্যথা অনেকাংশে কমে আসবে।
পাশাপাশি ইতিবাচক জীবনচর্চা, সুনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক বা মানসিক বিশ্রাম, পর্যাপ্ত ঘুম, মেডিটেশন ইত্যাদি মাথাব্যথার প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।
খ. ব্যথার উৎস যখন মাথার বাইরে: এটি সেকেন্ডারি হেডেক। এমন ব্যথার কারণটি বাইরে কোথাও রয়েছে, যাতে মাথাও আক্রান্ত হয়। যেমন: সাইনুসাইটিস, মাসটয়ডাইটিস, গ্লুকোমা, দাঁতের সমস্যা, আঘাত, মস্তিষ্কের টিউমার ইত্যাদি।
এ ক্ষেত্রে সাধারণত যে কারণে মাথাব্যথা হচ্ছে তা অনুসন্ধান করা জরুরি। একজন স্নায়ু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা করলেই রোগ নিরাময় সম্ভব।  ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস।

নকিয়ার ভবিষ্যৎ কোন পথে?

নকিয়ার মুঠোফোন ইউনিট যাচ্ছে মাইক্রোসফটের অধীনে। নকিয়া থাকছে শুধু টেলিকম যন্ত্রাংশ নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে। মুঠোফোন ইউনিট নিয়ে মাইক্রোসফট কী পরিকল্পনা করছে আর নকিয়ার ভবিষ্যত্ই বা কোন পথে?
নকিয়ার মুঠোফোন ব্যবসা আর পেটেন্ট লাইসেন্স কিনেছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। মুঠোফোন সেটের বাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগ। যুক্তরাজ্যের বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, মাইক্রোসফটের স্মার্টফোন প্রচেষ্টা শুরুতেই খুব বেশি সুখকর হচ্ছে না।
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৭৪০ কোটি মার্কিন ডলারে নকিয়ার মুঠোফোন বিভাগ মাইক্রোসফট কিনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর বছরের শেষ প্রান্তিক অর্থাত্ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এই তিন মাসে নকিয়ার মুঠোফোন বিক্রি ২৯ শতাংশ কমে গেছে। সেই সঙ্গে এই প্রান্তিকে নকিয়ার লোকসানের পাল্লাও ভারী হয়েছে। একসময় বাজারে জনপ্রিয় নকিয়ার তৈরি ফিচার ফোনের বিক্রি কমার পাশাপাশি নকিয়ার স্মার্টফোন বিক্রিও কমেছে প্রায় ৭ শতাংশ।
নকিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট টিমো ইয়ামোটিলা চতুর্থ প্রান্তিকে নকিয়ার অবস্থা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, নকিয়ার বেশি দামের স্মার্টফোনের চেয়ে সাশ্রয়ী দামের লুমিয়া৫২০ মডেলটি বিক্রি হয়েছে বেশি। স্মার্টফোন নির্মাতা অ্যাপল, স্যামসাং, সনির সঙ্গে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কারণে নকিয়ার স্মার্টফোন বিক্রি কমেছে।
নকিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ওভামের টেলিযোগাযোগ বিশ্লেষক নিক ডিলন জানিয়েছেন, মাইক্রোসফট ও নকিয়া জোটের পক্ষে হাই-এন্ড বা বেশি দামের স্মার্টফোনের বাজার থেকে বেরিয়ে আসা বড় রকমের চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়াও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর স্মার্টফোনগুলোতে এখনো গ্রাহকের পছন্দের অনেক অ্যাপ্লিকেশন নেই। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপলের আইওএস অপারেটিং সিস্টেম প্ল্যাটফর্মে যত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, উইন্ডোজ এখনো সেদিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নকিয়ার মুঠোফোন ব্যবসা কিনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মাইক্রোসফট তাদের পরিকল্পনা হিসেবে মাইক্রোসফটের পরিকল্পনা ও মার্কেটিং দলের সঙ্গে নকিয়ার কর্মীদের একসঙ্গে করে একটি দল করার ঘোষণা দিয়েছিল। নকিয়া ও মাইক্রোসফটের টিম একসঙ্গে মিলে স্মার্টফোন বাজারে উইন্ডোজ-নির্ভর স্মার্টফোনের জন্য নকিয়া ব্র্যান্ডকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে কাজ করবে।
তবে বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের বাজারে এখনই মাইক্রোসফট ও নকিয়া জোটকে ফেলে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ কিছু পরিকল্পনা করলে এখনো মাইক্রোসফট ও নকিয়ার জন্য সুযোগ রয়েছে। এজন্য মাইক্রোসফটকে চীন ও ভারতের মতো উন্নয়নশীল বাজারগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যবিত্তরা তাঁদের ফিচার ফোন থেকে স্মার্টফোনে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। এ সুযোগটি মাইক্রোসফট নিতে পারে।
নকিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে খুশি নন বিনিয়োগকারীরাও। মুঠোফোনের ব্যবসায় ভালো করতে না পারলে নকিয়ার অবস্থা কতটা শোচনীয় হবে, ২০১৩ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের আয় তা দেখিয়ে দিয়েছে।
বাজার-গবেষকেরা হিসাব করে দেখেছেন, মুঠোফোনের ব্যবসা ছাড়া ফিনল্যান্ডের কোম্পানি হিসেবে নকিয়ার চতুর্থ প্রান্তিকে আড়াই কোটি ইউরো লোকসান হয়েছে। মুঠোফোন ইউনিটটি বাদে নকিয়ার অন্য বিভাগের আয়ও কমে গেছে। তাই মুঠোফোন ইউনিট হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় নকিয়াকে এখন নতুন করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। এদিকে, মুঠোফোন ইউনিটের সঙ্গে নকিয়ার প্রধান নির্বাহী স্টিফেন ইলোপও মাইক্রোসফটে চলে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন টিমো ইয়ামোটিলা। এখন নকিয়ার একজন নতুন প্রধান নির্বাহীর প্রয়োজন পড়বে।
বাজার-বিশ্লেষকেরা অবশ্য নকিয়াকে পরামর্শ দিচ্ছেন যে, মুঠোফোন ইউনিট ছাড়া এখন নকিয়ার উচিত হবে তাদের নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবসায় জোর দেওয়া। মুঠোফোন নির্মাতা নয়, নকিয়া এখন ফিনল্যান্ডের টেলিকম প্রতিষ্ঠান হিসেবেই পরিচয় তৈরি করতে পারে।
এদিকে, নকিয়ার মুঠোফোন ইউনিটকে নিয়ে একটু ভিন্নভাবে ভাবছে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই নকিয়ার মুঠোফোন ইউনিট পুরোপুরি মাইক্রোসফটের অধীনে চলে আসবে।
মাইক্রোসফটের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নকিয়ার এন্ট্রি লেভেলের আশা সিরিজের হ্যান্ডসেট ও সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেটগুলোর পরিবর্তে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর সাশ্রয়ী স্মার্টফোন বাজারে আনার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে মাইক্রোসফট।
‘ইকোনমিক টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া অপারেটর চ্যানেল গ্রুপ পরিচালক শার্লিন জানিয়েছেন, নকিয়া ও মাইক্রোসফটের চুক্তির ফলে মুঠোফোন ক্রেতারা ভবিষ্যতে কম দামের হ্যান্ডসেটের আশা করতে পারেন।
ফিচার ফোন ও এন্ট্রি লেভেল স্মার্টফোনে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়াতে মাইক্রোসফট উদ্যোগ নেবে বলে মনে করেন শার্লিন।
শার্লিন আরও জানান, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মুঠোফোনের দাম কমে আসবে। দাম কমানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করবে মাইক্রোসফট। ফিচার ফোন থেকে গ্রাহক যাতে আরও বেশি স্মার্টফোন মুখাপেক্ষী হন এবং বেশি করে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করেন, এজন্য মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম-নির্ভর স্মার্টফোনের দামের বিষয়টি খেয়াল রাখবে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানটি।
থ্রিজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হওয়ায় এখন গ্রাহকেরা থ্রিজি সুবিধার স্মার্টফোনে ঝুঁকছেন। তাই থ্রিজি সুবিধার সাশ্রয়ী স্মার্টফোন বাজারে আনতে কাজ করবে মাইক্রোসফট।
শার্লিন জানিয়েছেন, বর্তমানে নকিয়া ও মাইক্রোসফট বাজার বিশ্লেষণ ও গ্রাহকদের চাহিদা পর্যালোচনা করে নতুন স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছে। এর ফলে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে মুঠোফোন সেটের দাম কমে যেতে পারে।

স্টিফেন হকিংয়ের নতুন ভাবনা কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব নেই?

‘কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব নেই’—এমন দাবি করে গবেষকেরা নিবন্ধ লিখতেই পারেন। আর সেটাকে খামখেয়ালিপূর্ণ বিবেচনা করে বাতিল করে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু স্বয়ং স্টিফেন হকিং যখন কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে নতুন কোনো ভাবনা নিয়ে আসেন, তখন সেটা নিঃসন্দেহে বাড়তি গুরুত্ব পায়। কারণ, মহাজাগতিক রহস্যময় কৃষ্ণগহ্বরের ধারণার প্রবক্তাদের মধ্যে তিনিও একজন।
বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হকিংয়ের সঙ্গে আলাপচারিতার ভিত্তিতে তৈরি একটি নিবন্ধ সম্প্রতি অনলাইনে আলোচনায় এসেছে। এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, ধ্রুপদি তত্ত্ব অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর থেকে কোনো কিছুই বেরিয়ে আসার উপায় নেই। কিন্তু কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী, কিছু শক্তিও বেরিয়ে যেতে পারে।
প্রতিটি কৃষ্ণগহ্বরের চারদিকে যে অদৃশ্য সীমানার কল্পিত আবরণ রয়েছে, তা ‘ইভেন্ট হরাইজন’ নামে পরিচিত। হকিং বলছেন, অদৃশ্য কৃষ্ণগহ্বরের প্রবল আকর্ষণ নয়, বরং একটি তুলনামূলক ‘অনুকূল দিগন্তের’ মাধ্যমে বস্তু ও শক্তি বন্দী হয়ে থাকে। পরে ঘটনাক্রমে সেগুলো বিমুক্ত হয়, তবে অনেকটা পরিবর্তিত বা বিকৃত রূপে। এর সঠিক পদ্ধতিটি এখনো রহস্য হয়ে আছে।
তবে ধারণাটির পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যার জন্য একটি মহাকর্ষীয় শক্তি ও প্রকৃতির অন্যান্য বলের সমন্বয়ে একটি সুনির্দিষ্ট তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা স্বীকার করেন। ফলে গত প্রায় এক শতকব্যাপী তাঁরা যে বিষয়ে ভাবনা এড়িয়ে গেছেন, এখন সেটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই গবেষণা করতে হবে।
নক্ষত্র যখন জ্বালানি পুড়িয়ে শেষ করে ফেলে, তখন তা সংকুচিত হতে থাকে। সাধারণ গ্যালাক্সিগুলোর মাঝে অবস্থানরত বড় বড় নক্ষত্র তাদের বিবর্তনের সর্বশেষ পরিণতিতে ব্ল্যাক হোল বা সৃষ্টি করে। নক্ষত্রগুলো অনেক বেশি সংকুচিত হয়েই ব্ল্যাক হোলের জন্ম দেয়।
কোনো নক্ষত্রের ঘনত্ব ও ভর অনেক বেশি হলে তার মহাকর্ষীয় শক্তি এতটাই শক্তিশালী হবে যে আলো পর্যন্ত সেখান থেকে বের হতে পারবে না। মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী আকর্ষণই হচ্ছে মহাকর্ষীয় শক্তি। কৃষ্ণগহ্বর থেকে আলো কিছু দূর যাওয়ার আগেই সেই শক্তি তাকে পেছনে টেনে নেয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই রহস্যময় গহ্বর সম্পর্কে সামান্য হলেও অভাবনীয় কিছু তথ্য পেয়েছেন।
হকিংয়ের ভাবনাবিষয়ক একটি নিবন্ধ মুদ্রিত আকারে প্রকাশের আগে অনলাইনের একটি বিশেষ সার্ভারে রাখা হয়েছে। এটির কথিত শিরোনাম, ‘কৃষ্ণগহ্বরের জন্য তথ্য সংরক্ষণ ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস’। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা বারবারায় অবস্থিত কালফি ইনস্টিটিউট ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সের গবেষকদের সঙ্গে স্কাইপির মাধ্যমে হকিংয়ের একটি আলাপচারিতার ভিত্তিতে রচিত ওই নিবন্ধটি এখন অন্য বিজ্ঞানীরা পর্যালোচনা করছেন। নিউ সায়েন্টিস্ট ও নেচার।

20 Breathtaking Images Of The Earth As Seen From Space

[advps-slideshow optset=”1″] From a Medieval palace in Syria to a giant rubber duck floating in Hong Kong, DigitalGlobe features its best satellite imagery of the year.Digital Globe, a provider of commercial satellite pictures, gathers 1 billion square kilometers of Earth imagery every year. That’s nearly enough to cover the globe twice — and some of it is downright beautiful. Several years ago, employees at the Colorado-based organization decided to pick their favorite to share Earth’s beauty with the public. This year, they’ve collected 20 awe-inspiring scenes, and they want you to pick your favorite of the bunch.

ইন্টারনেটের বিকল্প প্রযুক্তি

ইন্টারনেটের বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে শুরু হয়েছে গবেষণা। বিকল্প ইন্টারনেট ব্যবস্থা হিসেবে বিটক্লাউড নামের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন মার্কিন গবেষকেরা। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিকল্প ইন্টারনেট-সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিটক্লাউড উদ্যোক্তাদের।
‘বিটকয়েন মাইনিং’ পদ্ধতির মতো পদ্ধতিতে বিটক্লাউডের সেবা দেওয়া হবে বলে দাবি করছেন এই প্রকল্পটির উদ্যোক্তারা। স্বাধীন গ্রাহক থেকে গ্রাহকের মধ্যে অনলাইন লেনদেনের ডিজিটাল মাধ্যম এটি। ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রটোকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রার নাম বিটকয়েন। এ ভারচুয়াল মুদ্রা লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে না।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিটক্লাউড পদ্ধতিতে অর্থের বিনিময়ে তথ্য সংরক্ষণ, রাউটিং ও ব্যান্ডউইথ দেওয়া সম্ভব হবে।বর্তমানে বিটক্লাউড তৈরির লক্ষ্যে ডেভেলপার খুঁজছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের দাবি, ইন্টারনেট বিকেন্দ্রীকরণ শুরু করবেন তাঁরা এবং নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্তমানের ইন্টারনেট ব্যবস্থার বিকল্প গড়ে তুলবেন।
২০০৮ সালে বিটকয়েন উদ্ভাবন করেন কম্পিউটারবিজ্ঞানী সাতোশি নাকামোতো। এটি তাঁর ছদ্মনাম৷ বিটকয়েন ব্যবহার করে অনলাইনে খুব সহজে কেনা-বেচা করা যায় বলে এ মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন বা স্বাধীন গ্রাহক থেকে গ্রাহকের মধ্যে অনলাইন লেনদেন নামে অবহিত করা হয়। বিটকয়েনের লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়।

বিটকয়েনের ক্ষেত্রে কম্পিউটার যেভাবে কাজ করে, বিটক্লাউডের ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সেভাবে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।

পেটেন্ট মামলার রায়: দোষী স্যামসাং

দক্ষিণ কোরিয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাং প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপলের পেটেন্ট করা ‘ওয়ার্ড রিকমেন্ডেশন টেকনোলজি’-র অপব্যবহার করেছে বলে রায় দিয়েছে মার্কিন আদালত। পেটেন্টে আইন ভঙ্গের ওই মামলায় অ্যাপলের পক্ষে রায় দেন মার্কিন বিচারক লুসি কোহ, এর আগেও এই দুই প্রযুক্তি জায়ান্টের মামলার বিচারক ছিলেন তিনি।

বার্তাসংস্থা বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অ্যাপলের বিরুদ্ধে পেটেন্ট করা প্রযুক্তির অপব্যবহারের পাল্টা অভিযোগ আনলেও তা নাকচ করে দেন ওই বিচারক।

২০০৭ সালে স্টিভ জবস প্রথম আইফোন উন্মোচনের কয়েক মাস আগেই ‘অটো-ওয়ার্ড কমপ্লিট’ প্রযুক্তির পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছিল অ্যাপল। পেটেন্ট আইন ভঙ্গের অভিযোগের বিপরীতে স্যামসাংয়ের দাবি ছিল অ্যাপলের ওই পেটেন্ট কেবল ‘ফিজিকাল কিবোর্ড’ আছে এমন স্মার্টফোন আর ট্যাবলেটের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

কিন্তু অ্যাপলের পেটেন্ট আবেদনে নির্দিষ্ট কোনো ডিভাইসের কথা উল্লেখ ছিল না বলে স্যামসাংয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন আদালত।

আদালতের ‘রায় হতাশাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন স্যামসাংয়ের এক মুখপাত্র। তবে নিরবতা বজায় রাখছে অ্যাপল। আদালতের রায়ে মার্কিন বাজারে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে স্যামসাংয়ের নেক্সাস স্মার্টফোন এবং গ্যালাক্সি নোট ফ্যাবলেটের উপর।

 

অদ্ভুত সুন্দর যত প্রাণী

আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে কত অদ্ভুত বেশকিছু সুন্দর প্রাণী! কারও আছে সুন্দর দৈহিক গঠন, কেউ বা বয়ে বেড়ায় চোখ ধাঁধানো রং। আবার কিছু প্রাণী আছে, যারা সাধারণের মধ্যেও অসাধারণ। এমনি কিছু প্রাণীর গল্পই থাকছে আজ। Continue reading “অদ্ভুত সুন্দর যত প্রাণী”