স্বাধীনতার মহানায়কের জন্মদিন শনিবার

বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন শনিবার (১৭ মার্চ)। গোপালগঞ্জের নিভৃত গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায় শেখ বাড়িতে ১৯২০ সালের এই দিনে বাংলার রাখাল রাজা শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার মহানায়কের এ জন্ম দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।টুঙ্গিপাড়ার সেই অজপাড়া গাঁয়ে জন্ম নেয়া এই শেখ মুজিবই একদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দেন। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে তিনি বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। যার বহি:প্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে। ৭১ এর ৭ মার্চ তিনি ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেন।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তি সংগ্রাম, তোমাদের যার কাছে যা কিছু আছে তাই নিয়েই প্রস্তুত থাক, আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো’ -বঙ্গবন্ধুর এই চূড়ান্ত আহ্বানই জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে শক্তি ও সাহস জোগায়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।

ব্রিটিশ আমলে শৈশব থেকেই শেখ মুজিব জমিদার, তালুকদার ও মহাজনদের অত্যাচার, শোষণ ও নির্যাতন দেখেছেন। মানুষের দুঃখ, কষ্ট দেখে তাদের মুক্তির সংগ্রামে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।
চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়রা খাতুনের তৃতীয় সন্তান। ৭ বছর বয়সে তিনি পার্শ্ববর্তী গিমাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তিনি মাদারীপুর ইসলামিয়া হাইস্কুল, গোপালগঞ্জ সরকারি পাইলট স্কুল ও পরে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে লেখাপড়া করেন।

১৯৪২ সালে তিনি ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে কলকাতায় গিয়ে বিখ্যাত ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন এবং বেকার হোস্টেলে আবাসন গ্রহণ করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি বিএ পাস করেন। শেখ মুজিবুর রহমান এই সময়ে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এই সময়ে তিনি হোসেন সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশিমের মতো নেতাদের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় শান্তি স্থাপনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অসম সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর তিনি পূর্ব বাংলায় চলে আসেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন দেন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

ভ্রান্ত দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠা পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পূর্ব বাংলা সফরে এসে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দিলে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ তথা বাঙালি জাতি প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। তার উপর নেমে আসে জেল-জুলুম নির্যাতন। রাজনৈতিক জীবনে এক যুগেরও বেশি সময় তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন। দুইবার তিনি ফাঁসির কাষ্ঠে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন, ১৮ বার কারাবরণ করেছেন। পাকিস্তানি শাসক চক্রের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে সব আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য তৈরি করেছেন। ১৯৫২, ৫৪, ৬২, ৬৬ আর ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ৭০-এর নির্বাচনে বিজয় সবই জাতির সংগ্রামী ইতিহাসের একেকটি মাইলফলক। আর এই সংগ্রামের নেতৃত্ব ও প্রেরণার উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় লাভের পর পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি লাভ করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ ভূমিতে ফিরে আসেন। দেশে এসেই যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় আত্মনিয়োগ করেন। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের এই মহান স্থপতিকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকের দল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করে।

ফ্লাইট বিএস২১১ দুর্ঘটনা: হতাহতদের জন্য দোয়া-প্রার্থনা

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে প্লেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য সারাদেশে সব ধর্মের উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা আদায় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও আরোগ্য কামনা করা হয়।শুক্রবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনার। নগরীর অন্যান্য মসজিদ-মন্দির-গির্জা ও প্যাগোডায়ও হতাহতদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।এর আগে গত ১২ মার্চ প্লেন দুর্ঘটনায় ১৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক এবং ১৬ মার্চ (শুক্রবার) মসজিদ-মন্দিরসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে দোয়া-প্রার্থনা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। গত ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, গত ১২ মার্চ (সোমবার) নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিএস২১১ নম্বর ফ্লাইট বিধ্বস্ত হয়ে দেশি-বিদেশি ৫১ জন আরোহীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্তিতা প্রকাশ করা হয়েছে।

রাজনীতি এবং খালেদার যাত্রাপথ

মানসিক প্রস্তুতি ছিল। রায় ঘোষণার আগেই গুছিয়ে নিয়েছিলেন সব। গৃহকর্মী ফাতেমাকেও বলেছিলেন, সেমতে প্রস্তুত হতে। কয়েকমাস থাকতে হতে পারে। ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির আইনজীবীদের একটি দল।পরামর্শ দিচ্ছেন বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই এমন কয়েকজন আইনজীবীও। খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের কথিত ভুল নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু আলোচনা হয়েছে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও একবার বলেছিলেন, আইনজীবীদের ভুলের কারণেই খালেদা জিয়া কারাগারে। কী ভুল তা অবশ্য তিনি খোলাসা করেননি। যদিও নিজেদের কোনো ভুল মানতে রাজি নন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা।
সে যাই হোক, গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকবার ‘বিস্ময়ের’ মুখোমুখি হয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। প্রথমবার তারা বিস্মিত হন যখন হাইকোর্ট জানায়, নথি দেখে জামিন আবেদনের ব্যাপারে আদেশ দেয়া হবে। এ ধরনের আদেশের জন্য তারা প্রস্তুত ছিলেন না। সিনিয়র আইনজীবীরা এ আদেশকে বলেছেন, নজিরবিহীন। পরে অবশ্য হাইকোর্ট জামিন দিলে বিএনপির আইনজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে। দলটির আইনজীবীদের কেউ কেউ আশা করেছিলেন, হাইকোর্ট জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর শিগগিরই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। কিন্তু দ্রুতই তাদের সে আশা ভাঙে। যখন জামিন মঞ্জুরের দিনই কুমিল্লার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে তাদের জন্য
আরো বিস্ময় অপেক্ষা করেছিল। যখন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে দেন তখন আক্ষরিক অর্থেই হতবাক হয়ে পড়েন তার আইনজীবীরা। শুনানির সুযোগ না পাওয়ায় এজলাস কক্ষেই তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এখন খালেদা জিয়ার জন্য কী অপেক্ষা করছে? জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তার জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও সরকারের লিভ টু আপিলের ওপর আপিল বিভাগে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে রোববার। এ মামলায় আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয় তার ওপর নির্ভর করছে বহু কিছু। তবে এ মামলায় জামিন বহাল থাকলেও সহসাই তার কারামুক্তি ঘটছে না। কারণ, কুমিল্লার সহিংসতার মামলায় তাকে জামিন পেতে হবে। ২৮শে মার্চ কুমিল্লার আদালতে ওই মামলার শুনানির কথা রয়েছে। এ ছাড়া, আরো অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে যেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, কারাগারে খালেদা জিয়ার পথ বেশ দীর্ঘ।
দুই ডজনের মতো বেশি মামলা দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। তার দল অবশ্য এখন এগুচ্ছে ধীরে সুস্থে। কারাগারে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়া দলকে কড়া নির্দেশনা দিয়ে গিয়েছিলেন যে, কোনো ধরনের হটকারিতায় জড়ানো যাবে না। সহিংস বা কঠোর কোনো কর্মসূচিও দেয়া যাবে না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে যতটা সম্ভব এগুনোর চেষ্টা করতে হবে। বিএনপি অবশ্য নেতার এ নির্দেশ পালন করেছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে তারা কঠোর কোনো কর্মসূচিতে যায়নি। উসকানি সত্ত্বেও পরিচয় দিচ্ছে ধৈর্যের। তবে দলটির মধ্যে নানা বিষয়ে অস্বস্তি এবং আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা হেফাজতে ছাত্রদল নেতা জাকিরের মৃত্যু দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। রিমান্ড শেষে কারাগারে নেয়ার পর মৃত্যু হয় ঢাকা মহানগরের এই ছাত্রদল নেতার। তার দল এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
এই যখন অবস্থা তখন কী করবে বিএনপি। এটা ঠিক, বিএনপির সামনে আসলে বেশি কিছু করার পথও খোলা নেই। নানা সূত্রে জানা যাচ্ছে, দলটি আরো কিছু দিন ধৈর্য ধরবে। পরিস্থিতি যাই হোক কঠোর কোনো কর্মসূচিতে যাবে না। আগামী জুন-জুলাই মাস থেকে সর্বাত্মক আন্দোলনে যাওয়ার চেষ্টা করবে বিএনপি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রচলিত হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচিও তখন দেয়া হতে পারে। কিন্তু এতেও কতটা কাজ দেবে তা নিয়ে সন্দিহান বিএনপি। যদিও রাজনীতিতে কখনো কখনো পরিস্থিতি খুবই দ্রুত বদলায়।
ঢাকার একজন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আইনি নয়, বরং রাজনৈতিক। রাজনীতির গতিপথই ঠিক করবে শেষ পর্যন্ত তিনি কোথায় থাকবেন।

অদ্ভুত সুন্দর যত প্রাণী

আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে কত অদ্ভুত বেশকিছু সুন্দর প্রাণী! কারও আছে সুন্দর দৈহিক গঠন, কেউ বা বয়ে বেড়ায় চোখ ধাঁধানো রং। আবার কিছু প্রাণী আছে, যারা সাধারণের মধ্যেও অসাধারণ। এমনি কিছু প্রাণীর গল্পই থাকছে আজ। Continue reading “অদ্ভুত সুন্দর যত প্রাণী”

এলজি আনছে জি৩

আগামী বছর স্মার্টফোনের বাজারে নতুন একটি মডেল যুক্ত করবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান এলজি। এলজি জি৩ নামের নতুন এ স্মার্টফোনটিতে থাকবে অক্টাকোরের প্রসেসর ও ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। সম্প্রতি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট জেডনেট কোরিয়া এলজির নতুন স্মার্টফোনটির তথ্য প্রকাশ করেছে।

এলজির নতুন এ স্মার্টফোনটির বিশেষ ফিচার হবে এর কিউএইচডি বা কোয়াড এইচডি ডিসপ্লে। তবে স্মার্টফোনটিতে কত ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে ব্যবহূত হবে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি। এলজির অক্টাকোরের চিপসেটটির কোড নাম এলজি ওডিন যা এলজি নিজেই তৈরি করবে।

এদিকে, বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, এলজির বর্তমানে বাজারে থাকা জি২ স্মার্টফোনটির পরবর্তী সংস্করণ হবে জি৩। এ বছরের আগস্ট মাসে এলজির জি২ স্মার্টফোনটি বাজারে এসেছে। বছরের শীর্ষ স্মার্টফোনের মধ্যে একটি এলজি জি২। এলজির দাবি, নকশার দিক থেকে স্মার্টফোনটি সবার চেয়ে এগিয়ে। বামহাতি বা ডানহাতি সবার জন্যই স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা সহজ। জি২ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১০৮০ পিক্সেলের পাঁচ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে, ২.২ গিগাহার্টজের স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট, ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ও তিন হাজার অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ সংস্করণের অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর স্মার্টফোনটিতে দুই গিগাবাইট র্যাম, এনএফসি, ১৬ ও ৩২ গিগা স্টোরেজ ও অপটিমাস ইউজার ইন্টারফেস রয়েছে।
জেডনেট কোরিয়ার ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলজির জি২ স্মার্টফোনটির চেয়ে আরও উন্নত ফিচার আসবে জি৩ স্মার্টফোনটিতে। এলজির জি৩ স্মার্টফোনটির পাশাপাশি জি২-এর একটি মিনি সংস্করণ নিয়ে কাজ চলছে বলেও প্রযুক্তিবিশ্বে গুঞ্জন রয়েছে।

ফেসবুকে আগ্রহ হারাচ্ছে তরুণরা?

সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফল বলছে, যুক্তরাজ্যের অনেক তরুণ এখন ফেসবুক ছেড়ে দিচ্ছেন। কারণ? অনেকের মা-বাবাই এখন ফেসবুক ব্যবহার শিখে গেছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ বিষয়ক গবেষকেরা জানিয়েছেন, তরুণদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। ফেসবুক ফেলে সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন্যান্য সহজতর মাধ্যমগুলো এবং মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের দিকে ঝুঁকছেন তাঁরা।
যুক্তরাজ্যে পরিচালিত এক গবেষণায় গবেষকেরা দেখেছেন যে, স্ন্যাপচ্যাট, হোয়াটসঅ্যাপ ও টুইটারের দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণে ফেসবুকে আগ্রহ হারাচ্ছে তরুণরা। এ খবরে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের দ্য ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকা।
গবেষকেরা গ্লোবাল সোশাল মিডিয়া ইমপ্যাক্ট স্টাডি নামে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের ব্যবহার নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন।
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষক ড্যানিয়েল মিলার এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এক সময় সন্তানদের ফেসবুকে যোগদানের ব্যাপারে অভিভাবককে উত্কণ্ঠায় থাকতে দেখা যেত এখন ঘটছে ঠিক এর উল্টো। অভিভাবকের নজরদারির ভয়ে তরুণরা ফেসবুক ছেড়ে দিচ্ছেন।
গবেষক মিলার জানিয়েছেন, বর্তমানে অধিকাংশ অভিভাবক ফেসবুকের ব্যবহার শিখে গেছেন এবং তাঁরা এই সাইট থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারছেন। অভিভাবকদের ফেসবুক ব্যবহারের হার যেমন বাড়ছে তখনই তরুণদের আগ্রহ কমছে এতে। তরুণদের কাছে ফেসবুক এখন মরুভূমিতুল্য।
এই গবেষণায় অংশ নেওয়া যুক্তরাজ্যের তরুণদের অধিকাংশই স্বীকার করেছেন যে, প্রযুক্তি সুবিধার হিসেবে ফেসবুক এগিয়ে থাকলেও ফেসবুকে নতুন কিছু করার সুযোগ নেই বলে তরুণরা এটা ছেড়ে যাচ্ছেন। আবার অনেকে মা-বাবার নজরদারি থেকে বাঁচতেও ফেসবুক ছেড়ে দিচ্ছেন।

এ বছরে প্রযুক্তি-বিশ্বের আলোচিত পাঁচ

২০১৩ সালে প্রযুক্তি-বিশ্বের নতুন অনেক উদ্ভাবন আর পণ্য খবরের শিরোনাম হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো বিষয়ই বছর জুড়ে তুমুল আলোচনায় ছিল। জানুয়ারি মাসে কনজুমার ইলেকট্রনিক শো (সিইএস) মেলার প্রযুক্তিপণ্য, সামাজিক যোগাযোগ, সহজে মুছে যায় এমন বার্তা পাঠানোর অ্যাপ্লিকেশন, রোবট, চালকবিহীন বিমানসহ নতুন উদ্ভাবনী পণ্য ও প্রযুক্তির দেখা মিলেছে এ বছর। ২০১৩ সালে যেসব প্রযুক্তি মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল সেগুলো নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভেঞ্চারবিট।

গোপন নজরদারি
এ বছর আলোচনার কেন্দ্রে ছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন নজরদারির তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি। তথ্য ফাঁসকারী মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মী অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রে। যুক্তরাজ্যের গার্ডিয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্ট মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন নজরদারি ও ফোন রেকর্ডের তথ্য ফাঁস করে হইচই ফেলে দিয়েছিল। প্রযুক্তি বিশ্বে আলোড়ন তুলেছে এরকম ঘটনার অন্যতম ঘটনা ছিল এটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৪ সালেও এ ঘটনার রেশ থাকবে।

থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি
এ বছর আলোচনায় ছিল থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি। কিডনি থেকে শুরু করে বন্দুক, গাড়ি, কৃত্রিম হাত-পা সংযোজন, শিল্পকর্মের প্রতিরূপ (রেপ্লিকা) তৈরির মতো কাজে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এ বছর আলোচনা হয়েছে। গবেষকেরা ধারণা করছেন, থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তির ব্যবহারে আগামী কয়েক দশকে আমাদের জীবনযাত্রায় অভাবনীয় পরিবর্তন হবে। ডিজিটাল অনুরূপ থেকে ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) কঠিন বস্তু হুবহু তৈরি করতে পারে এই বিশেষ প্রিন্টার। যন্ত্রাংশ উত্পাদন শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে এই প্রযুক্তি।

থ্রিডি প্রিন্টিং
গুগল গ্লাসপরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য
এ বছর আলোচিত ছিল নতুন নতুন পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য। এ বছর বাজারে এসেছে বেশ কিছু পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্য। এগুলোর কোনোটি সমালোচিত হয়েছে আবার কোনোটি হয়েছে প্রশংসিত। এমনই বেশ কয়েকটি পরিধেয় প্রযুক্তি হচ্ছে গুগল গ্লাস, ফিটনেস ট্র্যাকার, স্মার্টওয়াচ। বাজার-বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ বছরের মতো আগামী বছরটি হবে পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের। এ সময় স্মার্টওয়াচ, স্মার্টগ্লাস, স্মার্ট আংটি, স্মার্ট ব্যান্ড, স্মার্ট পরচুলার মতো নানা পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের দেখা মিলতে পারে। এরমধ্যেই গুগল ও স্যামসাং পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের সঙ্গে প্রযুক্তিপ্রেমীদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। বাজার গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভানের গবেষক অ্যান্ড্রু মিলরয় জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরে পরিধেয় প্রযুক্তিপণ্যের চাহিদা বাড়বে।


ব্ল্যাকবেরির পতনব্ল্যাকবেরি

এ বছর করপোরেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল মাইক্রোসফটের কাছে নকিয়ার মোবাইল ইউনিটটি বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঘটনা ও কানাডার মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকবেরির বিপাকে পড়ার ঘটনাটি। লোকসান, কর্মী ছাঁটাইসহ বাজারে পিছিয়ে গিয়ে এবছর করপোরেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিপাকে পড়েছিল এক সময়ের জনপ্রিয় ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। স্মার্টফোনের বাজারে একসময়ের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ব্ল্যাকবেরি ওএস নির্ভর ফোন তৈরি করতো রিসার্চ ইন মোশন বা রিম। অ্যান্ড্রয়েড, আইওএসের জনপ্রিয়তার কাছে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ে পড়ে ব্ল্যাকবেরি চলতি বছরে কর্মী ছাঁটাই, নতুন অপারেটিং সিস্টেম ব্ল্যাকবেরি ১০ ও প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ‘ব্ল্যাকবেরি’ রেখেছে। ধারণা করা হচ্ছিল, ব্ল্যাকবেরি ১০ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর স্মার্টফোন ‘জেড১০’ ব্ল্যাকবেরিকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। তবে ব্ল্যাকবেরি ১০ অপারেটিং সিস্টেম চালিত জেড ১০ আশানুরূপ বিক্রি করতে পারেনি ব্ল্যাকবেরি। লোকসানের ধারায় থাকা প্রতিষ্ঠানটি শেষ নাগাদ বিক্রি হতে বসেছিল ব্যক্তিগত কোনো ক্রেতার কাছে। তবে শেষ নাগাদ প্রতিষ্ঠানটি কর্মকর্তাদের মধ্যে রদবদল করে টিকে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। জনপ্রিয় ব্ল্যাকবেরি মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএসের জন্য উন্মুক্ত করার মতো ঘটনাও ঘটেছে এ বছর।


ইন্টারনেটসব কিছুতেই ইন্টারনেট

এ বছর প্রযুক্তি বিশ্বে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি ছিল সব কিছুতেই ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়টি। সাশ্রয়ী ইন্টারনেট ব্যবস্থার ফলে যদি ঘর গেরস্থালির সব পণ্য থেকে শুরু করে ব্যবসার কাজের উপযোগী পণ্যগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয় ডিজিটাল জীবনব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলেই মনে করেন গবেষকেরা।

বাংলাদেশে এ “র” এর অপারেশন ও কার্যক্রম

বাংলাদেশে কমপক্ষে ১ লক্ষ ‘র” কর্মী ও ইনফর্মার সক্রিয় আছে বলে জানা যায় এর মধ্যে ভারতীয় ৪,০০০ এর মত (স্পেকুলেশন) আর বাকিরা ইনফর্মার ,ধর্মীয় ও মতাদর্শগতভাবে ‘র” এর প্রতি চরম সহানুভুতিশীল যাদের যেকোন কাজে লাগানো সম্ভব।

বাংলাদেশে যে সব বড় ঘটনার সাথে রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং এর সংশ্লিস্টতা নিয়ে আঙ্গুল তোলা হয়ঃ

বাংলাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি বাহিনী গঠন ও পরিচালনায় “র” জরিত আছে বলে ধারনা করা হয়।
১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান হত্যা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে র” এর সংশ্লিস্টতা ছিলো বলে ধরা হয়।
এরশাদের ক্ষমতায় আরোহন এ সহযোগীতা ও তাকে ডবল এজেন্ট সন্দেহে এরশাদের পতনে সহায়তা।

১৯৯৬ এর জেনারেল নাসিমের ব্যার্থ অভ্যুত্থান প্রচেস্টা।

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এম এস কিবরিয়া হত্যাকান্ড।

১/১১ বি্ডিআর বিদ্রোহ

ইলি্য়াস আলী নিরুদ্দেশ

এছাড়া বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরে অস্থিরতা তৈরীর জন্য রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং কে দায়ি করা হয়।

অসর্মথিত সুত্র
বাংলাদেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল,এন জিও,সরকারী প্রতিস্টান,বানিজ্য অ্যাসোসিয়েশন থেকে শুরু করে প্রতিটি সরকারী বেসরকারি গুরুত্বপুর্ন প্রতিস্টানের মধ্যে রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং এর কর্মীরা সক্রিয় আছেন। বাংলাদেশে তাদের প্রধানতম রিক্রুটিং মাধ্যম হচ্ছে “ইন্ডিয়ান কালচারাল সেন্টার”। ঢাকা শহরের অন্তত দুইটি মসজিদ এর ইমাম অথবা সহকারি হিসাবে “র” কর্মকর্তা কাজ করছেন। চট্টগ্রাম, সৈয়দপুর, গোপালগঞ্জ ও সিলেটের একাধিক মাদ্রাসার শিক্ষক কভারে “র” অফিসার কর্মরত আছেন।বাংলাদেশের প্রতিটা গ্যারিসন শহরের প্রবেশ মুখে এবং আশেপাশে একাধিক “র” সার্ভেইলেন্স পোস্ট এ “র” অফিসাররা কর্মরত আছেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখামুখি হওয়া জামাতের একজন নেতা(এখনো চার্জ গঠন করা হয় নি) “র” এর পুরানো সক্রিয় কর্মী।

এই পোস্টের মূল লিঙ্কঃ