Saudi preacher who raped, tortured, murdered 5 year old daughter gets 8 years

A Saudi court sentenced a preacher convicted of raping his five-year-old daughter and torturing her to death to eight years in prison and 800 lashes, a lawyer said Tuesday.

In a case that drew widespread public condemnation in the kingdom and abroad, the court also ordered Fayhan al-Ghamdi to pay his ex-wife, the girl’s mother, one million riyals in “blood money,” lawyer Turki al-Rasheed told AFP.

Blood money is compensation for the next of kin under Islamic law.

The girl’s mother had demanded 10 million riyals.

Ghamdi’s second wife, accused of taking part in the crime, was sentenced to 10 months in prison and 150 lashes, said Rasheed, who is the lawyer of the girl’s mother.

Ghamdi was convicted of “raping and killing his five-year-old daughter Lama,” he added.

The girl was admitted to hospital on December 25, 2011 with multiple injuries, including acrushed skull, broken ribs and left arm, extensive bruising and burns, activists said. She died several months later.

Ghamdi, a regular guest on Muslim television networks despite not being an authorized cleric in Saudi Arabia, had confessed to having used cables and a cane to inflict the injuries, human rights activists said earlier this year.

Randa al-Kaleeb, a social worker from the hospital where Lama was admitted, said the girl’s back was broken and that she had been raped “everywhere”.

Reportedly, Ghamdi had tortured and raped his daughter after he had doubted her virginity.

Oh, why didn’t you say that he tortured and raped her repeatedly to maintain family honor? Now the sentence makes sense! Those slutty five year olds, turning on their fathers like that. How dare they!

In fact, this sentence is an improvement over what originally happened in this case.

Last February, Ghamdi was released from prison altogether because a judge figured the blood money was enough punishment for him. Apparently, an international outcry caused this re-sentencing.

This also shows the importance of shaming Arab countries into causing them to act like normal human beings, even if they fight it all the way.

Girl, 3, raped in Saudi: 5 arrested

Manama: Police in Saudi Arabia have arrested five people in connection with the rape of a three-year-old girl. The suspects, three men and two women, were apprehended in the Red Sea city of Jeddah, the police spokesman for the local police, Nawaf Al Bouq, said.

The case has been referred to the investigation commission and to the public prosecution, he said, local Arabic daily Okaz reported.

A private hospital had alerted the police about finding the girl in front of the front gate. The victim had bruises and bore traces of violence on her body and was bleeding in the vagina, the daily said. Her clothes were torn. The police launched a wide manhunt and were able to arrest the suspects who were remanded in custody pending the investigation.

Mohammad Ali, the hospital manager, told the daily that they received the girl at around 10pm on September 13 after she was found in front of the main gate. He added that she was suffering from physical violence and bleeding that indicated that she had been abused. “She has been in coma since then,” he said.

An eyewitness, Abdullah Mohammad Nasser, said that he was at the hospital that day and he saw a car dump the girl at the front gate before speeding away. The victim was screaming from the pain and then lapsed into a coma, he said.

অস্ত্রই ধর্ষণ তাদের

ফিসফিসিয়ে মেয়েটি বলল, ‘প্রথমে ওই লোক আমাকে মেরেছে। এরপর আমাকে বলেছে গা থেকে সব জামাকাপড় খুলে ফেলতে। তারপর সে আমাকে ধর্ষণ করেছে।’ মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহরের জনাকীর্ণ একটি আদালতে দাঁড়িয়ে সাত বছরের ওই মেয়েশিশু এভাবে তাকে ধর্ষণের ঘটনার কথা বর্ণনা করে। সে সময় আদালতে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ধর্ষক মং উইন। তিনি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর একজন সদস্য। গত ১১ নভেম্বর এই সেনাসদস্য শান রাজ্যের এই মেয়েশিশুকে ধর্ষণ করেন ।

৮ জানুয়ারির ঘটনা। কাচিন রাজ্যের মিতকিয়ানা-সামপ্রা বাম সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে সেখান থেকে তিনজন নারীকে নামিয়ে আনেন কয়েকজন সেনাসদস্য। তাঁদের মধ্যে দুজন নারী পালিয়ে যেতে পারলেও একজন গণধর্ষণের শিকার হন।

সংস্কার ও শান্তিপ্রক্রিয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অন্যান্য দাতা সংস্থা থেকে সহায়তা পেলেও মিয়ানমার সরকারের সেনারা জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে যচ্ছে।

থাইল্যান্ড-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা উইমেন্স লিগ অব বার্মা সম্প্রতি অভিযোগ করেছে, দমন করার অস্ত্র হিসেবে এখনো মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নারীদের ধর্ষণ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে বলেছে, অর্ধশতকের নিষ্ঠুর সামরিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় আসীন হওয়ার তিন বছর পরও মিয়ানমারের নারীরা সেনাদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। ২০১০ সালের পর ১০০টিরও বেশি ধর্ষণের ঘটনা জানা গেছে। এর মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৪৭টি। ধর্ষণের শিকার হয়েছে বহু শিশু। রেহাই পায়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীরাও।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাসমর্থিত সরকার দেশটির উত্তর ও পুর্বাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় বিশেষ করে কাচিন ও শান রাজ্যে দমন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলের সশস্ত্র জাতিগত গোষ্ঠীগুলো বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এসব ধর্ষণের ঘটনায় ২৮ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অস্ত্রধারী ও উর্দি পরা সেনা সদস্যরা ধর্ষণের ঘটনা ঘটান। ক্যাপ্টেন ও মেজর পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তারাও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত। ধর্ষকদের মধ্যে কমপক্ষে একজন মেজর জেনারেল রয়েছেন। অনেক নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে তাঁদের স্বামী বা অন্য স্বজনদের সামনে। এই প্রতিবেদনের লেখকদের ধারণা, জাতিগত মিলিশিয়াদের যাতে আর সমর্থন না করে, সে জন্য স্বামী বা অন্যদের সামনে নারীদের ধর্ষণ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জাতিগত গোষ্ঠীগুলোর মনোবল গুঁড়িয়ে দেওয়া ও তাদের ধ্বংস করার জন্য মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যৌন সহিংসতাকে তাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।

তবে মিয়ানমারের সরকার উইমেন্স লিগ অব বার্মার এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের মুখপাত্র ইয়ে হুতুত বলেন, ‘ধর্ষণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা আমাদের সামরিক বাহিনীর নীতি নয়। যদি কোথাও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে আমরা ওই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার চেষ্ট করি এবং দোষী প্রমাণিত হলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করি।’

বেসামরিক সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেও মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সরকারের সব ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব বজায় রেখেছে। পার্লামেন্টের ২৫ শতাংশ আসন সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দ।

এসব ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার বিষয়ে জানলেও সরকারের খুব কম কর্মকর্তাই সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেছেন। এমনকি দেশটির বিরোধীদলীয় ও গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চিও কোনো সমালোচনা করেননি, যিনি কিনা সাবেক সামরিক জান্তার আমলে ১৫ বছরেরও বেশি সময় গৃহবন্দী ছিলেন।

গত মাসে ইয়াঙ্গুনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা সু চিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তিনি সেনাবাহিনী কর্তৃক ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে জানেন কি না। সু চি তখন সেনাবাহিনীর সমালোচনা করার বদলে বলেন, যৌন সহিংসতার জন্য জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোও দায়ী।

সু চির এই কথায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন অনেকেই। তাঁরা বলছেন, সু চি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে চাইছেন। তাঁর এই ইচ্ছা পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে সেনাবাহিনী। আর সে কারণে তিনি সেনাবাহিনীর সমালোচনা করা ছেড়ে দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, তারা উইমেন্স লিগের এই প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত আছে এবং মিয়ানমারের সরকার ও সেনাবাহিনীকে এ ব্যাপারে তদন্ত করার এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে।পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যারি হার্ফ বলেন, গত তিন বছরে মিয়ানমারে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু তার পরও মানবাধিকার পরিস্থিতিসহ বেশ কিছু ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

উইমেন্স লিগ অব বার্মার সাধারণ সম্পাদক টিন টিন নিও বলেন, তাঁর সংগঠন যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা হিমশৈলের চূড়ামাত্র। ধর্ষণের শিকার নারী বা ধর্ষণের ঘটনার সাক্ষীদের কাছ থেকে তাঁরা এসব তথ্য জানতে পেরেছেন। যেসব এলাকায় বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, নিরাপত্তার কারণে সেসব জায়গায় গবেষকেরা যেতে পারছেন না।

উইমেন্স লিগের প্রতিবেদনে বলা হয়, বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা আদালতে ওঠে না। সামরিক আদালতে যেসব মামলা ওঠে, সেসব মামলার আসামিরা খুব দ্রুত খালাস পেয়ে যান। তবে মং উইনের ঘটনা ব্যতিক্রম। জনগণের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বেসামরিক আদালতে তাঁর বিচার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্র্যাং ডি বলেন, ‘ন্যায়বিচারের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’


 
প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাসমর্থিত সরকার দেশটির উত্তর ও পুর্বাঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় বিশেষ করে কাচিন ও শান রাজ্যে দমন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলের সশস্ত্র জাতিগত গোষ্ঠীগুলো বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় বেশির ভাগ ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এসব ধর্ষণের ঘটনায় ২৮ জন নারীর মৃত্যু হয়েছে।

এবার ধর্ষণের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, মোবাইলে ভিডিও

আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো নয়া দিল্লিতে। এবার শিকার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী। ১৯ বছরের ওই ছাত্রীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি অভিযুক্ত। মোবাইলে এই মনুষ্যেতরকাণ্ডের ভিডিও তুলেছে সে।

পীড়িতার দাবি, ওই ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করা হবে এমন ধমকি দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা আদায়ও করেছে ওই যুবক।

একদিকে শ্লীলতাহানির লজ্জা, অন্যদিকে ব্ল্যাকমেলের চাপ-জোড়া ফলায় বিদ্ধ মেয়েটি শেষমেশ পুলিশের কাছে সাহস জুটিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে।

জানা গিয়েছে, ভিন্ন ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিল্লির হজখাস থানা এলাকায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, ওই মেয়েটি এবং অভিযুক্ত ২১ বছরের যুবক, দুজনে মসজিদমঠ এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটি ক্লাস টেনে পড়ার সময় থেকেই যুবকটিকে চেনে।এখন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় থাকা একটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। যুবক বেকার।

মেয়েটি জানিয়েছে, বছর খানেক আগে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ওই যুবক তাঁকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটির ভিডিও তুলে রাখে সে। পরে সেই ভিডিওটি মেয়েটিকে দেখিয়ে প্রয়োজন পরলেই মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করত ওই যুবক। ক্রমশ টাকার চাহিদা বাড়ছিল।

এই ধকল সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ মেয়েটি সব কথা তার পরিবারকে জানায় এবং পুলিশে অভিযোগ করেন। পুলিশ যুবকটিকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

এবার ধর্ষণের শিকার খোদ পুলিস কর্তার মেয়ে

এবার ধর্ষণের শিকার খোদ পুলিস কর্তার মেয়ে। আসানসোলের সাব ইন্সপেক্টরের মেয়েকে ব্ল্যাক মেল করে বারবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। আজ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে হীরাপুর থানার পুলিস। ধৃতের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আসানসোল মহকুমা আদালত।

অভিযোগ, চলতি বছরের গোড়ায় সরস্বতী পুজোর দিন একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ভুলিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রটি। তারপর পানীয়ের সঙ্গে মাদক জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তাকে বেহুঁশ করে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর ছাত্রীর নগ্ন ছবি নিজের মোবাইলে ক্যামেরাবন্দি করে ছাত্রটি। সেই ছবি ইন্টারনেটে আপলোড করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। দিনকয়েক আগে ছাত্রটি ওইসব নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হতেই হীরাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার।

এবার পাঁচ নাবালকের ধর্ষণের শিকার নাবালিকা!

এবার ভারতের আসামের গুয়াহাটিতে এক নাবালিকা গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর পাঁচ ধর্ষকের সবাই মেয়েটির নাবালক প্রতিবেশী।
তার খেলার সাথিও। এদের প্রত্যেকের বয়স ১২ থেকে ১৬। এর মাধ্যমে আরো একবার কলঙ্কের জন্মদিলো ভারত। আরো একবার প্রশ্নের সম্মুখিন হলো নাবালকত্বের সংজ্ঞা। প্রশ্নের মুখে শৈশবের অর্থ।
১২ বছরের মেয়েটি খেলছিল তার পাঁচ বন্ধুর সাথে। সেই বন্ধুরাই তাকে একটি বাড়িতে ধরে নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে যৌন অত্যাচার ও ধর্ষণ চালায়!
ঘটনার পরের দিন কিশোরীর বাবা-মা তাকে বাড়িটি থেকে খুঁজে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
পাঁচ অভিযুক্ত কিশোর বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। বুধবার তাদের আদালতে হাজির করা হবে। নির্যাতনের শিকার মেয়েটি বর্তমানে আসামের ‘স্টেট হোম ফর উইমেন` এর পুনর্বাসণ কেন্দ্রে রয়েছে ।
দিল্লি গণধর্ষণে দোষী পাঁচ জনের মধ্যে যে নাবালক ছিল, তার ভূমিকা ছিল নৃশংসতম। চলন্ত বাসে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়েনি সে। মেয়েটির গোপনাঙ্গে একটি লোহার রড ঢুকিয়ে মারাত্মক জখমও করেছিলো।
এই ঘটনার পরপরই ভারতে বিতর্ক শুরু হয় ‘নাবালকত্ব’র বয়সসীমা নিয়ে। জোরালো দাবি উঠেছিল সাবালক হওয়ার বয়স ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ করার। কিন্তু সংসদে সেই দাবি খারিজ হয়ে যায়।
আসামের এই ঘটনা আরো একবার সেই বিতর্ককেই চাগিয়ে দিল।

 

কিশোরীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, প্রস্রাব পানে বাধ্য (ভিডিও)

নিউজ ডেস্ক: ঘটনাটি বর্বরতম, পৈশাচিকতম! রাজধানী ঢাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেই ক্ষ্যান্ত হননি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা। ওই কিশোরীকে দুই মাস ধরে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব পর্যন্ত পান করতে বাধ্য করেছেন কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী।

মিরপুরের বাসায় কাজল তার গৃহপরিচারিকা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। আর এ ঘটনা কিশোরী কাজলের স্ত্রীকে জানানোর পরেই তার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতনের খড়্গ।

 

রোববার চ্যাঞ্চলকর এই খবর প্রকাশ করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ২৪’। টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই কিশোরীকে ধর্ষণ, গরম তেলে হাত-পা ঝলসে দেয়া, শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ থেঁতলে দেয়া ছাড়াও তাকে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব খেতে বাধ্য করা হয়েছে।

কিশোরী টিভি চ্যানেলটিকে বলেন, ‘একদিন খুব খারাপ লাগছিল। আমি আন্টির (কাজল মোল্যার স্ত্রী) কাছে পানি চাই। এরপর তিনি প্রস্রাব করে তা এনে আমাকে খেতে বাধ্য করেন।’

এখানেই থেমে থাকেননি কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী। গরম তেল দিয়ে তার হাত ও পা ঝলসে দেয়া হয়। কিশোরী জানান, ‘গরম তেলে হাত ও পায়ে ফোঁসকা পড়ে। কিন্তু চিকিৎসা না করে আমাকে দিয়ে ঘর মোছা থেকে কাপড় ধুইতে বাধ্য করে।’

কিশোরী আরও বলেন, ‘রাতে আমাকে ঘরে শুইতে দিত না। বাথরুমেই রাত কাটাতাম।’

উল্লেখ্য, সিমিন হোসেন রিমি মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা। রিমি গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরআগে এই আসনে তার ভাই তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ জয়ী হয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের সাথে মতপার্থক্যের জেরে তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়িও গাজীপুরে। কাপাসিয়া উপজেলার বড়টেক গ্রামের দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান কিশোরীকে গৃহপরিচারিকা করে মিরপুরের বাসায় আনেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা।

এরপর তাকে দিয়ে কাজল লালসা মেটাতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী এ ঘটনা কাজলের স্ত্রীকে জানালে তার ওপর উল্টো আরও নির্যাতনের খড়্গ নেমে আসে।

কিশোরী বলেন, ‘স্যার একদিন আমাকে মোটা রডের পাইপ দিয়ে মারতে থাকেন। এ সময় আমি আনটির পা জড়িয়ে ধরে কাকুতি-মিনতি করি। তারা তখন আমার হাত-পা বেঁধে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে এভাবেও তৃপ্তি না পেয়ে ফ্লোরে শুইয়ে পেটাতে থাকেন।’

এভাবে নির্যাতনে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকদিন আগে রাতের আঁধারে কাপাসিয়ার বড়টেকের জঙ্গলে ফেলে রেখে আসে কাজল মোল্যার অনুগতরা। ঘটনা আড়াল করতে অনুগতদের দিয়ে ওই কিশোরীকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। আর তার বাড়িতেও পাহারা বসান কাজল, যাতে অন্যরা বিষয়টি না জানতে পারে।

এরপরও লোকমুখে ঘটনা জানাজানি হলে কাজল মোল্যা ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীর কাছ থেকে মিথ্যে জবানবন্দি নেন।

এ বিষয়ে কিশোরী টিভি চ্যানেল-কে বলেন, ‘একদিন ওসি আসেন। আমি তাকে বলতে বাধ্য হয়েছি যে, আমার হাতে-পায়ে একজিমা হয়েছে। এটা চিকিৎসায় স্যারেরা আমাকে ক্রিম কিনে দিয়েছেন। চিকিৎসাও করিয়েছেন।’

তিনি আরও জানান, ‘এ সময় কাজল স্যারের লোকেরা আমাকে হুমকি দেন- যদি তুমি এ ঘটনা তোমার মা-বাবাকে জানাও তাহলে তোমাকে গ্রাম ছাড়া করব।’

নির্যাতিতা কিশোরীর পিতা টিভি চ্যানেল- কে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনি থানায় গেলে পুলিশ কাজল মোল্যার নাম শুনে তাকে কোনো সহায়তা করেননি। উল্টো নানা রকম হয়রানি করেছেন।’

এখন কাজল মোল্যা ও তার অনুগতদের ভয়ে বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বন্দি জীবন-যাপন করছেন বলেও জানান নির্যাতিতার পিতা।

নির্যাতিতা ওই কিশোরী তার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় কাজল মোল্যা ও তার পরিবারের সস্যদের বিচার দাবি করেছেন।

পেলেকে আবার ম্যারাডোনা-তির

একই প্রশ্ন বারবার করলে অনেক সময় তো মুখ ফসকেও ভুল হয়! কেউবা বিনয়ী হয়েও প্রতিদ্বন্দ্বীর নাম বলেন। পেলে কিংবা ডিয়েগো ম্যারাডোনা অবশ্য সস্তা বিনয়ের ধার ধারেননি কখনোই। সর্বকালের সেরার প্রশ্নে তাঁদের মুখও কখনো ফসকায়নি! পেলের কাছে উত্তরটা যেমন পেলে, তেমনি ম্যারাডোনার কাছে ম্যারাডোনা। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি আরও একবার বললেন, ফুটবলে পেলে সব সময়ই দ্বিতীয় ছিল, এখনো তাই আছেন।
কথাটা পুরোনোই। তবে উপলক্ষটা অবশ্যই আলাদা। ১৩ জানুয়ারি জুরিখে বসে ছিল ফিফা-ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের অনুষ্ঠান। সেদিন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে ওঠে ফিফা-ব্যালন ডি’অর, পাশাপাশি পেলেকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মানসূচক ব্যালন ডি’অর। ব্রাজিলকে তিনবার (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০) বিশ্বকাপ জেতালেও পেলে কখনোই ফিফা-ব্যালন ডি’অর পাননি। তখন পুরস্কারটা দেওয়া হতো শুধু ইউরোপিয়ান খেলোয়াড়দের। ফুটবলের রাজাকে সম্মান জানাতে এবারই প্রথম বিশেষ সম্মানসূচক ব্যালন ডি’অর দেওয়া হলো ৭৩ বছর বয়সী পেলেকে।
জুরিখ থেকে এই পুরস্কার নিয়েই ব্রাজিল কিংবদন্তি যান সংযুক্ত আরব আমিরাতে। বিশ্বব্যাপী এমিরেটস এয়ারলাইনসের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন সেখানে। দুবাইয়ের ক্রীড়াদূত ম্যারাডোনা বর্তমানে আছেন দুবাইয়েই। পরশু দুবাইয়ের তৃণমূল ফুটবলারদের জন্য এক কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ম্যারাডোনা পেয়ে সাংবাদিকেরা তুললেন পেলের পুরস্কার পাওয়ার প্রসঙ্গটা। আর যায় কোথায়! প্রশ্নকর্তাকে ম্যারোডোনার স্বভাবসুলভ জবাব, ‘আপনি কীভাবে বলতে পারলেন, পেলে আমার আগে ব্যালন ডি’অর পেয়েছে? আমি পুরস্কারটি প্যারিসে পেয়েছি (১৯৯৬ সালে)। কাজেই আমার আগে পেলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পুরস্কারটি পেল, এটা বড় ভুল।’
প্রায় একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জেতানো ম্যারাডোনা এরপরই যোগ করেছেন, ‘যখন ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনার কথা বলবেন, আমার মতে, ফুটবলে পেলে সব সময়ই দ্বিতীয় স্থানে ছিল। এমনকি ব্রাজিলেও আয়ারটন সেনার (তিনবারের ফর্মুলা ওয়ান চ্যাম্পিয়ন) পর ও দ্বিতীয় সেরা ক্রীড়াবিদ। দুঃখের বিষয়, পেলে সব সময়ই দ্বিতীয় ছিল, এখনো তাই আছে, ভবিষ্যতেও তাই থাকবে।’ অন্য রকম একটা খোঁচাও মেরেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পুরস্কার দিতে গিয়ে পেলে ওর নাম বলেছে “ক্রিস্টিয়ানো লিওনার্দো”। এটাই প্রমাণ করে মানুষ হিসেবে তার মানসিক ভারসাম্য কোথায়।’
পেলেকে পুরস্কারটি দেওয়া ‘বড় ভুল’ হয়েছে, এমন দাবি করে ফিফাকেও একহাত নিয়েছেন ম্যারাডোনা, ‘আমি খুশি, আমি ফুটবল এবং আমার নিজের জন্য কাজ করছি। আমি দুবাইয়ে আমার বাড়িতেই আছি। কিন্তু পেলে তো থাকে ফিফায়।’ ওয়েবসাইট।

এবার ধর্ষণের শিকার সানি লিওন

ঢাকা, অক্টবর ০৭: ধর্ষণকে সারপ্রাইজ সেক্স মনে করতেন সানি লিওন। সানির কাছে এটি তেমন কোনও বিষয় বলে মনে হয়নি। ধর্ষণের বিষয়ে তার মতামত ছিলো, ‘এটা সারপ্রাইজ সেক্স’। কিন্তু তার এই ধারণা এবার পরিবর্তন হয়েছে। তিনি নিজেই এবার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এখন তিনি ধর্ষণকে কি মনে করেন তাই জানার বিষয়।

জানা যায়, ৫ অক্টোবর সকালে সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করেছে ধর্ষকচক্র। সে দিন সকালে সানির বাসায় ঢুকে ধর্ষকরা সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সানি।

জিসম২-তে অভিনয়ের পর ভারতে ব্যাপক আলোচনায় আসা সানিকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। আর এরপর একে এক অভিনয় করেন বেশ কিছু ছবিতে। ভারতের চলচ্চিত্রের প্রেমে পড়ে পর্নো অভিনয়ও ছেড়ে দেন তিনি। সম্প্রতি তার সেই খবরও ফলাও করে প্রকাশ করে গণমাধ্যম।

ঠিক তার কিছুদিন পরই ভারতের একটি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয় এই খবর। জানা যায়, ৫ অক্টোবর সকালে সানির বাসায় ঢুকে ধর্ষকরা সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সানি। তার অভিযোগের সূত্র ধরে মামলার প্রস্তুতিও চলছে বলে নিউজ পোর্টাল ইন্ডিয়া টাইম ন্যাশন জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি পাঁচ নারীর একজন ধর্ষণের শিকার

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় প্রতি পাঁচজন নারীর একজনই জীবনে কোনো না কোনো সময় ধর্ষণের শিকার হন। মোট সংখ্যার দিক থেকে এটি প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ। ভুক্তভোগী এই নারীদের প্রায় অর্ধেকই ১৮ বছর বয়সের আগে যৌন নির্যাতনের শিকার হন। গত বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে গড়পড়তা সব শ্রেণীর নারী রয়েছেন। তবে কোনো কোনো শ্রেণীর নারীরা অন্যদের তুলনায় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এসব শ্রেণীর মধ্যে বহুজাতি বা গোষ্ঠীর নারীর ধর্ষণের শিকার হওয়ার হার ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ও আলাস্কার নারী ২৭ শতাংশ, হিস্পানিক নারী ১৫ শতাংশ, কৃষ্ণাঙ্গ নারী ২২ শতাংশ ও শ্বেতাঙ্গ নারী ১৯ শতাংশ। নির্যাতনের বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে তরুণ জনগোষ্ঠী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকাংশ নারীই পরিচিতজনদের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হন। ধর্ষকদের প্রায় সবাই (৯৮ শতাংশ) পুরুষ। বিপুলসংখ্যক এসব নারীর পাশাপাশি ১৬ লাখ পুরুষও জীবনে কখনো না কখনো ধর্ষণের শিকার হন বলে উল্লেখ করা হয়েছে হোয়াইট হাউসের ওই প্রতিবেদনে। এসব পুরুষের এক-চতুর্থাংশের বেশি ১০ বছর বয়সের আগে নির্যাতনের শিকার হয়।
মার্কিন নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা দমনে অর্জিত অগ্রগতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সভাপতিত্বে হোয়াইট হাউস কাউন্সিলের মন্ত্রী পর্যায়ের একটি বৈঠক শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকের আগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো।
‘রেইপ অ্যান্ড সেক্সুয়াল অ্যাসাল্ট: এ রিনিউড কল টু অ্যাকশন’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির মতো ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলোর একটা রূপরেখা বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক রীতিনীতির পরিবর্তন, ফৌজদারি অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে অগ্রগতি, যৌন নির্যাতন থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর নানা সমস্যা এবং সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। পিটিআই।

রাজপুত্রের জন্য বিশেষ ছাড়

ব্রিটিশ সিংহাসনের ভবিষ্যত্ উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়ামকে অধ্যয়ন ফির বেলায় বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেখানে কৃষিব্যবস্থাপনা বিষয়ের ওপর একটি বিশেষ কোর্সের জন্য তিনি যে ফি দিচ্ছেন, বাস্তবে এর খরচাটা নাকি আরও বেশি বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমের দাবি।
যুক্তরাজ্যের মিরর পত্রিকার বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার অনলাইনের খবরে জানানো হয়, উইলিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়কে ১০ হাজার পাউন্ড (১২ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬৯ টাকা) দিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিব্যবস্থাপনার ওই কোর্সটি উইলিয়ামের জন্য বিশেষভাবে আয়োজন করেছে। মিররের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বিশেষভাবে আয়োজন করা হয়েছে বলেই ওই কোর্সের জন্য ফি বেশি হওয়ার কথা।
১০ সপ্তাহের এ কোর্সটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে প্রিন্স চার্লসের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে ‘ডাচি অব কর্নওয়াল’ জমিদারি পাওয়ার পর এ জ্ঞান তিনি কাজে লাগাতে পারেন।
রাজপুত্রের জন্য এই বিশাল ছাড় দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব স্টুডেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডোম অ্যান্ডারসন। তিনি বলেন, তাঁদের অবস্থা এমন নয় যে রাজপুত্রের পড়ার খরচ চালাতে রানিকে বাকিংহাম প্যালেস বন্ধক দিতে হবে। ৪০ কোটি পাউন্ডের উত্তরাধিকারী এ রাজপুত্রের চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও যোগ্য ও উপযুক্ত শিক্ষার্থী রয়েছেন। যতটা সুবিধা পাওয়ার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশিই পেয়ে থাকেন তাঁরা।

 

ব্যাটারির বাজারে দেশীয় সাফল্য

বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বাস্তবতা হলো, বেড়ে চলেছে ব্যাটারিচালিত রিকশা। কায়িক শ্রম কমাতে ব্যাটারির চাহিদা বাড়ছে এখন ত্রিচক্রযানেও। ক্রমবর্ধমান মোটরগাড়ির চাহিদা তো রয়েছেই। আবার গত কয়েক বছরে দেশে দ্রুত বেড়েছে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার। তাতেও বেড়েছে ব্যাটারির চাহিদা।
এভাবে চাহিদার বিস্তৃতি বড় করে তুলেছে দেশের ব্যাটারির বাজার। আর চাহিদা মেটাতে এই বাজারে প্রবেশ করেছে একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ফলে সব ধরনের মোটরগাড়ি, মোটরসাইকেল, আইপিএস, সোলার প্যানেলসহ বিভিন্ন যন্ত্রে ব্যবহারের জন্য ব্যাটারি উৎপাদন করছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান। বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।
স্বাধীনতার পর ব্যাটারি উৎপাদনে দেশে একটিমাত্র কারখানা ছিল। চার দশক পর এটি এখন শিল্প খাত হিসেবে বিস্তৃত হচ্ছে। তবে সম্ভাবনা থাকলেও সরকারের সুনজরের অভাবে এলোমেলোভাবে এই শিল্পটির বিকাশ হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। তাঁরা জানান, নীতি-সহায়তা পেলে দেশের অর্থনীতিতে আরও বেশি অবদান রাখতে পারবে এই খাত। রপ্তানির বিশাল এক সম্ভাবনা রয়েছে। সেটিকে কাজে লাগাতে হলে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি এই শিল্পটি যেন পরিবেশের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায়, সে জন্য যথাযথ উদ্যোগও দরকার।
দেশে ড্রাইসেল ও লিড অ্যাসিড—এই দুই ধরনের ব্যাটারি তৈরি হয়। পেনসিল ব্যাটারি হিসেবে বহুল পরিচিত পণ্যটিই ড্রাইসেল ব্যাটারি। তবে ড্রাইসেল ও লিড অ্যাসিড ব্যাটারি, দুটি আলাদা শিল্প। আর এই প্রতিবেদনটি মূলত লিড অ্যাসিড ব্যাটারি নিয়েই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, দেশে লিড অ্যাসিড ব্যাটারির বার্ষিক বাজার এখন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।
জানা গেছে, দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত দুই ধরনের লিড অ্যাসিড ব্যাটারি তৈরি করে থাকে—অটোমেটিভ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিপ সাইকেল। এ ছাড়া মোবাইল ফোন টাওয়ারের জন্য ব্যবহূত ভালভ রেগুলেটেড লিড অ্যাসিড (ভিআরএলএ) ব্যাটারির বড় বাজার আছে। এই ব্যাটারি তৈরিতে কয়েকটি দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা থাকলেও এখনো বাজারের বড় অংশ দখল করে আছে আমদানীকৃত ব্যাটারি। কারণ, মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো বিদেশি ব্যাটারিই সংগ্রহ করে থাকে।
বাংলাদেশ অ্যাকিউমুলেটর অ্যান্ড ব্যাটারি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএবিএমএ) তথ্যানুযায়ী, দেশে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বছরে ১৮ লাখের বেশি ব্যাটারি প্রস্তুত হয়। এর মধ্যে গাড়ি ও মোটরসাইকেলে ব্যবহূত অটোমেটিভ ব্যাটারি পাঁচ লাখ ৯০ হাজার, আইপিএস ও ইউপিএসের ব্যাটারি চার লাখ ৩৭ হাজার, জেনারেটর ও ভারী যন্ত্রপাতিতে ব্যবহূত ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাটারি এক লাখ এবং সোলার প্যানেলের ব্যাটারি সাত লাখ। এ ছাড়া দেশীয় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতকৃত অটোমেটিভ ব্যাটারি বিশ্বের ৫৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে বার্ষিক প্রায় ১০ লাখ পিস ব্যাটারি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে যার প্রায় পুরোটাই করছে রহিমআফরোজ।
বিএবিএমএর হিসাব অনুযায়ী, ছোট-বড় মিলিয়ে দেশে প্রায় ২০টি ব্যাটারি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সমিতির সদস্য ১২। এ খাতের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হচ্ছে রহিমআফরোজ। গ্লোবাট, লুকাস ও স্পার্ক ব্র্যান্ড নামে ব্যাটারি বাজারজাত করে প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া হ্যামকো, নাভানা ব্যাটারি, র‌্যাংগস, পান্না গ্রুপ, রিমসো ব্যাটারি অ্যান্ড কোম্পানি বর্তমানে লিড অ্যাসিড ব্যাটারির বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
জানা গেছে, বিভিন্ন ধরনের লিড অ্যাসিড ব্যাটারি তৈরির কাঁচামালের ৫০ শতাংশই কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত ও চীন থেকে আমদানি করতে হয়। তবে বাকি কাঁচামাল দেশেই পুনরুৎপাদনের (রিসাইক্লিং) মাধ্যমে পাওয়া যায়।
বিএবিএমএর সভাপতি ও রহিমআফরোজ গ্রুপের পরিচালক মুনওয়ার মিসবাহ মঈন প্রথম আলোকে জানান, প্রতিবছর ব্যাটারির চাহিদা বাড়ছে অটোমেটিভে ১০ শতাংশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিপ সাইকেলে ১৫ শতাংশ হারে।
১৯৫৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের লুকাস ব্যাটারি দেশে বাজারজাতকরণের কাজটি করত রহিমআফরোজ। সে সময় রাজধানীর নাখালপাড়ায় লুকাসের নিজস্ব কারাখানা ছিল। স্বাধীনতার পর লুকাস এ দেশ থেকে নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নেয়। আর লুকাসের কারখানাসহ ব্যাটারির বাজারটি হাতবদল হয়ে রহিমআফরোজের কাছে চলে আসে। ২০০০ সাল পর্যন্ত দেশের ব্যাটারির বাজারে এককভাবে নেতৃত্ব দেয় প্রতিষ্ঠানটি। ২০০০ সালের পর বড় আকারে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয় হ্যামকো, নাভানা, র‌্যাংগস, পান্না গ্রুপের মতো শিল্পপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এ খাতে প্রায় ১৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
নাভানা ব্যাটারির করপোরেট ম্যানেজার মজিবুল হক বলেন, রহিমআফরোজ ও হ্যামকোর পর বড় আকারে উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে ব্যাটারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয় নাভানা।
আবার ১৯৮০ সালের দিকে পুরান ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে ছোট্ট পরিসরে ব্যাটারির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি শুরু করে পান্না ব্যাটারি লিমিটেড। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি ‘ভলভো’ ব্র্যান্ড নামে সম্পূর্ণ তৈরি ব্যাটারি বাজারজাত শুরু করে।
নীতিসহায়তায় পাল্টাবে চিত্র: মুনওয়ার মিসবাহ মঈন বলেন, ‘ব্যাটারি তৈরির কাঁচামাল হিসেবে অ্যাসিডের ব্যবহার হয়। আবার উৎপাদন পর্যায় ও ব্যবহারের পর ব্যাটারি যেখানে-সেখানে ফেলে দেওয়ার মাধ্যমে পরিবেশের জন্য তা হুমকিও তৈরি করছে। দেশে যে পরিমাণ ব্যাটারি ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয়, তার ৫০ শতাংশ আমরা পুনঃ ব্যবহারযোগ্য বা রিসাইক্লিং করতে পারি। তাই পরিবেশের ক্ষতি এড়াতে এ ক্ষেত্রে সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’
পান্না ব্যাটারির উপব্যবস্থাপক (ব্র্যান্ড) জ্ঞানদীপ ঘোষ বলেন, ‘আমরা অটোমেটিক, আইপিএস, সোলার ও মোটরসাইকেল ব্যাটারি তৈরি করি। অটো বা ইজিবাইক ও টাওয়ারের জন্য ব্যবহূত ব্যাটারি তৈরির সক্ষমতাও আমাদের আছে। বর্তমানে এগুলো চীন থেকে আমদানি করা হয়। সরকার এই বিষয়টিতে নজর দিলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব।’
২৮,২৭,৫০০ পিস লিড অ্যাসিড ব্যাটারি তৈরি করে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো
অটোমেটিভ ৫,৯০,০০০
(সব ধরনের গাড়িতে ব্যবহূত হয়)
আইপিএস ৪,৩৭,৫০০
ইন্ডাস্ট্রিয়াল ১,০০,০০০
সোলার ৭,০০,০০০
১০ লাখ ব্যাটারি ৫৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে প্রতিবছর
“ব্যক্তি খাতের একক প্রচেষ্টায় ব্যাটারির বাজার বড় হয়ে উঠেছে। তাই এটিকে এখন শিল্প বিবেচনায় নিয়ে শিল্পসম্মত বিকাশে সরকারি সহায়তা দরকার। পাশাপাশি পরিবেশদূষণ রোধে সরকারকে কঠোর হতে হবে।
মুনওয়ার মিসবাহ মঈন
সভাপতি, বিএবিএমএ
সূত্র: বিএবিএমএ

ইন্টারনেটের বিকল্প প্রযুক্তি

ইন্টারনেটের বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে শুরু হয়েছে গবেষণা। বিকল্প ইন্টারনেট ব্যবস্থা হিসেবে বিটক্লাউড নামের একটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন মার্কিন গবেষকেরা। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর মাধ্যমে বিকল্প ইন্টারনেট-সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিটক্লাউড উদ্যোক্তাদের।
‘বিটকয়েন মাইনিং’ পদ্ধতির মতো পদ্ধতিতে বিটক্লাউডের সেবা দেওয়া হবে বলে দাবি করছেন এই প্রকল্পটির উদ্যোক্তারা। স্বাধীন গ্রাহক থেকে গ্রাহকের মধ্যে অনলাইন লেনদেনের ডিজিটাল মাধ্যম এটি। ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রটোকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রার নাম বিটকয়েন। এ ভারচুয়াল মুদ্রা লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পড়ে না।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিটক্লাউড পদ্ধতিতে অর্থের বিনিময়ে তথ্য সংরক্ষণ, রাউটিং ও ব্যান্ডউইথ দেওয়া সম্ভব হবে।বর্তমানে বিটক্লাউড তৈরির লক্ষ্যে ডেভেলপার খুঁজছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের দাবি, ইন্টারনেট বিকেন্দ্রীকরণ শুরু করবেন তাঁরা এবং নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে বর্তমানের ইন্টারনেট ব্যবস্থার বিকল্প গড়ে তুলবেন।
২০০৮ সালে বিটকয়েন উদ্ভাবন করেন কম্পিউটারবিজ্ঞানী সাতোশি নাকামোতো। এটি তাঁর ছদ্মনাম৷ বিটকয়েন ব্যবহার করে অনলাইনে খুব সহজে কেনা-বেচা করা যায় বলে এ মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন বা স্বাধীন গ্রাহক থেকে গ্রাহকের মধ্যে অনলাইন লেনদেন নামে অবহিত করা হয়। বিটকয়েনের লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। পিয়ার-টু-পিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত থাকা একাধিক কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মধ্যে বিটকয়েন লেনদেন হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভার ব্যবহারকারীর লেজার হালনাগাদ করে দেয়।

বিটকয়েনের ক্ষেত্রে কম্পিউটার যেভাবে কাজ করে, বিটক্লাউডের ক্ষেত্রেও ব্যক্তিগত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সেভাবে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।

অ্যান্ড্রয়েডের চাহিদা কমছে?

স্মার্টফোনের বাজারে বর্তমানে সিংহভাগই দখল করে আছে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। গুগলের তৈরি জনপ্রিয় এই মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম বাজারে থাকা অ্যাপলের আওএস থেকে এগিয়ে আছে বলে দাবি করা হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে স্মার্টফোন দুনিয়ার বেশির ভাগই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের দখলে আর এর পরপরই রয়েছে অ্যাপলের আইফোন। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বেশিসংখ্যক ব্যবহারকারীর হাতের নাগালে এসেছে। এর অন্যতম কারণ একাধিক নির্মাতা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম-চালিত স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ছে। অন্যদিকে আইওএস শুধু অ্যাপলের আইফোনের জন্যই। তবে এতকিছুর পরও সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েডের চাহিদা কমে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এর অন্যতম কারণ অ্যান্ড্রয়েড-চালিত অনেক কম দামি স্মার্টফোন বাজারে এসেছে। এসব ফোনের যন্ত্রপাতিও তেমন উন্নত নয় বলে ব্যবহারকারী মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।
এ নিয়ে পরিচালিত গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীরা প্রথম স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েডকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। এ হার ৬৫ শতাংশ। তবে আশঙ্কার কথা বলা হয়, পরেরবার স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড কেনার প্রবণতা কমে যাচ্ছে প্রায় ৪৯ শতাংশ। এর ফলে অ্যান্ড্রয়েডে হাতেখড়ি হলেও পরে অনেকেই আইফোনে চলে যাচ্ছেন। তাঁরা আর অ্যান্ড্রয়েডে ফিরে আসছেন না।
ব্যবহারকারীদের এ প্রবণতাকে ‘অ্যান্ড্রয়েড এনগেজমেন্ট প্যারাডক্স’ বলছেন গবেষকেরা। গবেষক দলের মুখপাত্র এ ব্যাপারে বলেন, অ্যান্ড্রয়েডের ব্যবহারকারী অনেক বেশি, তবে ব্যবহার-পরবর্তী অভিজ্ঞতা তেমন সুখকর নয় ব্যবহারকারীদের। এ কারণে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবহারকারীরা আর ঝুঁকে পড়ছেন আইফোনের দিকে। —ইএনগ্যাজেট অবলম্বনে কাজী আলম

তুরাগের তীরে লাখো মুসল্লি

বিমানবন্দর পার হওয়ার পরেই টঙ্গীমুখী বিশেষ জনস্রোতটি স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। বিশেষ বলা এ কারণে যে পথের উভয় পাশে চলমান অনেক লোকের মধ্যে তাঁদের আলাদা করে চেনা যাচ্ছিল বেশভূষা দেখেই। অধিকাংশের পরনে পাঞ্জাবি, মাথায় টুপি। হরেক রকমের বাহন তাঁদের। ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল, গণপরিবহনের মিনি বা দোতলা বাস, পিকআপ ভ্যান থেকে বাইসাইকেল পর্যন্ত। উপরন্তু, পদব্রজে ফুটপাত ধরে চলছেন মিছিলের মতো অসংখ্য জন। বেলা তখন সবে এগারো পেরিয়েছে।
আজমপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পথের পশ্চিম পাশে যানবাহনগুলো থমকে আছে। কচ্ছপের চেয়েও ধীর গতিতে দু-চার হাত এগিয়ে আবার থমকে যাচ্ছে মিনিট চার-পাঁচেকের জন্য। সেই জটলার ভেতর দিয়ে টঙ্গী সেতু পার হওয়ার পর সামনের দৃশ্য দেখে মনে হলো আক্ষরিক অর্থেই জনসমুদ্র। বিশ্ব ইজতেমার শুরুর দিন গতকাল শুক্রবার এই মহা জনসমারোহ সৃষ্টি হয়েছিল তুরাগতীরে।
ইজতেমায় মুসল্লিদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ২০১১ সাল থেকে তিন দিনের এই ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুটি পর্বে। এবার প্রথম পর্ব শুরু হলো পবিত্র জুমাবারে। দিনটি ছুটিরও। সে কারণে ঢাকা শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে অসংখ্য মুসল্লি ইজতেমার মাঠে আসছিলেন জুমার জামাতে অংশ নিতে। কাল রোববার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হবে। দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
তাবলিগের সাথিরা বুধবার থেকেই ইজতেমায় অংশ নিতে তুরাগতীরে সমবেত হতে থাকেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগেই তাঁদের উপস্থিতিতে মাঠ ভরে ওঠে। কারা ইজতেমার কোন পর্বে অংশ নেবেন, তা আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। খুবই সুশৃঙ্খল নিয়ম-পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এই বিশাল সমাবেশ এবং তাবলিগের দীনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিন দিনে ইজতেমার কার্যক্রম ৭২ ঘণ্টা। শেষ দিন দুপুরে আখেরি মোনাজাত হয় বলে বাকি সময়টুকু পূরণ করা হয় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগের দিন সন্ধ্যায় ‘আমবয়ানের’ মধ্য দিয়ে। সে অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকেই এবারের ইজতেমার আমবয়ান শুরু হয়েছিল। বয়ান করেছিলেন পাকিস্তানের মাওলানা আবদুল ওয়াহাব। গতকাল শুক্রবার বাদ ফজর বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইসমাইল হোসেন। জুমার নামাজে ইমামতি করেন ঢাকার মাওলানা জোবায়রুল হোসেন। এরপর বয়ান করেন মাওলানা মোহাম্মদ হোসেন। এবার দেশ-বিদেশের প্রায় ১০ লাখ মুসল্লি প্রথম পর্বে অংশ নিয়েছেন। বাড়তি ছিলেন জুমার নামাজে আসা মুসল্লিরা। ফলে কালো-কুটিল পানির মরা তুরাগতীর উছলে পড়েছিল জনবন্যায়। নদের সেতু, আশপাশের পথ, এমনকি আশপাশের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়েও জামাতে অংশ নেন অনেকে।
ইজতেমা উপলক্ষে ওই এলাকার পরিবেশটাই বদলে গেছে। মহাসড়ক থেকে মাঠ অভিমুখী পথগুলোর পাশ দিয়ে বসেছে হরেক রকমের পণ্যের পসরা। শীতের কাপড় থেকে শুরু করে ধর্মীয় বই, তসবি-টুপি-জায়নামাজ, চিড়া-গুড়, মাছ-গোস্ত, সবজি-লাকড়ি, প্লাস্টিকের মগ, বদনা, সেলফোনের চার্জার—কী নেই সেখানে!
এই বিপুল সরগরম পসরা পেরিয়ে মাঠে এলে আবার অন্যরকম পরিবেশ। লাখ লাখ মানুষ, অথচ তেমন উচ্চবাচ্য নেই। শামিয়ানা টানানো মাঠের পাশের পথে খানিক পরপরই আছেন তাবলিগের স্বেচ্ছাসেবীরা। জিজ্ঞাসা করা মাত্র তাঁরা অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে পথ বাতলে দিচ্ছেন কোন দিক দিয়ে কোন খিত্তায় যেতে হবে। মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ‘ভাই, জিকিরে ফিকিরে চলেন।’ শামিয়ানার তলায় হোগলার পাটি বিছানো। তার ওপর যে যার মতো বিছানা পেতে নিয়েছেন। হাঁড়ি-পাতিল, ব্যাগ, কাঁথা-কম্বল গুটিয়ে সামনে রাখা সারি দিয়ে। অধিকাংশই জিকির-আসকার বা নফল ইবাদতে মগ্ন। অন্যরাও কেউ কারও সঙ্গে তেমন কথাবার্তা বলছেন না। বললেও নিচু স্বরে, যেন অন্যের ইবাদতে ব্যাঘাত না ঘটে। খোলামেলা জায়গায় এত বড় সমাবেশে পিনপতন নীরবতা নামে না। তবু বয়ানের সময় সবাই এত মনোযোগী হয়ে ওঠেন শ্রবণে যে প্রগাঢ় নীরবতা নেমে আসে ময়দানে। সেই নীরবতার মধ্য দিয়ে দূর থেকে মাইকে ভেসে আসা বয়ানের কথাগুলো এক অপার্থিব অনুভূতির সৃষ্টি করে তন্ময় হয়ে থাকা শ্রোতাদের অন্তরে। পরম করুণাময় স্রষ্টার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ভক্তিতে ভরে ওঠে মন।
গতকাল জুমার আগেই শুরু হয়েছিল দুপুরের খাবার রান্নার পালা। তখন অন্য আরেক পরিবেশ। মাঠের চারপাশের কিনার দিয়ে মাটিতে গর্ত করে তৈরি শত শত চুলায় রান্না হচ্ছে ভাত, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, মাছ, গোস্ত, ডাল, সবজি—আরও কত কিছু। রোদঝলমলে দুপুরের হাওয়া তেল-ঝোল-মসলার গন্ধে ম-ম। যশোর শহরের পুলিশ লাইন এলাকার বাসিন্দা আবদুল আজিজ ও নওশাদ আলী এক বিরাট সসপ্যানে সবজি রান্না করছিলেন। তাঁরা জানালেন, ৩৭ জনের একটি দল নিয়ে এসেছেন। এখানে রান্নারও একটি নিয়ম আছে। একেক বেলায় পালা করে চার-পাঁচজন রান্না করেন। খাওয়ার রীতিটাও বেশ আলাদা। কেউ কেউ নিজের থালায় খান। তবে অনেকেই একটি বড় আকারের থালায় একত্রে চারজন করে খেতে বসেন। বাড়ি থেকে শীতের পিঠাপুলি, পায়েস—এসব এনেছেন কেউ কেউ। দেখা গেল, সেই খাবারগুলোও একত্র করে সবাই ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কারও কোনো অভিযোগ নেই। ব্যবস্থাপনা কিংবা কোনো কিছুর অভাব—এসব নিয়ে তাঁরা অভিযোগ করতে নারাজ। কিশোরগঞ্জের নুরুল হক, আবু বকর সিদ্দিক এমন অনেকের সঙ্গেই কথা বলে জানা গেল, সুবিধা-অসুবিধা কোনো বিষয় নয়। তাঁরা সবাই মনে করেন, আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য এখানে এসেছেন। কষ্ট হলেও যদি সেই মকসুদ পূরণ হয়, তাহলেই ইজতেমায় আসা সার্থক। এই আশা নিয়েই তুরাগতীরে এখন অবস্থান করছেন লাখ লাখ পুণ্যার্থী।
দুজনের মৃত্যু: ইজতেমায় অংশ নেওয়া সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানার মধ্য সেতুয়ালী গ্রামের আবদুল মজিদ (৬৫) ও কেরানীগঞ্জের ওমর আলী (৪৮) গত বৃহস্পতিবার রাতে হূদেরাগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। বাদ জুমা ইজতেমা মাঠেই তাঁদের জানাজা সম্পন্ন হয়।

 

দ্রুততম ব্রডব্যান্ডের সফল পরীক্ষা

লন্ডনে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড সংযোগ পরীক্ষায় সফল হয়েছেন ব্রিটিশ টেলিকম (বিটি) এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশান পণ্য নির্মাতা অ্যালকাটেল-লুসেন্টের বিজ্ঞানীরা। দ্রুততম ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপনের ওই পরীক্ষায় বিজ্ঞানীরা প্রতি সেকেন্ডে ১.৪ টেরাবাইট গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করেন সেন্ট্রাল লন্ডনের বিটি টাওয়ার থেকে ৪১০ কিলোমিটার দূরে ইপসউইচে। ওই গতিতে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪টি আনকম্প্রেসড এইচডি সিনেমার ফাইল পাঠানো সম্ভব

বার্তাসংস্থা বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দ্রুততম ব্রডব্যান্ড সংযোগ নিয়ে গবেষণায় এই সাফল্যের খবর নিশ্চিত করেছে বিটি এবং অ্রালক্যাটেল-লুসেন্ট উভয়ই।

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে বিটি ও অ্যালকাটেল-লিউসেন্টের এই সাফল্যে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক প্রভাবটি পড়বে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর।

ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনে ব্যবহৃত বর্তমান প্রযুক্তি কাজে লাগিয়েই যে ডেটা ট্রান্সফারের গতি ও পরিমাণ দুটিই বাড়ানো সম্ভব সেটাই প্রমাণ হয়েছে ওই পরীক্ষায়। সর্বোচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সংযোগের ওই পরীক্ষায় বিশ্বব্যাপী বহুল ব্যবহৃত ফাইবার অপটিক কেবল ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যালকাটেল-লুসেন্ট।

প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির ব্যান্ডউইথের চাহিদা বাড়ছে শতকরা ৩৫ শতাংশ হারে। এই অবস্থায় আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল গ্রাহকদের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইন্টারন্টে সংযোগের গতি বাড়ানো। সাম্প্রতিক গবেষণার নতুন এই সাফল্য আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আশার আলো জাগাবে এবং গ্রাহকদের দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের চাহিদা মেটাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছে অ্যালকাটেল-লিউসেন্ট।

জেমস বন্ডের স্পাই বাগ: গুগল ক্রোম

জেমস বন্ড সিরিজের সিনেমার গুগপ্তচরবৃত্তির ‘স্পাই বাগ’-এর মতোই ব্যবহার করা সম্ভব গুগল ক্রোম ব্রাউজার। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রাউজার হিসেবে পরিচিত গুগল ক্রোমে সম্প্রতি এমন এক বাগ আবিষ্কার করেছেন ইসারয়েলি কোডার তেল আতের যা ব্যবহার করে আড়িপাতা যাবে কম্পিউটারের আশপাশে উপস্থিতদের আলাপ আলোচনায়।

বার্তা সংস্থা বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিজস্ব স্পিচ রিকগনিশান সফটওয়্যার বানানোর সময় ক্রোমের ওই বাগটি আবিষ্কার করেন আতের। তবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বাগটি কোনো হুমকির কারণ হবে না বলে দাবি করেছে গুগল।

আতের তার আবিষ্কার সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন এক ব্লগ পোস্টে। ব্লগ পোস্টটির পাশাপাশি পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করার জন্য ভিডিও পোস্ট করেছেন আতের। একজন হ্যাকার কিভাবে বিশেষ কোড ব্যবহার করে ক্রোমের স্পিচ রিকগনিশন সিস্টেমটি চালু করে দিয়ে কম্পিউটারের আশপাশে উপস্থিত ব্যক্তিদের আলাপ আলোচনায় আড়িপাততে পাড়বে তাও ওই ভিডিওতে দেখিয়েছেন আতের।

আতের আরও জানিয়েছেন ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই গুগলকে অবহিত করা হয়েছিল ক্রোম ব্রাউজারের বাগটি নিয়ে। গুগল বাগটি ঠিক করার উপায় খুব অল্প সময়ে বের করে ফেললেও ক্রোমের নতুন আপডেটে রয়ে গেছে বাগটি।

এ ব্যাপারে গুগলের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ওই বাগটি নিয়ে আবারও তদন্ত শুরু করেছি, তবে এটি বড় কোনো হুমকি নয় বলেই মনে করি আমরা।’

পেটেন্ট মামলার রায়: দোষী স্যামসাং

দক্ষিণ কোরিয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাং প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপলের পেটেন্ট করা ‘ওয়ার্ড রিকমেন্ডেশন টেকনোলজি’-র অপব্যবহার করেছে বলে রায় দিয়েছে মার্কিন আদালত। পেটেন্টে আইন ভঙ্গের ওই মামলায় অ্যাপলের পক্ষে রায় দেন মার্কিন বিচারক লুসি কোহ, এর আগেও এই দুই প্রযুক্তি জায়ান্টের মামলার বিচারক ছিলেন তিনি।

বার্তাসংস্থা বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অ্যাপলের বিরুদ্ধে পেটেন্ট করা প্রযুক্তির অপব্যবহারের পাল্টা অভিযোগ আনলেও তা নাকচ করে দেন ওই বিচারক।

২০০৭ সালে স্টিভ জবস প্রথম আইফোন উন্মোচনের কয়েক মাস আগেই ‘অটো-ওয়ার্ড কমপ্লিট’ প্রযুক্তির পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছিল অ্যাপল। পেটেন্ট আইন ভঙ্গের অভিযোগের বিপরীতে স্যামসাংয়ের দাবি ছিল অ্যাপলের ওই পেটেন্ট কেবল ‘ফিজিকাল কিবোর্ড’ আছে এমন স্মার্টফোন আর ট্যাবলেটের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

কিন্তু অ্যাপলের পেটেন্ট আবেদনে নির্দিষ্ট কোনো ডিভাইসের কথা উল্লেখ ছিল না বলে স্যামসাংয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন আদালত।

আদালতের ‘রায় হতাশাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন স্যামসাংয়ের এক মুখপাত্র। তবে নিরবতা বজায় রাখছে অ্যাপল। আদালতের রায়ে মার্কিন বাজারে নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে স্যামসাংয়ের নেক্সাস স্মার্টফোন এবং গ্যালাক্সি নোট ফ্যাবলেটের উপর।

 

কক্সবাজারে ঘুড়ি উৎসব

কক্সবাজার সৈকতে সবচেয়ে বর্ণিল যে উৎসবটি হয়, সেটি সম্ভবত জাতীয় ঘুড়ি উৎসব। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তির আগের শুক্র ও শনিবার বিশ্বের দীর্ঘতম বেলাভূমিতে এ উৎসবের আয়োজন করে বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন।

রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ বছরের উৎসবটা বসছে নিয়মিত সময়ের কিছুটা পরে। এবারের জাতীয় ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে ৩১ জানুয়ারি ও ১ ফেব্রুয়ারি।

ঘুড়ি উৎসবের প্রধান জায়গাটি হল কক্সবাজারের লাবনী ও সুগন্ধা সমুদ্র সৈকত। নানান আয়োজনে পালন করা হয় এ উৎসব। কক্সবাজার সৈকতের আকাশ রাঙিয়ে এ ২দিন উড়ে বেড়ায় রং-বেরংয়ের হাজার ঘুড়ি।

কক্সবাজারে পৌঁছে প্রথম দিন সকালে সৈকতে ঘুড়ি উড়ানোর প্রস্তুতি আর মহড়া চলে। এ দিন বিকালে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। এবারের উৎসবের সূচনা করবেন চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুন।

উৎসবের আসল পর্বই হল সৈকতে ঘুড়ি উড়ানো। উৎসবের শুরুর দিনে উড়ানো হয় সহস্র ঘুড়ি, পকেট ঘুড়ি, ড্রাগন ঘুড়ি, ট্রেন ঘুড়ি, সিরিজ ঘুড়ি, স্ট্যান্ড ঘুড়িসহ নানান নামের, নানান রং ঢং-এর সব ঘুড়ি।

এছাড়া এদিন সন্ধ্যায় সৈকতে জ্বালানো হয় মঙ্গল প্রদীপ। আকাশে ওড়ানো হয় ফানুস আর আলোকিত ঘুড়ি। দাহ্য করা হয় প্রকৃতি বৈরী দানবের প্রতিকৃতি।

 

উৎসবের দ্বিতীয় দিনে থাকে ঘুড়ির কাটাকাটি প্রতিযোগিতা। আধুনিক ঘুড়ি প্রতিযোগিতা। মাইক্রো লাইট প্লেন উড্ডয়ন। পুস্প বর্ষণ আর সিংহ নাচ।

উৎসবের শেষে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

আয়োজকদের একজন আল মামুন মৃধা জানালেন উৎসবটি সবার জন্যই উম্মুক্ত। তবে আয়োজক দলের সঙ্গে ঢাকা থেকে গিয়ে এ উৎসবে অংশগ্রহন করতে চাইলে আগে থেকে যোগাযোগ করতে হবে।

যোগাযোগের ঠিকানা: বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন, ১, সিদ্ধেশ্বরী লেইন, ঢাকা। ফোন- ৮৩৫১৭৩৬।