স্বাধীনতার মহানায়কের জন্মদিন শনিবার

বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন শনিবার (১৭ মার্চ)। গোপালগঞ্জের নিভৃত গ্রাম টুঙ্গিপাড়ায় শেখ বাড়িতে ১৯২০ সালের এই দিনে বাংলার রাখাল রাজা শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার মহানায়কের এ জন্ম দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।টুঙ্গিপাড়ার সেই অজপাড়া গাঁয়ে জন্ম নেয়া এই শেখ মুজিবই একদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দেন। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পথ পেরিয়ে তিনি বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। যার বহি:প্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে। ৭১ এর ৭ মার্চ তিনি ঐতিহাসিক ভাষণে বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার চূড়ান্ত নির্দেশ দেন।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তি সংগ্রাম, তোমাদের যার কাছে যা কিছু আছে তাই নিয়েই প্রস্তুত থাক, আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো’ -বঙ্গবন্ধুর এই চূড়ান্ত আহ্বানই জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে শক্তি ও সাহস জোগায়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।

ব্রিটিশ আমলে শৈশব থেকেই শেখ মুজিব জমিদার, তালুকদার ও মহাজনদের অত্যাচার, শোষণ ও নির্যাতন দেখেছেন। মানুষের দুঃখ, কষ্ট দেখে তাদের মুক্তির সংগ্রামে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।
চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন পিতা শেখ লুৎফর রহমান ও মাতা সায়রা খাতুনের তৃতীয় সন্তান। ৭ বছর বয়সে তিনি পার্শ্ববর্তী গিমাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরবর্তীতে তিনি মাদারীপুর ইসলামিয়া হাইস্কুল, গোপালগঞ্জ সরকারি পাইলট স্কুল ও পরে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে লেখাপড়া করেন।

১৯৪২ সালে তিনি ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে কলকাতায় গিয়ে বিখ্যাত ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন এবং বেকার হোস্টেলে আবাসন গ্রহণ করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি বিএ পাস করেন। শেখ মুজিবুর রহমান এই সময়ে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এই সময়ে তিনি হোসেন সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশিমের মতো নেতাদের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় শান্তি স্থাপনে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অসম সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর তিনি পূর্ব বাংলায় চলে আসেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন দেন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

ভ্রান্ত দ্বি-জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠা পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পূর্ব বাংলা সফরে এসে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দিলে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ তথা বাঙালি জাতি প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। তার উপর নেমে আসে জেল-জুলুম নির্যাতন। রাজনৈতিক জীবনে এক যুগেরও বেশি সময় তিনি কারাগারে কাটিয়েছেন। দুইবার তিনি ফাঁসির কাষ্ঠে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন, ১৮ বার কারাবরণ করেছেন। পাকিস্তানি শাসক চক্রের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে সব আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য তৈরি করেছেন। ১৯৫২, ৫৪, ৬২, ৬৬ আর ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ৭০-এর নির্বাচনে বিজয় সবই জাতির সংগ্রামী ইতিহাসের একেকটি মাইলফলক। আর এই সংগ্রামের নেতৃত্ব ও প্রেরণার উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয় লাভের পর পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি লাভ করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ ভূমিতে ফিরে আসেন। দেশে এসেই যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় আত্মনিয়োগ করেন। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের এই মহান স্থপতিকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকের দল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা করে।

ফ্লাইট বিএস২১১ দুর্ঘটনা: হতাহতদের জন্য দোয়া-প্রার্থনা

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে প্লেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য সারাদেশে সব ধর্মের উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা আদায় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও আরোগ্য কামনা করা হয়।শুক্রবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনার। নগরীর অন্যান্য মসজিদ-মন্দির-গির্জা ও প্যাগোডায়ও হতাহতদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়েছে।এর আগে গত ১২ মার্চ প্লেন দুর্ঘটনায় ১৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক এবং ১৬ মার্চ (শুক্রবার) মসজিদ-মন্দিরসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে দোয়া-প্রার্থনা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। গত ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, গত ১২ মার্চ (সোমবার) নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিএস২১১ নম্বর ফ্লাইট বিধ্বস্ত হয়ে দেশি-বিদেশি ৫১ জন আরোহীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং তাদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্তিতা প্রকাশ করা হয়েছে।

রাজনীতি এবং খালেদার যাত্রাপথ

মানসিক প্রস্তুতি ছিল। রায় ঘোষণার আগেই গুছিয়ে নিয়েছিলেন সব। গৃহকর্মী ফাতেমাকেও বলেছিলেন, সেমতে প্রস্তুত হতে। কয়েকমাস থাকতে হতে পারে। ৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারে বন্দি সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির আইনজীবীদের একটি দল।পরামর্শ দিচ্ছেন বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই এমন কয়েকজন আইনজীবীও। খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের কথিত ভুল নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু আলোচনা হয়েছে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও একবার বলেছিলেন, আইনজীবীদের ভুলের কারণেই খালেদা জিয়া কারাগারে। কী ভুল তা অবশ্য তিনি খোলাসা করেননি। যদিও নিজেদের কোনো ভুল মানতে রাজি নন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা।
সে যাই হোক, গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকবার ‘বিস্ময়ের’ মুখোমুখি হয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। প্রথমবার তারা বিস্মিত হন যখন হাইকোর্ট জানায়, নথি দেখে জামিন আবেদনের ব্যাপারে আদেশ দেয়া হবে। এ ধরনের আদেশের জন্য তারা প্রস্তুত ছিলেন না। সিনিয়র আইনজীবীরা এ আদেশকে বলেছেন, নজিরবিহীন। পরে অবশ্য হাইকোর্ট জামিন দিলে বিএনপির আইনজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে। দলটির আইনজীবীদের কেউ কেউ আশা করেছিলেন, হাইকোর্ট জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর শিগগিরই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। কিন্তু দ্রুতই তাদের সে আশা ভাঙে। যখন জামিন মঞ্জুরের দিনই কুমিল্লার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে তাদের জন্য
আরো বিস্ময় অপেক্ষা করেছিল। যখন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে দেন তখন আক্ষরিক অর্থেই হতবাক হয়ে পড়েন তার আইনজীবীরা। শুনানির সুযোগ না পাওয়ায় এজলাস কক্ষেই তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এখন খালেদা জিয়ার জন্য কী অপেক্ষা করছে? জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তার জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও সরকারের লিভ টু আপিলের ওপর আপিল বিভাগে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে রোববার। এ মামলায় আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয় তার ওপর নির্ভর করছে বহু কিছু। তবে এ মামলায় জামিন বহাল থাকলেও সহসাই তার কারামুক্তি ঘটছে না। কারণ, কুমিল্লার সহিংসতার মামলায় তাকে জামিন পেতে হবে। ২৮শে মার্চ কুমিল্লার আদালতে ওই মামলার শুনানির কথা রয়েছে। এ ছাড়া, আরো অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে যেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, কারাগারে খালেদা জিয়ার পথ বেশ দীর্ঘ।
দুই ডজনের মতো বেশি মামলা দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। তার দল অবশ্য এখন এগুচ্ছে ধীরে সুস্থে। কারাগারে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়া দলকে কড়া নির্দেশনা দিয়ে গিয়েছিলেন যে, কোনো ধরনের হটকারিতায় জড়ানো যাবে না। সহিংস বা কঠোর কোনো কর্মসূচিও দেয়া যাবে না। নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে যতটা সম্ভব এগুনোর চেষ্টা করতে হবে। বিএনপি অবশ্য নেতার এ নির্দেশ পালন করেছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে তারা কঠোর কোনো কর্মসূচিতে যায়নি। উসকানি সত্ত্বেও পরিচয় দিচ্ছে ধৈর্যের। তবে দলটির মধ্যে নানা বিষয়ে অস্বস্তি এবং আতঙ্কও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা হেফাজতে ছাত্রদল নেতা জাকিরের মৃত্যু দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। রিমান্ড শেষে কারাগারে নেয়ার পর মৃত্যু হয় ঢাকা মহানগরের এই ছাত্রদল নেতার। তার দল এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
এই যখন অবস্থা তখন কী করবে বিএনপি। এটা ঠিক, বিএনপির সামনে আসলে বেশি কিছু করার পথও খোলা নেই। নানা সূত্রে জানা যাচ্ছে, দলটি আরো কিছু দিন ধৈর্য ধরবে। পরিস্থিতি যাই হোক কঠোর কোনো কর্মসূচিতে যাবে না। আগামী জুন-জুলাই মাস থেকে সর্বাত্মক আন্দোলনে যাওয়ার চেষ্টা করবে বিএনপি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রচলিত হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচিও তখন দেয়া হতে পারে। কিন্তু এতেও কতটা কাজ দেবে তা নিয়ে সন্দিহান বিএনপি। যদিও রাজনীতিতে কখনো কখনো পরিস্থিতি খুবই দ্রুত বদলায়।
ঢাকার একজন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আইনি নয়, বরং রাজনৈতিক। রাজনীতির গতিপথই ঠিক করবে শেষ পর্যন্ত তিনি কোথায় থাকবেন।

ফাইনাল-ওভার-ড্রামায় ফাইনালে বাংলাদেশ

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের অসাধারণ সাহসী ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দিলো বাংলাদেশ। আর এতে রোববার ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার ১৫৯ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রান করে। এক বল বাকি থাকতেই ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন মাহমুদুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত মাহমুদুল্লাহ অপরাজিত থাকলেন ৪৩ বলে। তিনি দুটি ছক্কা আর তিনটি চার মারেন তিনি।আর চারটি রান করতে পারলে টি-২০তে চতুর্থ বাংলাদেশী হিসেবে এক হাজার রানও হয়ে যেতো ম্যাচসেরা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের। শেষ ওভারের প্রথম দুই বল মোস্তাফিজুর রহমানের মাথার ওপর দিয়ে গেলেও আম্পয়াররা নো না দিলে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন রিয়াদ। কিন্তু তারপরেও তিন বলে ১২ রান তুলে স্তব্ধ করে দেন মাঠভর্তি দর্শককে। এ আসরে দুটি টি-২০তেই শ্রীলঙ্কাকে হারালো বাংলাদেশ।
৬ বলে চাই ১২ রান ১৮তম ওভারের শেষ বলে আউট হযে গেলেন সাকিব। ৯ বলে ৭ রান করেন তিনি। সংশয়ে পড়ে গেল বাংলাদেশ। ১৩৭ রান ৬ উইকেটে।১৮ বলে চাই ২৯ ১৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ১৩১। অধিনায়ক সাকিব আর সহ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ লড়ছেন। হঠাৎ চাপে বাংলাদেশ কাছাকাছি এসে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গেল বাংলাদেশ। প্রথমে মুশফিক। এরপর তামিম ও সৌম্য আউট। ১৪.৫ ওভারে বাংলাদেশ ১০৯/৫। ফিফটি করে আউট তামিম ঠিক ৫০ রান করেই আউট হয়ে গেলেন তামিম ইকবাল। ৪২ বল খেলেছিলেন তিনি। পঞ্চম ফিফটি করলেন তামিম। ১৪ ওভারে বাংলাদেশ ১০৫/৪। ৩৬ বলে চাই ৫৫ রান। বাংলাদেশের চার উইকেটের দুটিতে ক্যাচ নিয়েছেন থিসারা পেরেরা। আর একটি ক্যাচ ও স্টাম্পড করেন কুসাল পেরেরা। ২৮ রান করে আউট হয়ে গেলেন দুই খেলায় অপরাজিত থাকা মুশফিকুর রহীম। ১৩ ওভারে বাংলাদেশ ১০০/৩। ৪২ বলে চাই আর ৬০ রান।

এক ট্রাক থেকে ১২শ’ বাস

এক সময় মাত্র একটি ট্রাক ছিল তার। এখন তিনি একে একে ১২শ’ বাসের মালিক। দেশের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করে চলেছে তার বাসগুলো। এলাকায় তিনি ‘ফাদার অব ট্রান্সপোর্টেশন’ হিসেবেই পরিচিত।

সংগ্রামী ও সফল এই মানুষটির নাম জয়নাল আবেদীন। হানিফ এন্টারপ্রাইজের স্বপ্নদ্রষ্টা তিনি। জীবনের শুরুটা বেশ বন্ধুর ছিল তার। তবে তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হন নিরলস শ্রম আর কঠোর অধ্যাবসায়ে।

তার হাত ধরেই বিকশিত হয়েছে দেশের পরিবহন খাত। গণপরিবহনে তার ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে সবাই। এলাকার মানুষ তাকে ডাকেন জয়না মহাজন নামে।

জয়নাল আবেদীনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকার সাভারে। মাত্র একটি ট্রাক নিয়ে পথ চলা শুরু। পরবর্তীতে শুরু কোচ ব্যবসা। গড়ে তোলেন পরিবহন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‌‘হানিফ এন্টারপ্রাইজ’। ছোট ছেলে হানিফের নামেই গড়ে তুলেছিলেন হানিফ এন্টারপ্রাইজ। তারপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি।

পেট্রোল পাম্প, সিএনজি স্টেশন, ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং, কোল্ডস্টোরেজ, পানীয় ও প্রকাশনা ব্যবসাও গড়ে তুলেছেন এ স্বপ্নবাজ মানুষ। পরবর্তীতে যেখানেই হাত দিয়েছেন সোনা ফলিয়েছেন সেখানেই।

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ করিডোর পাচ্ছে ভারত

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ করিডোর পাচ্ছে ভারত। এর আওতায় দেশটির এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদুৎ সঞ্চালনের সুবিধা পাবে। এ বিষয়ে দুই দেশের নীতি নির্ধারকদের মধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্রাকসমীক্ষা যাচাই শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালিত হবে। তবে করিডোরে বাংলাদেশের প্রাপ্য সুবিধা সম্পর্কে এখনও কোনো পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার রূপসী বাংলা হোটেলে অনুষ্ঠিত ভারত-বাংলাদেশ যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির সপ্তম বৈঠক শেষে বাংলাদেশের বিদ্যুৎসচিব মনোয়ার ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বিদ্যুৎ করিডোর, ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিসহ নানা বিষয়ে অবহিত করেন সচিব। এসময় ভারতের বিদ্যুৎসচিব পিকে সিনহা উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যুতের করিডোর দিয়ে বাংলাদেশের কী লাভ হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সচিব বলেন, ‘বিষয়টিতে এখনই লাভ-লোকসান কষা হয়নি।’

আর ভারতের বিদ্যুৎসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ পাওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে, তবে বিষয়টি নির্ভর করছে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের পরিমাণের ওপর।’

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে পিকে সিনহা বলেন, ‘প্রকল্পটিতে বাংলাদেশ এবং ভারতের ১৫ শতাংশ করে মোট ৩০ শতাংশ অর্থায়ন থাকছে। বাকি ৭০ শতাংশ অর্থ আসবে ঋণের মাধ্যমে। তবে, ভারত ১৫ শতাংশ বিনিয়োগ করলেও এখান থেকে কোনো বিদ্যুৎ নেবে না।’

বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক নিলুফার আহমেদ, বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব আনোয়ার হোসেন, পিডিবি’র বোর্ড সদস্য তমাল চক্রবর্তী, পিজিসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম আল বেরুনী।

অপরপক্ষে ভারতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ, ভারতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব যুথি আরোরা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার সন্দীপ চক্রবর্তী, ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানির (এনটিপিসি) চেয়ারম্যান অরূপ রায় চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ভারতের বিদ্যুৎ সচিবের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দল গত ১ এপ্রিল সকালে ঢাকায় আসে। প্রতিনিধিদলটি বাগেরহাটে সুন্দরবনের কাছে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকাও পরিদর্শন করে।

বিজয়ীদের শপথ গ্রহণে বাধা দিচ্ছে সরকার : বিএনপি

উপজেলা নির্বাচনে বিরোধীদল সমর্থিত বিজয়ী চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সালাহউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা নির্বাচনে বিরোধীদল সমর্থিত বিজয়ী চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের আগে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেকেই মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না।

তিনি বলেন, অনেকের বিরুদ্ধেই সাজানো ও বানোয়াট মামলা দেয়া হচ্ছে, যাতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে না পারে। মনে হচ্ছে আওয়ামী বাকশালীদের ক্ষমতার শেষ বসন্ত উৎযাপিত হচ্ছে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন জনগণ বর্জন করলেও উপজেলা নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য, শান্তিপূর্ণ এবং সবার অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ভেবে জনগণ নির্বাচনী মহোৎসবে মেতে ওঠার আশা বুকে ধারণ করেছিল। কিন্তু তা নিরাশায় পর্যবসিত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও সরকারের অত্যন্ত আজ্ঞাবহ ক্রীতদাসের ভূমিকা পালন করেছে। এখানে সরকার কিংবা নির্বাচন কমিশনের নিকট জনগণ, বিরোধী রাজনৈতিক দল, বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ এবং বিদ্বজ্জন কারো মতামত বা সমালোচনা বিবেচ্য বিষয় নয়।

এছাড়া উপজেলা নির্বাচনের প্রতিটি ধাপেই আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় রেখে সরকার সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের জেতাতে অপদার্থ নির্বাচন কমিশন নির্লজ্জ ভূমিকা পালন করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

খবরের কাগজের বরাত দিয়ে তিনি বলেন,নোয়াখালীর হাতিয়া, সুবর্ণচর, বাগেরহাটের রামপাল, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও চৌহালী, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর, কক্সবাজারের উখিয়া, ঝিনাইদহের কালিগঞ্জসহ সারাদেশে বিভিন্ন উপজেলায় বিরোধী দল সমর্থিত প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর, দোকান-পাট লুটপাট, ভাঙচুর, দলীয় কার্যালয় ভাংচুর, নেতা-কর্মীদের মারধর, মামলা-হামলা অব্যাহত রয়েছে।

আশা প্রকাশ করে তিন বলেন, দেশের মুক্তিকামী জনগণ ধৈর্য, সংযম, এবং শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে গণআন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতালোভীদের চিরকাল ক্ষমতাভোগের দিবাস্বপ্নকে চুরমার করে দেবে।

এ সময় ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, খায়রুল কবির খোকন, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আব্দুল লতিফ জনি, আসুদুল করিম শাহীন ও আব্দুস সালাম।

চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে বিষক্রিয়ায় নিহত ৪

সীতাকুণ্ডের কদম রসুল এলাকায় আরেফিন শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আরও ৪ জন।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, শিপ ইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।

ঘটনাস্থলে থাকা ইয়ার্ডের মালিক কামাল উদ্দিনের ছোট ভাই গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘কাটার জন্য পুরনো একটি জাহাজ শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে রাখা হয়। পুরনো ইলেকট্রিক মালামাল ক্রয় করার জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে ৮ জনের একটি ব্যবসায়ী দল জাহাজটিতে উঠেন। তারা নিজ থেকে সেখানে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা কার্বন-ডাই-অক্সাইডের বোতলের চিপ খুলেন। এসময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সবাই অজ্ঞান হয়ে জাহাজে লুটিয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে নগরীর অক্সিজেন আল আমিন বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়া হয়েছে।’

৬০ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি অনুমোদন

পাঁচ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে ৬০ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি (আরএডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৩৮ হাজার আটশ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২১ হাজার দুইশ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

পাঁচ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে ৬০ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপি (আরএডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৩৮ হাজার আটশ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২১ হাজার দুইশ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। সংশোধিত এডিপিকে পদ্মা সেতুর বরাদ্দ দুই হাজার ৪২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা কমানো হয়েছে। মূল এডিপিতে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ছয় হাজার আটশ ৮৮ কোটি টাকা।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় পরিকল্পনা সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাড়তি পাঁচ হাজার কোটি টাকা পরবর্তীতে ভালো কাজে বরাদ্দ দেওয়া হবে।’ অর্থমন্ত্রীকে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘তিনি অত্যন্ত মুরব্বি মানুষ। তিনি এ বয়সে যা করেন সেটি অনেক। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলব না।’

৫৫ হাজার কোটি টাকা ধরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে পরিবহন খাতে। এ খাতের সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলওয়ে, নৌ ও বেসামরিক পরিবহনসহ মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯ হাজার চারশ ৫০ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ছয় হাজার ৯৩৮ কোটি ৮৭ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে দুই হাজার পাঁচশ ১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ খাত। এ খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাত হাজার আটশ চার কোটি ১১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের চার হাজার পাঁচশ ৯৫ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে তিন হাজার দুইশ ৯ কোটি ১১ লাখ টাকা।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা শিক্ষা ও ধর্ম খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাত হাজার একশ ৮৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের পাঁচ হাজার পাঁচশ ৭৩ কোটি ৪৬ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে এক হাজার ছয়শ ১৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

অন্যান্য খাতে বরাদ্দ হচ্ছে, কৃষি খাতে তিন হাজার একশ ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের দুই হাজার একশ ১০ কোটি ৮৫ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে এক হাজার ৭২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান খাতে মোট ছয় হাজার ৭০ কোটি ১১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের তিন হাজার ৯৪৩ কোটি ৭০ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে দুই হাজার একশ ২৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা। পানিসম্পদ খাতে মোট বরাদ্দ এক হাজার ছয়শ ৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের এক হাজার একশ ৮৭ কোটি ৯৪ লাখ এবং বৈদেশিকসহায়তা থেকে চারশ ৪৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

শিল্প খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দুই হাজার সাতশ ১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের পাঁচশ ২৩ কোটি পাঁচ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে দুই হাজার একশ ৯৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। তৈল, গ্যাস ও প্রাকৃতিক সম্পদ খাতে মোট বরাদ্দ এক হাজার ছয়শ ৪২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের এক হাজার ৬৫ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে পাঁচশ ৭৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

যোগাযোগ খাতে মোট বরাদ্দ ৭৮৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১৭৮ কোটি ৯৬ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬০৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ন খাতে মোট প্রস্তাবিত বরাদ্দ ৪ হাজার ৭২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৩ হাজার ৩১ কোটি ৩১ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১ হাজার ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতে মোট ২৫৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ২৪১ কোটি ২৮ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১৪ কোটি ৬৪ টাকা।

স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ খাতে মোট বরাদ্দ ৪ হাজার ১০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১ হাজার ৫০৮ কোটি ৮০ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২ হ্জাার ৫০১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। গণসংযোগ খাতে মোট বরাদ্দ ৮১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৬৮ কোটি ৯০ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১৩ কোটি টাকা। সমাজকল্যাণ, মহিলা বিষয়ক ও যুব উন্নয়ন খাতে মোট বরাদ্দ ৪৪৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ২৩৪ কোটি ৪২ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২১৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। জনপ্রশাসন খাতে মোট বরাদ্দ ১ হাজার ৩১০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৩৬৬ কোটি ৯ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৯৪৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১ হাজার ৫২১ কোটি ৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৪৯২ কোটি ২৫ লাখ এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১ হাজার ২৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এ ছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান খাতে মোট বরাদ্দ ৩৩১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ২২৪ কোটি এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১০৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

সাদ হত্যাকাণ্ড : বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপকের পদত্যাগ

ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সায়াদ ইবনে মোমতাজকে হত্যাসংক্রান্ত চলমান ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুলতান উদ্দীন ভূঁইয়া এবং ছাত্রবিষয়ক বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মত ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করে সকল অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

জানা যায়, ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন থেকে উপাচার্যের বাসার সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। পরে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে তিন দফা দাবি পেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

এদিকে আগামী সোমবারের মধ্যে অভিযুক্তদের আটক ও উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা সব ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান তারা।

সোমবারের মধ্যে দাবি কার্যকর না হলে সোমবারের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা।

“কোয়েল মল্লিকের”

ভারতীয় বাংলা মুভির নায়িকা “কোয়েল মল্লিকের” ScAnDaL
প্রথমেই বলে রাখি যারা নিজ চোঁখে কিছু দেখেও বিশ্বাস করতে চান না তাদের এই ScAnDaL টি নামানোর কোন প্রয়োজন নেই। অনেকে আছেন তারা ঠিকি দেখতেছে যে এটা সত্যি তার পরেও বিশ্বাস করতে চান না বা শিকার করে না। তাই তাদের কাছে আমি কোন কিছু শেয়ার করতে আগ্রহী নই।
কিছু কথাঃ আমি চিন্তা ও করতে পারি নি যে “কোয়েল মল্লিক” এর ScAnDaL দেখবো!! আমি শুধু মনে করতাম আমাদের এপারের বাংলাই মনেহয় ScAnDaL এ ভর্তি হয়েগেছে এখন দেখি সব যায়গাতেই একি অবস্থা। ওপার আমাদের থেকে অনেক অংশেই এগিয়ে আছে তবে আর এই দিক দিয়েই বা পিছিয়ে থাকবে কেনো?
আর হ্যাঁ অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আমি শুধু আপনাদের মাঝে শেয়ার করতেই থাকবো আর আপনারা মজা লুটতেই থাকবেন কিন্তু কোন ভালো/মন্দ কমেন্ট করবেন না তা হতে পারে না। আপনারা যদি কমেন্টকরেন আপনাদের মন্তব্য শেয়ার করেন তবে সামনে আপনাদের জন্য আরো আকর্ষণীয় কিছু নিয়ে হাজিরহবো!
ডাউনলোড করে নিন এখুনি  

তিশা-শিহাব শাহীনের সেক্স ভিডিও নিয়ে সারাদেশ তোলপাড়!

1384481569tisha-sexদেশী তারকাদের স্ক্যান্ডাল যেন এখন ডাল-ভাত হয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার প্রকাশ পেল জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিশার সেক্স ভিডিও। এক টিভি নাটক নির্মাতার সঙ্গে তিশার রোমাঞ্চকর এ ভিডিও এখন প্রায় সবার হাতে হাতে। ধারনা করা হশ্চ্হে সেক্স ভিডিওর লোকটি মংফড়িংগের গল্পর জনপ্রিয় নাটক নির্মাতা শিহাব শাহীন। ভিডিও প্রকাশ হয়েছেন ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। তবে এ নিয়ে এখনো মুখ খোলেননি তিশা বা শিহাব শাহীন কেউই। তবে ভিডিওটি পুরোপুরি স্পষ্ট থাকায় তিশাকে চিনতে কোন সমস্যা হচ্ছে না। এর আগে ভিডিও স্ক্যান্ডালে পড়েন সারিকাও। ইন্টারনেটে বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটে সারিকার নামে একটি পর্ণো ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিও চিত্রটিও সেলফোন, মনিটরে ঘুরে ঘুরে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রকাশিত ভিডিওর নারী চরিত্রটি সারিকা বলে বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা মত দিয়েছেন। তবে হালের প্রকাশিত তিশা-শিহাব শাহীনের সেক্স ভিডিও নিয়ে কি বলবেন আপনারা? তিশার সেক্স স্ক্যান্ডাল! অপপ্রচারের শিকার!
তারকাদের নিয়ে অপপ্রচার নতুন কিছু নয়। এবার সে অপপ্রচারের শিকার হলেন হালের জনপ্রিয় টিভি তারকা তিশা। গত কয়েকদিন ধরেই পরিকল্পিতভাবে তার নামে ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে একটি মহল। ফেসবুকে কুরুচিপূর্ন পেজ খুলে তা দিয়েই প্রচার করা হচ্ছে তার নামে নানা অশ্লীল তথ্য।নাম প্রকাশ অযোগ্য একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হচ্ছে, এবার বের হয়েছে তিশার সেক্স স্ক্যান্ডাল। আর তার সঙ্গে নাকি যে পুরুষটিকে দেখা যাচ্ছে তিনি নাট্য নির্মাতা শিহাব শাহীন। পেজটি থেকে এও বলা হচ্ছে, ভিডিওটিতে স্পষ্টভাবে তিশার চেহারা বোঝা যাচ্ছে।
এমনকি ভিডিওটি ডাউনলোডের জন্য একটি লিংকও দেওয়া হয়েছে। যদিও সে লিংকে গিয়ে কোন ভিডিও পাওয়া যায়নি। তারপরেও পেজটি থেকে ঘন্টায় ঘন্টায় এমন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ফেসবুকে এমন সব অশ্লীল পেজ খুলে প্রায়ই তারকাদের নামে স্ক্যান্ডাল ছড়ানো হচ্ছে। যার কোনটিরই কোন ভিত্তি নেই।
এ প্রসঙ্গে তিশার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এমন তথ্য আমার কাছেও এসেছে। যারা এসব করছে তারা অসুস্থ মস্তিস্কের মানুষ।
তিশার একটি ঘনিষ্ট সুত্র জানিয়েছে, অনেকেই বলছেন তিশার SCANDAL বাজারে…
তাদের সবাইকে ছবিটি ভাল করে দেখার অনুরোধ করব… ভিডিওটিতে যে মেয়েটি ছিল তা আমাদের তিশা নন, শুধু শুধু দেশের একটি মেয়ের নামে এভাবে বদনাম করবেন না, যেখানে তার নিজের কোন দোষ নেই…তার বদনাম মানে আমাদের বদনাম..
– See more at:

ঐশী টেস্ট রিপোর্ট বদলে গেছে

পুরাই মাথা নষ্ট 一 Funny World BD . · 138,786 like this
August 22, 2013 at 9:10pm ·
ঐশীর বয়স ১৯ বছর ৬ দিন!
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি)পরিদর্শক
মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্ন রহমানের
খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার মেয়ে ঐশী রহমান
শিশু নয়। তার বয়স ১৯ বছর ৬দিন।
বাংলাদেশের শিশু আইনেও সে শিশু নয়।
গোয়ন্দা পুলিশ ঐশীর এ বয়স
সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে। এরফলে ঐশী শিশু
না সাবালিকা সে বিতর্কের নিরসন হলো।
গেয়েন্দা সূত্র দাবি করেছে, মানবাধিকার
সংস্থার পক্ষে আপত্তি তোলার আগেই
তারা ঐশীর জন্মবৃত্তান্ত সংগ্রহ করেছেন।
বৃহস্পতিবার ঐশীর বয়স হবে ১৯ বছর ৬
দিন।
নাম প্রকামে অনিচ্ছুক পুলিশের এক
কর্মকর্তা জানায়, ঐশী রহমানের
বাবা মাহফুজুর রহমান ১৯৯৪ সালে খুলনায়
কর্মরত ছিলেন। আর ঐশীর জন্ম
হয়েছে খুলনাতেই। ১৯৯৪ সালের ১৭ আগস্ট
ঐশী রহমানের জন্ম হয়। তার জন্ম হয়
খুলনা প্রেস ক্লাব সংলগ্ন মিশু ক্লিনিকে।
ক্লিনিক মালিকের নাম আবদুর রহিম। ওই
সময় যে চিকিৎসক ঐশীর মায়ের
চিকিৎসা সেবার দায়িত্বে ছিলেন তার নামও
জানা গেছে।
গোয়েন্দারা জানায়, ঐশী রহমানের জন্ম
হওয়ার আগে তার মা ওই ক্লিনিকের
চিকিৎসক ডাক্তার নাসরীনের
তত্ত্বাবধানে ছিলেন। ১৯৯৪ সালের ১৭
আগস্ট স্বপ্না রহমান মিশু
ক্লিনিকে ভর্তি হলে তার সাধারণ
ডেলিভারি হয়।
ডা. নাসরীন জানান, ঐশী রহমানের
মা স্বপ্না রহমান তার পেশেন্ট ছিলেন। জন্ম
হওয়ার আগ থেকে তিনি তার তত্ত্বাবধান
করেন। তিনি ঐশীর পরিবারের সাথে পরিচিত।
মিশু ক্লিনিকে ৯৪ সালের নথিতেও মিলেছে এই
তথ্য।
তবে বয়স নির্ধারণ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার
জন্য ঐশী রহমান ও সুমীকে বুধবার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ঐশীর বয়স
পরীক্ষার জন্য তার দাঁতের পরীক্ষা ও
হাড়ের এক্স-রে করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের
সহকারী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন,
দ্রুত এ ফলাফল জানা যাবে।

পুলিশ কর্মকর্তার গুনধর মেয়ে ঐশী · 11,068 like this
September 21, 2013 at 5:37am ·
কুমারী মেয়ে ইউরিন টেস্ট করাতে গেছে!টেস্ট রিপোর্ট বদলে গেছে:
ডাক্তার:U ARE PREGNANT!

:

নারী, মাদক, সফটওয়্যার আর ম্যাকাফি

রহস্যময় বর্ণিল এক মানুষ জন ম্যাকাফি। কিন্তু কে আসল ম্যাকাফি? কুখ্যাত মাফিয়া, মাদক আর নারী কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগ মাথায় নিয়ে বেড়ানো ব্যক্তিটি, নাকি বিশ্বের বিখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির প্রতিষ্ঠাতা? সম্প্রতি বিবিসি অনলাইন জন ম্যাকাফিকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে উঠে এসেছে ম্যাকাফির জীবনের নানা অধ্যায়।
গোপন একটি প্রকল্প নিয়ে আবারও আলোচনায় ম্যাকাফি। কয়েক বছর ধরেই তিনি গোপনে একটি যন্ত্র নির্মাণ করে যাচ্ছেন। ম্যাকাফির দাবি, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নজরদারি থেকে আড়াল করতে পারবেন তিনি।
মার্কিন গোয়েন্দারা সবার ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারি করছেন এমন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন সিআইএর সাবেক কর্মী অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন। এ তথ্য ফাঁস করার পর বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারির বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। গোয়েন্দারা যাতে ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ১০০ মার্কিন ডলার দামের একটি প্রযুক্তিপণ্য তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন ম্যাকাফি। যন্ত্রটির নাম ‘ডি-সেন্ট্রাল’। যন্ত্রটি মুঠোফোন ও অন্যান্য পণ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। যন্ত্রটি নিজস্ব ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা তৈরি করতে সক্ষম হবে, যাতে ব্যবহারকারী ছাড়া আর কারও পক্ষে নজরদারি সম্ভব হবে না বলেই দাবি করেন ম্যাকাফি।

ডি-সেন্ট্রাল তৈরির কথা জানানোর আগে থেকেই প্রযুক্তি বিশ্বে ‘কিংবদন্তি’ হিসেবে খ্যাতি জুটেছে তাঁর। কিন্তু ম্যাকাফির ‘গোপন’ জীবনের ঘটনার সঙ্গে মানুষের পরিচয় ঘটে ২০১২ সালে। এ সময় তাঁকে নতুন করে আবিষ্কার করে মানুষ। চুলে রং করা, বাঁধানো দাঁত আর ছদ্মবেশী এক মার্কিন নাগরিক হিসেবে তাঁকে পাওয়া যায়। এর আগে তাঁর জীবনে ঘটে যায় এক ঝড় তোলা ঘটনা। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজের বাসিন্দা থাকাকালে ম্যাকাফির এক পড়শি খুন হলেন। পুলিশের চোখে ম্যাকাফি হয়ে ওঠেন সন্দেহভাজন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি পুলিশের চোখ এড়িয়ে, ছদ্মবেশে ঢুকে পড়েন প্রতিবেশী দেশ গুয়াতেমালায়। রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েও পাননি; বরং কারাগারে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেখান থেকে তিনি ফেরেন যুক্তরাষ্ট্রে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে অল্পবয়সী বান্ধবীদের সঙ্গে ম্যাকাফির খালি গায়ে তোলা ছবি আবারও নানা আলোচনার জন্ম দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিপজ্জনক’ ব্যক্তি হিসেবে সন্দেহের তালিকায় এখন ম্যাকাফি। বিবিসিকে অবশ্য ম্যাকাফি বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর সত্যতা নেই। ম্যাকাফির সাক্ষাত্কার নেওয়া এক সাংবাদিক সব সময় তাঁকে ‘খামখেয়ালি’ বলে সম্বোধন করেন। ম্যাকাফি নিজের সম্পর্কে সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে বাজে লোকের তকমার কথা স্বীকারও করেন। তবে এর বাইরেও ম্যাকাফি নিজেকে পরিচয় দেন একজন উদ্যোক্তা হিসেবে।

ম্যাকাফি নিজের সম্পর্কে বলেন, ‘আমি কৌতূহলী এবং সমস্যা সমাধান করতে ভালোবাসি। তবে আমি নিজের নামে তৈরি কোনো পণ্য ব্যবহার করি না। নিজেকে নিরাপদ রাখতে সব সময় নিরাপদ কম্পিউটিং করি। পর্নো সাইটে যাই না, ভাইরাস থাকতে পারে, এমন লিংকে যাই না।’

ম্যাকাফি বলেন, আমরা যখন রাস্তা খুঁজে নিয়ে চলতে শুরু করি, খোলস ছেড়ে বের হই, তখনই কেবল আমরা নির্ভয়ে সে পথে যেতে পারি এবং এতে সাফল্য আসে এবং সত্যিকারের সৌন্দর্যের খোঁজ পাওয়া যায়।

জন ম্যাকাফি সম্পর্কে তাঁর বেলিজের এক নারী সঙ্গী জানিয়েছেন, অসাধারণ একজন মানুষ আর রোমাঞ্চপিয়াসী তিনি। তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা বলেন, খামখেয়ালি এই মানুষটাকে আসলে বোঝা খুব শক্ত। বয়স্ক একজন মানুষ কমবয়সী অনেকগুলো মেয়ে নিয়ে আনন্দ করছেন আবার কাজের ক্ষেত্রে দারুণ মনোযোগী। কে আসল জন ম্যাকাফি, সেটাই বোঝা কঠিন।

প্রযুক্তির ইতিহাসে বর্ণিল, রহস্যময় একজন মানুষ জন ম্যাকাফি। একদিকে নতুন নতুন উদ্ভাবন, অন্যদিকে মাদক তৈরিসহ বিশ্বের ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করা হয়।

জন ম্যাকাফির সঙ্গে বর্তমানে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস প্রতিষ্ঠানটির কোনো সম্পর্ক নেই। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে তিনি ম্যাকাফি বিক্রি করে দেন। ২০০৮ সাল থেকে তিনি বেলিজে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। রোমাঞ্চপ্রত্যাশী জন ম্যাকাফি ছোটবেলা থেকেই নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন। নব্বইয়ের দশকের পর তাঁর আচরণে খামখেয়ালিপনা দেখা দেয়। বিক্রি করে দেন ম্যাকাফি। তারপর প্রযুক্তি জগত্ থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলে যান বেলিজে। সেখানে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে এ অঞ্চলের বিখ্যাত মাদক চোরাচালানকারী আর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে। এ সময় তিনি ভয়ংকর মাদক তৈরির চেষ্টা করছিলেন। কম্পিউটার জগত্ থেকে অনেকদিন ধরেই বিচ্ছিন্ন পড়েছিলেন ম্যাকাফি। ক্রমাগত বাড়ছিল তার খামখেয়ালি আচরণ। ম্যাকাফির পুরোনো সহকর্মী এবং বন্ধুদের অনেকেই জানিয়েছেন, নারীদের মধ্যে যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে এমন মাদকের প্রতি অনেক দিন ধরেই কৌতূহল ছিল ম্যাকাফির।

ম্যাকাফি বলেন, মাদকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অনেক পুরোনো। পরিবার থেকে লুকিয়ে তিনি মাদক নিতেন। মাদক গ্রহণের জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর চাকরি চলে গিয়েছিল। তবে এ ঘটনাটি ঘটেছিল আশির দশকে। ওই সময় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণে মাদক নেওয়া শুরু করেছিলেন। ১৯৮০ থেকে ’৮৪ সাল—এ চারটি বছর মাদক তাঁর জীবনের সবচেয়ে সর্বনাশ করেছে বলে উল্লেখ করেন ম্যাকাফি। তিনি জানান, তাঁকে নিয়ে এখনো মানুষ ভুল ধারণা করে। তাঁর গায়ে আশির দশকে আঁকা উলকি দেখে এখনো অনেক কিছু ভেবে বসে। তিনি ১৯৮৪ সালে মাদক ছেড়ে দিয়ে চিকিত্সকের কাছেও গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন।

ম্যাকাফি বলেন, ‘সব সময় দুই ধরনের মানুষ আমরা দেখতে পাই। কেউ আমাকে প্রশংসা করে এবং কেউ নিন্দা। কারও চোখে আমি নায়ক, আবার কারও চোখে ভিলেন।’

আলোচিত ১০ বাংলাদেশী মডেলের সেক্স স্ক্যান্ডাল

সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ার খবর হরহামেশাই পাওয়া যায়। হলিউড-বলিউড-ঢালিউড সর্বত্রই চলেছে এমন স্ক্যান্ডাল। চেপে রাখতে চাইলেও এ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না তারকারা। বাংলাদেশের মডেল অভিনেত্রী গায়িকা সেলিব্রিটিরাও এই অস্ত্রে ঘায়েল হয়েছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারকারা ‘স্ক্যান্ডালে’ না জড়িয়েও অপপ্রচারের বলি হয়েছেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় তারকরারা সেই অনৈতিক কাজটি সঙ্গোপনে করেও ফেলেছেন। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী-গায়িকা ভিডিও স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়েন। একের পর এক প্রকাশ হওয়া এসব ভিডিও স্ক্যান্ডালের কারণে পুরো মিডিয়া অঙ্গনেই তুমুল সমালোচনার ঝড় ওঠে। আর এই ঝড় তাদের ক্যারিয়ারের জন্য হয়ে উঠে অশনি সংকেত। তারা পথ হারিয়ে ফেলেন, ঝরে পড়েন। অথচ মেধাবী এই তারকাদের দর্শকদেরকে দেয়ার ছিল অনেক কিছুই। এই প্রতিবেদনের লক্ষ্য তারকাদের এমন স্খলন থেকে সচেতন করা। এমন-ই ১০ আলোচিত-সমালোচিত ভিডিও স্ক্যান্ডালের একটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো- প্রভা

সময়টা ২০১০ সাল। জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা তখন দেশের শীর্ষ মডেল ও অভিনেত্রী। ঠিক সেই সময়েই তার একটি ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছাড়েন তার সেই সময়ের হবু বর রাজীব। মুহুর্তেই তা দেশ বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাজীব এবং প্রভার বিয়ে পারিবারিকভাবেই চুড়ান্ত হয়েছিলো। সব ঠিকঠাক এগুচ্ছিলোও। তাই অনেকটা দাম্পত্য জীবনের মতোই ছিলো তাদের সম্পর্ক। কিন্তু এর মাঝে অভিনেতা অপূর্বর সাথে প্রভার মনদেয়া নেয়া হলে প্রভা পালিয়ে অপূর্বকে বিয়ে করে বসেন। এরপরই প্রতিহিংসার বশে রাজীব তার হবু স্ত্রী প্রভার একান্ত সময়ের কিছু ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। প্রভার পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছিল। এ নিয়ে তুমুল বির্তকে জড়িয়ে পড়েন প্রভা। অপূর্বর সাথেও সংসার ভেঙ্গে যায়। ক্যারিয়ারে ধস নামে। দীর্ঘ ২ বছর মিডিয়া থেকে আড়ালে ছিলেন তিনি। চৈতি
প্রভার আপত্তিকর ভিডিও চিত্র প্রকাশ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই পরের বছরই মডেল ও উপস্থাপিকা চৈতির একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ হয়। নির্মাতা এনামুল কবির নির্ঝরের সাথে এই ভিডিওতে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায় চৈতিকে। ভিডিওটি মোবাইলে ধারণ করা হয়েছিলো। এই আপত্তিকর ভিডিও চিত্রটি প্রকাশের পরপরই তুমুল সমালোচনার মধ্যে পড়েন চৈতি। এ ঘটনা মিডিয়া অঙ্গনসহ সাধারণ মহলেও বিষয়টি নিয়ে কড়া সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর অনেক দিন মিডিয়ায় দেখা যায়নি এই তারকাকে।মিলা
জনপ্রিয় পপ শিল্পী মিলা’র ক্যারিয়ার শুরু হয় গানের মাধ্যমেই। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও মডেলিং করেন এই পপ তারকা। কিন্তু ক্যারিয়ারের জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই তার নাম চলে আসে ভিডিও স্ক্যান্ডালের তালিকায়। ইন্টারনেটে ‘মিলা’ নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ঐ ভিডিওটিতে মাতাল অবস্থায় থাকা তরুনীর চিত্র রয়েছে। এ ঘটনার কয়েকমাস পর মিলা এ বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিও চিত্রের মেয়েটি তিনি নন। এটি আসলেই মিলা কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পাননি তিনি।তিন্নি
ভিডিও স্ক্যান্ডালের সাথে জড়িয়ে পরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল অভিনেতা তিন্নি-হিল্লোল জুটি। একটি হোটেল কক্ষে তরুন-তরুনীর অন্তরঙ্গ মুহুর্তে ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজ দুজনের নামে ছেড়ে দেয়া হয় বাজারে। ভিডিওটির পাত্র-পাত্রী হিসেবে চলে আসে এ জুটির নাম। এই ভিডিওটির সত্যতা মেলেনি। কিন্তু সমালোচনার হাত থেকে রেহাই মেলেনি তুখোড় এই তারকা-জুটির। তিন্নিকে এখন শোবিজে দেখা যায় না বললেই চলে।শখ
জনপ্রিয় মডেল আনিকা কবির শখের নামে একটি ভিডিও ফুটেজ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে। ভিওিও ক্লিপটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই এটি নানাভাবে ছড়িয়ে পরে সবর্ত্র। ভিডিওতে বিবসনা নারীটি আসলেই শখ কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার পর শখের ক্যারিয়ার ইমেজে দর্শকদের নেতিবাচক বার্তা পৌছায়।মীম
লাক্স সুপারস্টার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম বেশ ক্লিন ইমেজ নিয়েই মিডিয়ায় ছিলেন। কিন্তু এতে বাঁধা হয়ে উঠে একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ। গত বছর এক বিদেশি ক্রিকেটারের সাথে আপত্তিকর দৃশ্যের এ ফুটেজ প্রকাশ হয়। এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এটা আসলেই তারকা বিদ্যা সিনহা মিম কিনা তা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেন।নোভা
মডেল অভিনেত্রী নোভার নামও জড়িয়ে পরে ভিডিও স্ক্যান্ডালে। ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময়ে একটি ভিডিও ফুটেজ বির্তকে ফেলে দেয় এই তারকাকে। ২০১০ সালে তার নামে একটি অর্ধ বিবসনা ফুটেজ ছড়িয়ে পরে। যা এ তারকাকে স্ক্যান্ডালের তালিকায় ফেলে দেয়। যদিও ফুটেজটির মেয়েটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সারিকা
ভিডিও স্ক্যান্ডালের ফাঁদে পড়তে হয়েছে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকাকেও। ইন্টারনেটে বেশ কয়েকটি ওয়েব সাইটে সারিকার নামে একটি পর্ণো ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয়। এই ভিডিও চিত্রটিও সেলফোন, মনিটরে ঘুরে ঘুরে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে প্রকাশিত ভিডিওর নারী চরিত্রটি সারিকা নয় বলে তার ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করেছেন।পরশী
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী পরশীও রেহাই পায়নি এই সাইবার ক্রাইম থেকে। ভিডিও স্ক্যান্ডালের শিকার হতে হয়েছে তাকেও। পরশীর নাম ব্যবহার করে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। যদিও ভিডিওর মেয়েটির পরিচয় জানা যায়নি।বিন্দু
নাট্যকার ও সাংবাদিক অরুন চৌধুরীকে জড়িয়ে একটি ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ে। আর এর সাথে যুক্ত হয় জনপ্রিয় তারকা বিন্দুর নাম। একটি অফিস কক্ষে গোপন ক্যামেরায় ধারনকৃত এই ভিডিওতে কথিত অরুন চৌধুরীর সাথে যে নারীটিকে দেখা গেছে সেই নারীটি মডেল বিন্দু বলে বিভিন্ন যায়গায় প্রচার হয়। এটিকে বিন্দুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলেও দাবি করেন তার নিকটজনরা।

*********** বিদ্যা সিনহা মিমের সেক্স ভিডিও *****

*********** বিদ্যা সিনহা মিমের সেক্স ভিডিও *************

এইটা নাকি চ্যানেল আই-লাক্স সুপারষ্টার বিদ্যা সিনহা মিমের সেক্স ভিডিও। আমি sure না, আপনারা নামায় দেখেন তো। কি মনে হয়।

DOWNLOAD LINK

link from facebook (https://www.facebook.com/pageishot/posts/344999928882204)meem-wwwg

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ডিসপ্লে

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা হাই ডেফিনেশন বা এইচডি ডিসপ্লে তৈরি করেছে এলজি।

পাঁচ দশমিক দুই ইঞ্চি মাপের এ ডিসপ্লে মাত্র দুই দশমিক দুই মিলিমিটার পুরু। হালকা-পাতলা স্মার্টফোন তৈরিতে এলজির এই পাতলা ডিসপ্লে ব্যবহূত হবে। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে সিনেট।

প্রযুক্তি-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, বর্তমান যুগ হচ্ছে হালকা-পাতলা মোবাইল পণ্যের যুগ। দীর্ঘদিন ধরেই মোবাইল পণ্যগুলোকে হালকা-পাতলা করার উপায় খুঁজছে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

১০ জুলাই বুধবার বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা এইচডি এলসিডি প্যানেলের ঘোষণা দিয়ে এ সমস্যার সমাধান দিল এলজি। এলজির এ ডিসপ্লে ব্যবহারে স্মার্টফোন হবে আরও হালকা-পাতলা।

এলজি ডিসপ্লে ইউনিটের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাইওং-কো কিম এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা এইচডি এলসিডি প্যানেল তৈরির ফলে হাই এন্ড স্মার্টফোন বিভাগ আরও উন্নত হবে। স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে আরও উন্নত ডিসপ্লে তৈরিতে কাজ করবে এলজি।

 

এলজির নমনীয় ডিসপ্লের স্মার্টফোন পরিকল্পনা

এইচডি এলসিডির পাশাপাশি নমনীয় ডিসপ্লে তৈরি করছে এলজি। নমনীয় ডিসপ্লে তৈরিতে কাচের পরিবর্তে নমনীয় প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। সাধারণত স্মার্টফোন তৈরিতে কাচ ব্যবহার করার কারণে তা পড়ে গেলে সহজেই ভেঙে যায় এবং ওজনে ভারী হয়। স্মার্টফোন প্রযুক্তির উন্নয়নে নমনীয় ডিসপ্লে তৈরির বিষয়টি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবেই ধরা হচ্ছে। শিগগিরই নমনীয় বা বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন বাজারে আনবে এলজি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সহজে বাঁকানো সম্ভব ও নমনীয় ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এলজি। এ ছাড়াও ২০১২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাঁকানো ডিসপ্লে প্রদর্শন করেছিল। স্যামসাং ছাড়াও নমনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে নকিয়া।

এদিকে এলজি মোবাইল বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এলজির ডিসপ্লে বিভাগের তৈরি নমনীয় ওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত একটি স্মার্টফোন চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাজারে আসতে পারে। পাশাপাশি বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান দখল করছে এলজি। বর্তমানে স্মার্টফোনের বাজারে স্যামসাং ও অ্যাপলের পরের স্থানটি এলজির।

কম্পিউটারের সাধারণ ১০ সমস্যার সমাধান

কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। প্রায়ই হয় এমন সাধারণ সমস্যার সমাধান নিজে নিজেই করা যায়। এমন ১০টি সমস্যার সমাধান নিয়ে এ আয়োজন। আজ থাকছে তিনটি সমাধান। লিখেছেন মঈন চৌধুরী

কম্পিউটারশুরুতেই যা করণীয়
কোনো সমস্যা হলে অন্য কিছু করার আগে প্রথম কাজটিই হবে কম্পিউটার পুনরায় চালু বা রিস্টার্ট করা। এই কাজটি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কম্পিউটারে সংযুক্ত কোনো যন্ত্রপাতি সমস্যা করলে সেটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। তাতে কাজ না হলে যন্ত্রটি প্রথমে কম্পিউটার থেকে খুলে আবার লাগিয়ে নিন, তারপর সেটির সর্বশেষ সংস্করণের চালক সফটওয়্যার বা ড্রাইভার ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে আবার ইনস্টল করুন।
১. ধীরগতির কম্পিউটার
কম্পিউটার খুব ধীরগতির হলে প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে এটি আসলে কম্পিউটারের নিজের সমস্যা কি না। ওয়েবসাইট দেখতে সময় বেশি লাগা বা অনলাইনে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং অবিরাম চলতে থাকাটা কম্পিউটারের সমস্যা না-ও হতে পারে। যদি মনে হয় কম্পিউটারেই সমস্যা, তাহলে দেখে নিন হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা আছে (সাধারণত C:), তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা আছে কি না। অপারেটিং সিস্টেম চলার সময় উইন্ডোজের ফাইল তৈরিতে খালি জায়গার প্রয়োজন হয়। অপর্যাপ্ত থাকলে ড্রাইভের কিছু জায়গা খালি করে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ডিস্কম্যাক্স নামের একটি প্রোগ্রাম। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/rgcY4Q। রিসাইকল বিন, ইনস্টলেশন রেমন্যান্ট, ইউজার হিস্ট্রি, টেম্পরারি ফাইল, কুকিজ, উইন্ডোজ ক্যাশ ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় সবকিছু মুছে সিস্টেম ড্রাইভসহ পুরো হার্ডডিস্ক পরিষ্কার করে ফেলবে।
ধীরগতির আরেকটি সমাধান হলো মাইক্রোসফট সিস্টেম কনফিগারেশন টুল। অনেক অ্যাপলিকেশন আছে যেগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে কম্পিউটার পুরোপুরি প্রস্তুত হতে বাড়তি সময় লাগায়। এ জন্য Windows Key + R কি চেপে তাতে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এখান থেকে যেসব স্টার্টআপ আইটেম অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, সেগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন। তবে ম্যানুফ্যাকচারার ট্যাবে মাইক্রোসফট করপোরেশন লেখা আইটেমগুলো থেকে টিক ওঠাবেন না। এবার ওকে চেপে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
ইন্টারনেট সংযোগ২. ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা
ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা হলে ভালো সমাধান হলো www.speedtest.net ওয়েব ঠিকানা। এখানে স্পিড টেস্ট চালিয়ে দেখুন ইন্টারনেটের গতি কেমন। ইন্টারনেট সেবাদাতার দেওয়া সংযোগের গতির অন্তত অর্ধেক পাচ্ছেন কি না, পিং করলে ১০০ মিলিসেকেন্ডের কম থাকে কি না। আশানুরূপ না হলে পরীক্ষা করে দেখুন, কোনো কিছু ডাউনলোড বা আপলোড হচ্ছে কি না। অনেক টরেন্ট ডাউনলোডিং প্রোগ্রাম টাস্কবারের বদলে সিস্টেম ট্রেতে থেকে নেপথ্যে ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করতে থাকে। উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট নির্বাচন করা থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড চলতে থাকে। এটি বন্ধ করতে চাইলে স্টার্ট বাটন চেপে সার্চ বক্সে লিখুন windows update এবং এন্টার চাপুন। ‘চেঞ্জ সেটিংস’ ক্লিক করে ‘নেভার চেক ফর আপডেটস’ অপশনটি নির্বাচন করে ওকে করুন। নেটওয়ার্কে ব্যবহূত হার্ডওয়্যারও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাউটার বা সুইচের রিসেট বাটন চেপে সংযোগ সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। অথবা দু-এক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার কেবল বিচ্ছিন্ন করেও এটা করা যায়।
৩. কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট
হার্ডওয়্যার সমস্যা করলে সেটা শনাক্ত করে সমাধান করা একটু কঠিনই। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, উইন্ডোজ হালনাগাদ হচ্ছে কি না। এসব আপডেট ইনস্টল হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। অনেক সময় ভাইরাস বা অ্যাডওয়্যারের কারণে এমনটা হতে পারে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অথবা বিনা মূল্যের মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়ালস সর্বশেষ হালনাগাদসহ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করে স্ক্যান করে নিতে পারেন। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/EW85AC আর এর সর্বশেষ ডেফিনিশন আপডেট ফাইল নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/8TnmU5। কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী (৩২ বা ৬৪ বিট) ‘ম্যানুয়ালি ডাউনলোড দ্য লেটেস্ট আপডেটস’ সেকশন থেকে এই সফটওয়্যারটির হালনাগাদ ফাইল নামাতে হবে অথবা ইন্টারনেটে সরাসরি হালনাগা করে নিতে পারেন।
কম্পিউটারের কোনো যন্ত্রাংশ মাত্রাতিরিক্ত গরম হলেও কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিতে পারে। আধুনিক অনেক কম্পিউটারে সেফগার্ড থাকে, যা যন্ত্রপাতি গরম হলে নিজে নিজেই কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়। সিপিইউ খোলার অভিজ্ঞতা থাকলে এবং তাতে কোনো ওয়ারেন্টি সিল না থাকলে সেটি খুলে অনেক দিনের জমা ধুলোবালি ব্রাশ দিয়ে সাবধানে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। তারপর র‌্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে নিন এবং হার্ডডিস্ক, ডিভিডি-রম ড্রাইভে সংযুক্ত তারগুলো ভালোভাবে লাগিয়ে রিস্টার্ট হওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।

 

৪. ডেস্কটপে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন

ওয়েব সাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) খোলা না রাখলেও যদি ডেস্কটপে পপ-আপ উইন্ডো এসে অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, তবে বুঝতে হবে আপনার কম্পিউটারে কোনো অ্যাডওয়্যার ইনস্টল হয়ে আছে। এ থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ কাজ নয়। ইন্টারনেটে পিসি স্পিড-আপ, পিসি অপটিমাইজার ইত্যাদি নামে প্রচুর সিস্টেম ইউটিলিট টুলস আছে কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ করে খুব কমই। এ ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত এবং বিনা মূল্যে কাজের অ্যাডওয়্যার স্ক্যানার হচ্ছে ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়্যার টুল। প্রথম কাজ হবে আগে থেকে ইনস্টল করা অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে পুরো সিস্টেম স্ক্যান করা।

এতে কাজ না হলে সব ধরনের ম্যালওয়্যার মোছার জন্য কার্যকর ম্যালওয়্যারবাইটস অ্যান্টি ম্যালওয়ার প্রোগ্রামটি ইন্টারনেটের www.malwarebytes.org এই ওয়েব ঠিকানা থেকে বিনা মূল্যের সংস্করণটি নামিয়ে ইনস্টল করুন। স্ক্যান করার আগে বর্তমানে কোনো অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকলে প্রথমে নিষ্ক্রিয় করে নিন। এর পরও কাজ না হলে সিস্টেম ড্রাইভে (সাধারণত সি ড্রাইভ) রাখা আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো অন্যত্র সরিয়ে অপারেটিং সিস্টেম পুরোপুরি নতুন করে ইনস্টল করতে হবে।

 

৫. গুগল ঠিকমতো কাজ না করা

ব্রাউজার হাইজ্যাক হওয়া ম্যালওয়্যারেরই আরেকটি ধরন। কিছু প্রোগ্রাম আছে, যা ওয়েব ব্রাউজারটি দখলে নিয়ে আপনার করা গুগল সার্চ গোপনে অন্য কোনো ভুয়া ওয়েবসাইটের পেজে নিয়ে যায়। তারপর কোনো কিছু জানতে চেয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়াসহ আপনার সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে। হালের সব ইন্টারনেট সিকিউরিটি অথবা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারে রিয়েল-টাইম স্ক্যানার সংযুক্ত থাকে। প্রোগ্রামটির সেটিংস ঘেঁটে সেটি কার্যকর আছে কি না দেখে নিন। কাজ না হলে কন্ট্রোল প্যানেলের প্রোগ্রামস অ্যান্ড ফিচারস অপশন থেকে ব্রাউজারটি বেছে নিয়ে আনইনস্টল করে ফেলুন। পছন্দসই ব্রাউজারের সর্বশেষ সংস্করণ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করুন।

অনেক সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় বাড়তি অপশন হিসেবে তাদের নির্ধারিত টুলবার ইনস্টল করতে বলে। টুলবার ইনস্টল হয়ে গেলে ব্রাউজারে ব্যবহূত ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিনের বদলে তাদের কাস্টম সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহূত হয়ে আপনার তথ্য অনুসন্ধানে সঠিক ফল নাও দিতে পারে। সে জন্য অপরিচিত সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় কাস্টম অপশন নির্বাচন করে ধৈর্যসহকারে নির্দেশনা দেখে দেখে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করুন। বিনা মূল্যে কোনো সেবা নেওয়ার অফার থাকলে সেগুলো পরিহার করুন। তার পরও যদি দেখেন, আপনার ব্রাউজারে অযাচিত অনেক অপশনে ভরপুর হয়ে আছে, তাহলে কন্ট্রোল প্যানেলের প্রোগ্রামস অ্যান্ড ফিচারস অপশন থেকে টুলবার প্রোগ্রামটি চিহ্নিত করে মুছে ফেলুন।

 

৬. ওয়াই-ফাই সংযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন

ওয়াই-ফাইয়ের সংযোগ নিয়ে সমস্যায় পড়লে একটু ধাঁধায়ই পড়তে হয়। এটা কি নিজের কম্পিউটারে সমস্যা?

রাউটারে সমস্যা?

নাকি আইএসপির সমস্যা? এ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবাদাতা বা আইএসপিকে ফোন করার আগে নিজে নিজে কিছুটা চেষ্টা করা যেতে পারে। নিশ্চিত করুন, আপনার কম্পিউটারটি ওয়াই-ফাই রাউটারের আওতার ভেতরেই আছে কি না। তারপর দেখুন কম্পিউটারের তারহীন কার্ডটির সর্বশেষ ড্রাইভার ইনস্টল করা আছে কি না। এবার উইন্ডোজ ট্রাবলশুট ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

টাস্কবারের সিস্টেম ট্রেতে থাকা ওয়াই-ফাই আইকনে ডান ক্লিক করে ‘ট্রাবলশুট প্রবলেমস’ অপশনটি নির্বাচন করুন।

উইন্ডোজের নিজস্ব প্রোগ্রাম উইন্ডোজ নেটওয়ার্ক ডায়াগনস্টিক নামের টুলসটি সমস্যার সমাধান যদি না-ও করে, কিছু নির্দেশনা তো অন্তত পাওয়া যাবে।

Continue reading “কম্পিউটারের সাধারণ ১০ সমস্যার সমাধান”

উড়ুক্কু গাড়ি বানাচ্ছে চীন!

উড়ুক্কু গাড়ি তৈরিতে এগিয়ে এসেছে চীন। সম্প্রতি চীনে উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির জন্য নতুন নকশার পেটেন্ট আবেদন করা হয়েছে। টেলিগ্রাফ অনলাইনের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের কল্পনায় স্থান করে নিয়েছে উড়ুক্কু গাড়ি। যা এতদিন ছিল কেবল বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে এখন বাস্তবের জগতেও পরীক্ষামূলকভাবে চলে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেরাফুগিয়া এতদিন উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছিল। এবার চীনের গবেষকেরা উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করছেন।
সাউদার্ন চায়না এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ সম্প্রতি উড়ুক্কু গাড়ির নকশা ও গাড়ির প্রযুক্তির জন্য পেটেন্ট আবেদন করেছে।
পেটেন্ট আবেদনে বলা হয়েছে, গাড়ি আকাশে ওড়ানোর জন্য দুটি বড় আকারের পাখা থাকবে। এই পাখা দুটি গাড়ির নীচে সামনে ও পেছনে দিকে পরস্পর বিপরীত দিকে ঘুরতে থাকবে। এ ছাড়াও গাড়ির মাঝ বরাবর দুটি ছোট আকারের পাখা পাশাপাশি ঘুরতে থাকবে। এই দুটি পাখা গাড়ি আকাশে ওড়ানোর সময় চালককে নিয়ন্ত্রণ সুবিধা দেবে। বড় দুটি পাখান নীচে বসানো বিশেষ প্লেট আকাশে গাড়িটির দিক ঠিক রাখবে।
চালক ও যাত্রীর জন্য এই উড়ুক্কু গাড়িতে কতখানি জায়গা থাকবে তা এখনই ধারণা করা সম্ভব নয়। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, উড়ুক্কু গাড়ির এটি প্রাথমিক নকশা মাত্র। এর আরও উন্নতি করে শিগগিরই উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান টেরাফুগিয়া ‘ট্রানজিশন’ নামে উড়ুক্কু গাড়ি তৈরির কথা জানিয়েছিল। টেরাফুগিয়ার দাবি, তারা ট্রানজিশনের পাশাপাশি টিএফ-এক্স নামে নতুন এক ধরনের উড়ুক্কু গাড়ির নকশা করছে যে রাস্তায় চলবে আবার দ্রুত গতিতে আকাশেও উড়বে। এর জন্য আলাদা রানওয়ের প্রয়োজন পড়বে না। এ গাড়ি চালানোর জন্য আলাদা করে বিমান চালনার প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হবে না। গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে সাধারণ গাড়ি চালানো আর কম্পিউটার চালানোর দক্ষতা থাকলেই চলবে।

প্রযুক্তি গবেষকেরা আশা করছেন, সেদিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন রাস্তার পাশাপাশি আকাশেও উড়বে গাড়ি।

পাসওয়ার্ড ছাড়াই উইন্ডোজ চালু

কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে যদি পাসওয়ার্ড দিয়ে সিস্টেমে ঢুকতে হয়, তাহলে সেটিকে এভাবেই রাখা উচিত। কারণ, কম্পিউটার নিরাপত্তায় পাসওয়ার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাসওয়ার্ড ছাড়া পুরো কম্পিউটার সিস্টেমই হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ। যে কেউ আপনার কম্পিউটারে সরাসরি ঢুকে ক্ষতি করতে পারে, ঢুঁ মারতে পারে গোপনীয় ফাইল বা ই-মেইলে। এমনকি আপনার হয়ে যে কাউকে ই-মেইলও পাঠিয়ে বসতে পারে। অন্যদিকে, কম্পিউটার চালু রেখে কিছু সময়ের জন্য একটু এদিক-সেদিক গেলেন, ফিরে এসে কম্পিউটারকে আবার কাজ করার মতো প্রস্তুত অবস্থায় দেখতে পেলেন। বারবার পাসওয়ার্ড চাপতে হলো না। কিন্তু আপনার অনুপস্থিতিতে যে কেউ চাইলে ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে ফেলতে পারে—এ বিষয়ও মাথায় রাখতে হবে।
এসব বিবেচনায় প্রতিবার কম্পিউটার চালু হওয়ার আগে লগঅন পর্দায় বারবার পাসওয়ার্ড দেওয়া ছাড়াই সরাসরি উইন্ডোজে ঢুকতে পারেন। এই ব্যবস্থায় পাসওয়ার্ড মুছে যাবে না। লগ-অন পর্দা এড়িয়ে যেতে চাইলে অ্যাডভান্সড ইউজার অ্যাকাউন্টসে ঢুকতে হবে।
উইন্ডোজ ৭ ও ভিসতার বেলায় স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে লিখুন netplwiz এবং এন্টার করুন। উইন্ডোজ এক্সপিতে স্টার্ট চেপে রানে ক্লিক করুন, লিখুন control userpasswords2 এবং এন্টার করুন। উইন্ডোজ আটে স্টার্ট পর্দায় থাকা অবস্থায় লিখুন netplwiz এবং অ্যাপস সেকশন থেকে সেটি নির্বাচন করুন।
ডায়ালগ বক্সের উইন্ডো এলে আপনার অ্যাকাউন্ট (যেটি দিয়ে আপনি লগইন করেন) নির্বাচন করা আছে কি না, সেটি নিশ্চিত করুন। তারপর Users must enter a user name and password থেকে টিক উঠিয়ে দিন। এরপর OK চাপলে আপনার অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড চাইবে। দুবার পাসওয়ার্ড বসিয়ে OK করুন। পরেরবার কম্পিউটার চালু করলে উইন্ডোজ আপনার কাছে আর পাসওয়ার্ড চাইবে না। —মঈন চৌধুরী